ঢাকা ১০:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে উৎপাদন  বাড়ানোর তাগিদ  প্রধানমন্ত্রীর সংযুক্ত আরব  আমিরাতে ৪,৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রিসেট চায় বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়া উচিত হুমায়ুন ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে অর্ধেক শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ শেরপুরে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধের চালান জব্দ ‘আমেরিকানরা যোদ্ধা হলে ইরানের বীর বাহিনীর মুখোমুখি হোক’: পেজেশকিয়ান আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি’: প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্রে একের পর এক কারিগরি ত্রুটি, নাশকতার আশঙ্কা রিজভীর

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গতি আনতে একমত ঢাকা-দিল্লি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৫২:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬ ১৮২ বার পড়া হয়েছে

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির-প্রণয় ভার্মা বৈঠক

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ-ভারতের পারস্পরিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে দুই দেশ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে গৃহীত কিছু পারস্পরিক সিদ্ধান্তের কারণে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে, তা নিরসনে আলোচনা চলছে।

সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা–এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বৈঠকে বন্ধ হয়ে যাওয়া ভারতের কয়েকটি স্থলবন্দর, বর্ডারহাট এবং ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, সব বন্দর বন্ধ হয়নি, যেমন বেনাপোল স্থলবন্দর চালু রয়েছে। তবে অন্যান্য যেসব বন্দর বন্ধ আছে, সেগুলো পুনরায় চালু করলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরও বাড়বে।

এ ছাড়া বিভিন্ন পণ্যের ওপর আরোপিত রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা নিয়েও ভারতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। অপরদিকে, ভারতও বন্ধ থাকা বর্ডারহাটগুলো পুনরায় চালুর আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, দুই দেশেরই কিছু সিদ্ধান্তের ফলে বাণিজ্যে বাধা তৈরি হয়েছে, এটি সত্য। কিছু নির্দিষ্ট ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এসব হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে বাণিজ্য সম্প্রসারণের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে এসব সমস্যার সমাধান সম্ভব-এ বিষয়ে দুই দেশই একমত।

তিনি আরও জানান, এখনো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে চূড়ান্ত সমাধান হয়নি। আলোচনায় উঠে আসা বিষয়গুলো ভারতের হাইকমিশনার তার দেশের উচ্চপর্যায়ে অবহিত করবেন। একইভাবে ভারত যে বিষয়গুলো উত্থাপন করেছে, সেগুলো নিয়েও বাংলাদেশ সরকার মন্ত্রিপরিষদে আলোচনা করবে।

এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) চিঠি দেওয়া হয়েছে। এখন এটি জাতিসংঘের নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হবে।

ইরান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে জ্বালানি ও খাদ্য সংকট তৈরি হতে পারে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রণালি বন্ধ হলে জাহাজভাড়া বেড়ে যায়, ফলে পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকে। তবে আপাতত বড় ধরনের সংকটের আশঙ্কা দেখছেন না।

পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে সরকার বিকল্প ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি। বর্তমানে দেশে পণ্যের কোনো সংকট নেই বলে আশ্বস্ত করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

ভারতীয় অর্থায়নের প্রকল্পগুলোর কী হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় অর্থায়নের প্রকল্পগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গতি আনতে একমত ঢাকা-দিল্লি

আপডেট সময় : ০৭:৫২:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ-ভারতের পারস্পরিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে দুই দেশ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে গৃহীত কিছু পারস্পরিক সিদ্ধান্তের কারণে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে, তা নিরসনে আলোচনা চলছে।

সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা–এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বৈঠকে বন্ধ হয়ে যাওয়া ভারতের কয়েকটি স্থলবন্দর, বর্ডারহাট এবং ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, সব বন্দর বন্ধ হয়নি, যেমন বেনাপোল স্থলবন্দর চালু রয়েছে। তবে অন্যান্য যেসব বন্দর বন্ধ আছে, সেগুলো পুনরায় চালু করলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরও বাড়বে।

এ ছাড়া বিভিন্ন পণ্যের ওপর আরোপিত রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা নিয়েও ভারতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। অপরদিকে, ভারতও বন্ধ থাকা বর্ডারহাটগুলো পুনরায় চালুর আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, দুই দেশেরই কিছু সিদ্ধান্তের ফলে বাণিজ্যে বাধা তৈরি হয়েছে, এটি সত্য। কিছু নির্দিষ্ট ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এসব হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে বাণিজ্য সম্প্রসারণের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে এসব সমস্যার সমাধান সম্ভব-এ বিষয়ে দুই দেশই একমত।

তিনি আরও জানান, এখনো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে চূড়ান্ত সমাধান হয়নি। আলোচনায় উঠে আসা বিষয়গুলো ভারতের হাইকমিশনার তার দেশের উচ্চপর্যায়ে অবহিত করবেন। একইভাবে ভারত যে বিষয়গুলো উত্থাপন করেছে, সেগুলো নিয়েও বাংলাদেশ সরকার মন্ত্রিপরিষদে আলোচনা করবে।

এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) চিঠি দেওয়া হয়েছে। এখন এটি জাতিসংঘের নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হবে।

ইরান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে জ্বালানি ও খাদ্য সংকট তৈরি হতে পারে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রণালি বন্ধ হলে জাহাজভাড়া বেড়ে যায়, ফলে পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকে। তবে আপাতত বড় ধরনের সংকটের আশঙ্কা দেখছেন না।

পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে সরকার বিকল্প ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি। বর্তমানে দেশে পণ্যের কোনো সংকট নেই বলে আশ্বস্ত করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

ভারতীয় অর্থায়নের প্রকল্পগুলোর কী হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় অর্থায়নের প্রকল্পগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।