ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৃশংস ৭ বছরের শিশুর হাত চেপে ধরেন স্ত্রী আঙ্গুল কাটেন পুলিশ  কনস্টেবল জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান

৪ অধ্যাদেশ রহিতের সুপারিশে জনমনে উদ্বেগ, আরও যাচাইয়ের পক্ষে এমপিরা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

সুপারিশে জনমনে উদ্বেগ, আরও যাচাইয়ের পক্ষে এমপিরা: ফাইল ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

৪ অধ্যাদেশ রহিতের সুপারিশ ঘিরে জনমনে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হওয়ায় বিষয়গুলো আরও গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করার পক্ষে মত দিয়েছেন সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা (এমপি)। তারা মনে করছেন, তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত না নিয়ে সংশ্লিষ্ট আইনগুলোর প্রভাব ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বিস্তৃত পর্যালোচনা জরুরি।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে সরকার দলীয় সভাকক্ষে বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ সচিবালয় (অন্তর্বর্তী বিশেষ বিধান) অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ-২০২৫ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৬—এই চারটি অধ্যাদেশ রহিত করে হেফাজতের জন্য বিল আনার সুপারিশ করা হয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে বলে সংসদ সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে বলেন, জনগণের প্রত্যাশার প্রতি সম্মান দেখিয়ে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, “জনগণ আমাদের ওপর যে আস্থা রেখেছে, তার প্রতিদান কাজের মাধ্যমেই দিতে হবে। সংসদের প্রতিটি মুহূর্ত মূল্যবান। ব্যক্তিগত স্বার্থ বা অবহেলা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। আমরা একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

সভায় অংশ নেওয়া সংসদ সদস্যরা অভিমত দেন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগে ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল’ গঠন এবং অধস্তন আদালতের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে স্বতন্ত্র ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিল। এসব উদ্যোগ বাতিল করা হলে জনমনে ভুল বার্তা যেতে পারে বলেও তারা সতর্ক করেন। তাই আইনগুলো পাসের আগে বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণ এবং জনমত বিবেচনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

উল্লেখ্য, জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যরাও এ দুটি অধ্যাদেশ বহাল রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন। বিশেষ কমিটিতে দেওয়া ‘নোট অব ডিসেন্ট’-এ তারা উল্লেখ করেন, এসব অধ্যাদেশ বিচার বিভাগকে শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

এছাড়া বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ দ্রুত স্থায়ী আইনে রূপান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা, সংসদ অধিবেশনে সদস্যদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দসহ এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

সভায় সংসদ উপনেতা ও চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বর্তমান সংসদীয় কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি দিকনির্দেশনায় দলের সংসদ সদস্যদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ও সক্রিয়তা লক্ষ্য করা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :