নির্বাচন হলে দেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল হবে: সেনাসদর
- আপডেট সময় : ০৬:৪০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫ ১৫৫ বার পড়া হয়েছে
১৫ মাস মাঠে থেকে দায়িত্ব পালন সেনাবাহিনীর, নির্বাচন হলে সেনানিবাসে ফেরার প্রত্যাশা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমানের
দেশের জনগণের মতো সেনাবাহিনীও চায় সরকারের রূপরেখা অনুযায়ী একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে দেশের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা আরও দৃঢ় হবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে–বলে জানিয়েছেন সেনাসদরের ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের (আর্টডক) জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান।
বুধবার (৫ নভেম্বর) সেনাসদরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান বলেন, সরকারের প্রণীত নির্বাচনের রূপরেখার মধ্যে সময়সীমা উল্লেখ আছে। আমরা আশা করি, সেই সময়ের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে দেশের স্থিতিশীলতা আরও মজবুত হবে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসবে। তখন সেনাবাহিনীও সেনানিবাসে ফিরে যেতে পারবে, আমরা সেই সময়ের অপেক্ষায় আছি।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি ও সরকারের রূপরেখা বিবেচনায় সেনাবাহিনী যথাযথ প্রস্তুতি নিয়েছে। আমাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এখন সীমিত আকারে চলছে। এর মধ্যেও নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনীর করণীয় বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিয়েই প্রশিক্ষণ পরিচালিত হচ্ছে, বলেন তিনি।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের প্রসঙ্গে মাইনুর রহমান বলেন, শান্তিকালীন সেনাবাহিনীর মূল দায়িত্ব হলো যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া। আমরা বলে থাকি—‘উই ট্রেইন এজ উই ফাইট। গত ১৫ মাস ধরে সেনাবাহিনী মাঠে রয়েছে, যা আমাদের নিয়মিত প্রশিক্ষণে প্রভাব ফেলছে।
তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচন পর্যন্ত কিংবা তার পরেও যদি বাইরে থাকতে হয়, তাহলে আরও কিছুদিন দায়িত্ব পালন করতে হবে। এতে আমাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে, তবে দায়িত্ব পালনে আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান বলেন, গত ১৫ মাস সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় মাঠে থেকে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ও প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করেছে। এটি সহজ পরিস্থিতি ছিল না, বাংলাদেশে এমন অবস্থা প্রতিদিন দেখা যায় না। তবুও সেনাবাহিনী পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে।
তিনি বলেন, আমরাও চাই একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক, যাতে দেশ স্থিতিশীলতার পথে এগিয়ে যায় এবং আমরা আমাদের নিয়মিত দায়িত্বে, অর্থাৎ সেনানিবাসে ফিরে যেতে পারি।




















