ঢাকা ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জব্বারের বলীখেলায় ইতিহাস: হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন বাঘা শরীফ উত্তরাঞ্চলে অতিবৃষ্টির শঙ্কা: সিলেট-সুনামগঞ্জে সাময়িক বন্যার পূর্বাভাস বিয়াম স্কুলে শিশুদের সঙ্গে প্রাণবন্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী উদ্ভাবকদের স্বীকৃতি ও সুরক্ষায় আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভা পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে সংস্কারে জোর দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: নজরদারি বাড়িয়েছে সিটিটিসি নির্বাচনের আগেই অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্র: জামায়াতকে কড়া জবাব মির্জা ফখরুলের লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম

জয়শঙ্করের ঢাকা সফরকে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্লেষণ না করাই সমীচীন  

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৪১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬ ৯০ বার পড়া হয়েছে

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন : ফাইল ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের সাম্প্রতিক ঢাকা সফরকে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক বা রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্লেষণ না করাই সমীচীন বলে মন্তব্য করেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বিদ্যমান টানাপড়েন কমবে কি না, সে প্রশ্নের উত্তর সময়ের প্রবাহেই অনুসন্ধান করা উচিত।

বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। তৌহিদ হোসেন জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা ঢাকায় এসেছেন। এই প্রেক্ষাপটে ড. এস জয়শঙ্করের উপস্থিতিকে একটি সৌজন্যমূলক ও মানবিক ইঙ্গিত হিসেবেই দেখা প্রয়োজন।

তৌহিদ হোসেন বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব দেশের প্রতিনিধিরাই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর ছিল সংক্ষিপ্ত, তবে তিনি পুরো আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন এবং আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিদায় নেন। এটি একটি ইতিবাচক জেসচার-এর বাইরে অতিরিক্ত রাজনৈতিক অর্থ আরোপ করা যুক্তিসংগত নয়। এ সফরকে রাজনৈতিক বা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নিরিখে মূল্যায়ন না করাই শ্রেয়।

জয়শঙ্করের সঙ্গে একান্ত কোনো বৈঠক হয়নি উল্লেখ করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ব্যক্তিগত বা দ্বিপাক্ষিক আলোচনার কোনো সুযোগ সৃষ্টি হয়নি। অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের জাতীয় সংসদের স্পিকারসহ অন্যান্য বিদেশি অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন এবং সবার সঙ্গেই সৌজন্য বিনিময় হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক শিষ্টাচারের অংশ।

তিনি আরও বলেন, তার সঙ্গে ড. এস জয়শঙ্করের যে সামান্য কথোপকথন হয়েছে, তা সম্পূর্ণই সৌজন্যমূলক ছিল এবং সবার উপস্থিতিতেই সীমাবদ্ধ ছিল। সেখানে কোনো রাজনৈতিক বা দ্বিপাক্ষিক ইস্যু আলোচনার সুযোগ বা প্রেক্ষাপট তৈরি হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জয়শঙ্করের ঢাকা সফরকে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্লেষণ না করাই সমীচীন  

আপডেট সময় : ০৫:৪১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের সাম্প্রতিক ঢাকা সফরকে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক বা রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্লেষণ না করাই সমীচীন বলে মন্তব্য করেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বিদ্যমান টানাপড়েন কমবে কি না, সে প্রশ্নের উত্তর সময়ের প্রবাহেই অনুসন্ধান করা উচিত।

বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। তৌহিদ হোসেন জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা ঢাকায় এসেছেন। এই প্রেক্ষাপটে ড. এস জয়শঙ্করের উপস্থিতিকে একটি সৌজন্যমূলক ও মানবিক ইঙ্গিত হিসেবেই দেখা প্রয়োজন।

তৌহিদ হোসেন বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব দেশের প্রতিনিধিরাই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর ছিল সংক্ষিপ্ত, তবে তিনি পুরো আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন এবং আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিদায় নেন। এটি একটি ইতিবাচক জেসচার-এর বাইরে অতিরিক্ত রাজনৈতিক অর্থ আরোপ করা যুক্তিসংগত নয়। এ সফরকে রাজনৈতিক বা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নিরিখে মূল্যায়ন না করাই শ্রেয়।

জয়শঙ্করের সঙ্গে একান্ত কোনো বৈঠক হয়নি উল্লেখ করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ব্যক্তিগত বা দ্বিপাক্ষিক আলোচনার কোনো সুযোগ সৃষ্টি হয়নি। অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের জাতীয় সংসদের স্পিকারসহ অন্যান্য বিদেশি অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন এবং সবার সঙ্গেই সৌজন্য বিনিময় হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক শিষ্টাচারের অংশ।

তিনি আরও বলেন, তার সঙ্গে ড. এস জয়শঙ্করের যে সামান্য কথোপকথন হয়েছে, তা সম্পূর্ণই সৌজন্যমূলক ছিল এবং সবার উপস্থিতিতেই সীমাবদ্ধ ছিল। সেখানে কোনো রাজনৈতিক বা দ্বিপাক্ষিক ইস্যু আলোচনার সুযোগ বা প্রেক্ষাপট তৈরি হয়নি।