ঢাকা ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানীতে কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬ ৩২২ বার পড়া হয়েছে

কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানীতে কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাজধানীর বনানীতে তার কবর জিয়ারত করেছেন। শ্রদ্ধা নিবেদন দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

কবর জিয়ারতের সময় তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমানসহ বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী। শনিবার বিকেলে বিএনপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ছবি সংযুক্ত করে তথ্য জানানো হয়।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৪৫ বছর। তার জন্ম ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট।

কোকো খেলাধুলা সংগঠনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বর্তমান বিসিবি) উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি তিনি ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এলে ওই বছরের সেপ্টেম্বর ভোরে ঢাকার সেনানিবাসে অবস্থিত বাসা থেকে মাতা বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে গ্রেপ্তার হন আরাফাত রহমান কোকো। পরবর্তীতে ২০০৮ সালের ১৮ জুলাই চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সপরিবারে ব্যাংকক যান তিনি।

চিকিৎসা শেষে তিনি মালয়েশিয়ায় চলে যান এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সেখানেই পরিবারসহ বসবাস করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান এবং দুই কন্যা জাফিয়া রহমান জাহিয়া রহমানকে রেখে যান।

মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবার, আত্মীয়স্বজন দলীয় নেতাকর্মীরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাকে স্মরণ করেন এবং তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানীতে কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৭:০২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাজধানীর বনানীতে তার কবর জিয়ারত করেছেন। শ্রদ্ধা নিবেদন দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

কবর জিয়ারতের সময় তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমানসহ বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী। শনিবার বিকেলে বিএনপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ছবি সংযুক্ত করে তথ্য জানানো হয়।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৪৫ বছর। তার জন্ম ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট।

কোকো খেলাধুলা সংগঠনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বর্তমান বিসিবি) উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি তিনি ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এলে ওই বছরের সেপ্টেম্বর ভোরে ঢাকার সেনানিবাসে অবস্থিত বাসা থেকে মাতা বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে গ্রেপ্তার হন আরাফাত রহমান কোকো। পরবর্তীতে ২০০৮ সালের ১৮ জুলাই চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সপরিবারে ব্যাংকক যান তিনি।

চিকিৎসা শেষে তিনি মালয়েশিয়ায় চলে যান এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সেখানেই পরিবারসহ বসবাস করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান এবং দুই কন্যা জাফিয়া রহমান জাহিয়া রহমানকে রেখে যান।

মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবার, আত্মীয়স্বজন দলীয় নেতাকর্মীরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাকে স্মরণ করেন এবং তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।