ঢাকা ০৭:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন ১০ মার্চ, কার্ডধারী পরিবারের প্রতি মাসে মিলবে ২,৫০০ টাকার আর্থিক সুবিধা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৩:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন ১০ মার্চ, কার্ডধারী পরিবারের প্রতি মাসে মিলবে ২,৫০০ টাকার আর্থিক সুবিধা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পাইলট প্রোগ্রামের উদ্বোধন করবেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম দ্রুত শুরু করতে এই বৈঠক আয়োজন করা হয়েছে।

বৈঠক শেষে সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিকভাবে দেশের ১৪টি উপজেলায় প্রতিটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত নারীদের জন্য এই কার্ড বিতরণ করা হবে।

কার্ডধারী পরিবার প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা আর্থিক সুবিধা পাবেন। মন্ত্রী জানিয়েছেন, এটি কোনও রাজনৈতিক বা ধর্মীয় ভিত্তিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না, এটি একটি ইউনিভার্সাল প্রোগ্রাম।

ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম ধাপে ধাপে সারাদেশে সম্প্রসারিত হবে। প্রত্যেক ওয়ার্ডে দরিদ্র পরিবার শনাক্ত করার জন্য ডোর-টু-ডোর তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং ঘরে বসে কোনো বাছাই করা হবে না। কার্যক্রম পরিচালনা করবেন সরকারি কর্মকর্তারা, ইউএনও এবং উপজেলা পর্যায়ের কমিটিগুলোর তত্ত্বাবধানে। তদারকি নিশ্চিত করতে দ্বি-স্তর বিশিষ্ট চেকিং ও রি-চেকিং প্রক্রিয়া থাকবে।

মন্ত্রী জাহিদ হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে কতজন নারী সুবিধা পাবেন তা নির্ধারণ করা হবে ফিল্ড লেভেলে। এটি নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও পরিবারের স্বাবলম্বিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

অর্থসংস্থানের বিষয়ে তিনি জানান, প্রাথমিক পাইলট প্রোগ্রামের জন্য বরাদ্দ ইতিমধ্যেই নিশ্চিত হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এটি নিয়মিত বাজেট থেকে চালু হবে।

ফ্যামিলি কার্ড প্রোগ্রামটি বিএনপি সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এটি দেশের দরিদ্র নারী ও তাদের পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্য পূরণ করবে।

মন্ত্রি বলেন, সার্বজনীনভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সকল অঞ্চলে সম্প্রসারিত হবে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত শ্রেণির মা-দের সুবিধা দেওয়া হবে। নারীর ক্ষমতায়ন এবং তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। একজন নারী স্বাবলম্বী হলে পুরো পরিবার স্বাবলম্বী হয় এবং এর মাধ্যমে আগামী প্রজন্মও উন্নত জীবন যাপন করতে পারবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন ১০ মার্চ, কার্ডধারী পরিবারের প্রতি মাসে মিলবে ২,৫০০ টাকার আর্থিক সুবিধা

আপডেট সময় : ০৩:৪৩:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পাইলট প্রোগ্রামের উদ্বোধন করবেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম দ্রুত শুরু করতে এই বৈঠক আয়োজন করা হয়েছে।

বৈঠক শেষে সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিকভাবে দেশের ১৪টি উপজেলায় প্রতিটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত নারীদের জন্য এই কার্ড বিতরণ করা হবে।

কার্ডধারী পরিবার প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা আর্থিক সুবিধা পাবেন। মন্ত্রী জানিয়েছেন, এটি কোনও রাজনৈতিক বা ধর্মীয় ভিত্তিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না, এটি একটি ইউনিভার্সাল প্রোগ্রাম।

ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম ধাপে ধাপে সারাদেশে সম্প্রসারিত হবে। প্রত্যেক ওয়ার্ডে দরিদ্র পরিবার শনাক্ত করার জন্য ডোর-টু-ডোর তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং ঘরে বসে কোনো বাছাই করা হবে না। কার্যক্রম পরিচালনা করবেন সরকারি কর্মকর্তারা, ইউএনও এবং উপজেলা পর্যায়ের কমিটিগুলোর তত্ত্বাবধানে। তদারকি নিশ্চিত করতে দ্বি-স্তর বিশিষ্ট চেকিং ও রি-চেকিং প্রক্রিয়া থাকবে।

মন্ত্রী জাহিদ হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে কতজন নারী সুবিধা পাবেন তা নির্ধারণ করা হবে ফিল্ড লেভেলে। এটি নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও পরিবারের স্বাবলম্বিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

অর্থসংস্থানের বিষয়ে তিনি জানান, প্রাথমিক পাইলট প্রোগ্রামের জন্য বরাদ্দ ইতিমধ্যেই নিশ্চিত হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এটি নিয়মিত বাজেট থেকে চালু হবে।

ফ্যামিলি কার্ড প্রোগ্রামটি বিএনপি সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এটি দেশের দরিদ্র নারী ও তাদের পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্য পূরণ করবে।

মন্ত্রি বলেন, সার্বজনীনভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সকল অঞ্চলে সম্প্রসারিত হবে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত শ্রেণির মা-দের সুবিধা দেওয়া হবে। নারীর ক্ষমতায়ন এবং তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। একজন নারী স্বাবলম্বী হলে পুরো পরিবার স্বাবলম্বী হয় এবং এর মাধ্যমে আগামী প্রজন্মও উন্নত জীবন যাপন করতে পারবে।