ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেড় কোটি মানুষ ছাড়ছে ঢাকা, ঈদে জনস্রোত সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ কমার একদিন পরই বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে বেড়েছে ৩,২৬৬ টাকা বিশ্ব ঐতিহ্যের জামদানি বুনেও কষ্টের জীবন রূপগঞ্জের তাঁতিদের ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে: সিপিডি ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য সরকারের: প্রধানমন্ত্রী শিরীণ বেবীর কবিতা ‘নারী তুমি মানুষ হতে শেখো’ পর্যালোচনা ছাড়াই মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদনের দাবি তিস্তা  প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন মজুদ পর্যাপ্ত, তবু বাজারে তেলের সংকট  মুনাফাখোরদের কারসাজি বাড়ির দরজা খুলেই প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘চলুন, যুদ্ধে যাই’

গ্যাসের আগুনে একই পরিবারের শিশুসহ ৭ জন দগ্ধ

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ১২:২৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ৯৯ বার পড়া হয়েছে

গ্যাসের আগুনে একই পরিবারের শিশুসহ ৭ জন দগ্ধ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকার আগারগাঁওয়ের একটি  বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে লাগা আগুনে শিশুসহ একই পরিবারের ৭ জন দগ্ধ হয়েছে।

শনিবার ভোর সাড়ে ৪টা নাগাদ আগারগাঁও পাকা মার্কেট সড়ক এলাকার সরকারি কোয়ার্টারে  ঘটনা।

দগ্ধদের চিকিৎসার জন্য ঢাকার বার্ন ইউনিটে নেওয়া হয়েছে। পরিবারের লোকজন বলেছে, গ্যাসের লাইন লিকেজ থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত।

দগ্ধদের মধ্যে মো. আব্দুল জলিল মিয়া (৫০), তার স্ত্রী আরনেজা বেগম (৪০), ছেলে আসিফ (১৯), সাকিব (১৬), আসিফের স্ত্রী মনিরা (১৭) এবং জলিলের নাতনী ইভা (৬) ও ইশা (৬)।

দগ্ধদের গ্রামের বাড়ি শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায়, পরিবারটি আগারগাঁও সরকারি কোয়ার্টারের বাসায় ভাড়া থাকে।

বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন ডা. হারুনুর রশীদ বলেন, জলিলের ১২ শতাংশ, আরনেজার ১০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। বাকিদের হাত-পা দগ্ধ হয়েছে।

এদের মধ্যে মনিরা ৮ মাসের অন্তসত্ত্বা। হাত-পা দগ্ধ হওয়ায় চিকিৎসা দিয়ে গাইনি বিভাগে পাঠানো হয়েছে। জলিল ও আরনেজা বেগমকে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অবজারভেশনে ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে।

আহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসা জলিল মিয়ার জামাতা আরফান মিয়া বলেন, রাতে বাসার পাশাপাশি কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন পরিবারের সবাই। ভোরের দিকে তার আরনেজা বেগম রান্না ঘরে গিয়ে ম্যাচ জালাতেই টিনশেড বাসাটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিবারের ৭ জনই দগ্ধ হয়।

আরফান মিয়া এবং তার স্ত্রী জনিভা আক্তার ঘটনার সময় পাশে আরেকটি কক্ষে ছিলেন। তারা দগ্ধ না হলেও তাদের দুই মেয়ে ইভা ও ইশা নানার কক্ষে থাকায় দগ্ধ হয়েছে।

দগ্ধ আসিফ বলেছেন, গত দেড়মাস ধরে তারা বাসাটিতে গ্যাসের গন্ধ পাচ্ছিলেন, বাড়িওয়ালাকে বারবার বললেও কোনো প্রতিকার পাননি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গ্যাসের আগুনে একই পরিবারের শিশুসহ ৭ জন দগ্ধ

আপডেট সময় : ১২:২৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

ঢাকার আগারগাঁওয়ের একটি  বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে লাগা আগুনে শিশুসহ একই পরিবারের ৭ জন দগ্ধ হয়েছে।

শনিবার ভোর সাড়ে ৪টা নাগাদ আগারগাঁও পাকা মার্কেট সড়ক এলাকার সরকারি কোয়ার্টারে  ঘটনা।

দগ্ধদের চিকিৎসার জন্য ঢাকার বার্ন ইউনিটে নেওয়া হয়েছে। পরিবারের লোকজন বলেছে, গ্যাসের লাইন লিকেজ থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত।

দগ্ধদের মধ্যে মো. আব্দুল জলিল মিয়া (৫০), তার স্ত্রী আরনেজা বেগম (৪০), ছেলে আসিফ (১৯), সাকিব (১৬), আসিফের স্ত্রী মনিরা (১৭) এবং জলিলের নাতনী ইভা (৬) ও ইশা (৬)।

দগ্ধদের গ্রামের বাড়ি শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায়, পরিবারটি আগারগাঁও সরকারি কোয়ার্টারের বাসায় ভাড়া থাকে।

বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন ডা. হারুনুর রশীদ বলেন, জলিলের ১২ শতাংশ, আরনেজার ১০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। বাকিদের হাত-পা দগ্ধ হয়েছে।

এদের মধ্যে মনিরা ৮ মাসের অন্তসত্ত্বা। হাত-পা দগ্ধ হওয়ায় চিকিৎসা দিয়ে গাইনি বিভাগে পাঠানো হয়েছে। জলিল ও আরনেজা বেগমকে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অবজারভেশনে ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে।

আহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসা জলিল মিয়ার জামাতা আরফান মিয়া বলেন, রাতে বাসার পাশাপাশি কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন পরিবারের সবাই। ভোরের দিকে তার আরনেজা বেগম রান্না ঘরে গিয়ে ম্যাচ জালাতেই টিনশেড বাসাটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিবারের ৭ জনই দগ্ধ হয়।

আরফান মিয়া এবং তার স্ত্রী জনিভা আক্তার ঘটনার সময় পাশে আরেকটি কক্ষে ছিলেন। তারা দগ্ধ না হলেও তাদের দুই মেয়ে ইভা ও ইশা নানার কক্ষে থাকায় দগ্ধ হয়েছে।

দগ্ধ আসিফ বলেছেন, গত দেড়মাস ধরে তারা বাসাটিতে গ্যাসের গন্ধ পাচ্ছিলেন, বাড়িওয়ালাকে বারবার বললেও কোনো প্রতিকার পাননি।