ঢাকা ১০:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে উৎপাদন  বাড়ানোর তাগিদ  প্রধানমন্ত্রীর সংযুক্ত আরব  আমিরাতে ৪,৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রিসেট চায় বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়া উচিত হুমায়ুন ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে অর্ধেক শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ শেরপুরে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধের চালান জব্দ ‘আমেরিকানরা যোদ্ধা হলে ইরানের বীর বাহিনীর মুখোমুখি হোক’: পেজেশকিয়ান আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি’: প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্রে একের পর এক কারিগরি ত্রুটি, নাশকতার আশঙ্কা রিজভীর

ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা ইস্যুতে দিল্লিকে সতর্ক করল ঢাকা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৭৯ বার পড়া হয়েছে

ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা ইস্যুতে দিল্লিকে সতর্ক করল ঢাকা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়ে নতুন করে গুরুত্বারোপ করেছে ঢাকা।

ভারতের মাটিতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতে কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারেন, সে বিষয়ে দিল্লিকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রতিবেশী দেশের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ প্রেক্ষাপটে ভারতের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে তাদের ভূখণ্ড কোনো ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত না হয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক বহুমাত্রিক এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাই উদ্ভূত যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সংলাপের পথ খোলা রাখা জরুরি।

পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা এবং সহযোগিতার ভিত্তিতে সমস্যার সমাধান সম্ভব বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এদিকে, ওসমান হাদি হত্যা মামলার দুই আসামিকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে। এ বিষয়ে হুমায়ুন কবির জানান, বিদ্যমান বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছে এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের কূটনৈতিক বার্তা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ভারসাম্যপূর্ণ রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

 একই সঙ্গে এটি দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক দায়বদ্ধতা ও সহযোগিতার বিষয়টিকেও সামনে নিয়ে আসে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা ইস্যুতে দিল্লিকে সতর্ক করল ঢাকা

আপডেট সময় : ০৯:৪৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়ে নতুন করে গুরুত্বারোপ করেছে ঢাকা।

ভারতের মাটিতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতে কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারেন, সে বিষয়ে দিল্লিকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রতিবেশী দেশের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ প্রেক্ষাপটে ভারতের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে তাদের ভূখণ্ড কোনো ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত না হয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক বহুমাত্রিক এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাই উদ্ভূত যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সংলাপের পথ খোলা রাখা জরুরি।

পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা এবং সহযোগিতার ভিত্তিতে সমস্যার সমাধান সম্ভব বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এদিকে, ওসমান হাদি হত্যা মামলার দুই আসামিকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে। এ বিষয়ে হুমায়ুন কবির জানান, বিদ্যমান বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছে এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের কূটনৈতিক বার্তা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ভারসাম্যপূর্ণ রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

 একই সঙ্গে এটি দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক দায়বদ্ধতা ও সহযোগিতার বিষয়টিকেও সামনে নিয়ে আসে।