ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
একটানে জালে ওঠে আসে ২৬ লাখ টাকার ২ হাজার ২০০টি কাঙ্খিত  ইলিশ  কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে উৎপাদন  বাড়ানোর তাগিদ  প্রধানমন্ত্রীর সংযুক্ত আরব  আমিরাতে ৪,৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রিসেট চায় বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়া উচিত হুমায়ুন ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে অর্ধেক শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ শেরপুরে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধের চালান জব্দ ‘আমেরিকানরা যোদ্ধা হলে ইরানের বীর বাহিনীর মুখোমুখি হোক’: পেজেশকিয়ান আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি’: প্রধানমন্ত্রী

শেষ মৌসুম সেঞ্চুরি পেরিয়ে অস্থিরতা পেঁয়াজের বাজারে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫ ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

সেঞ্চুরি পেরিয়ে অস্থিরতা পেঁয়াজের বাজারে, নেপথ্যে যোগান কম

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আমিনুল হক ভূইয়া, ঢাকা 

গেলো এক মাসে পেঁয়াজের দাম কেজিতে প্রায় ৪০ টাকা বেড়ে ৯০ থেকে ১১০ টাকা পেরিয়েছে। তাতে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। মাসখানেক আগে যে পেঁয়াজ ৫০ টাকার কেজির দরে বিক্রি হয়েছে, সেই পেঁয়াজ এখন সেঞ্চুরি হাকিয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়া এবং ভারত থেকে আমদানি বন্ধ থাকায় শেষ মৌসুমে এসে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে।  চাহিদার বিপরীতে যোগান কম থাকায় পেঁয়াজের বাজার চলে গেছে সিন্ডিকেটের কব্জায়। আমদানি করা গেলে পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক হবে।

পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা নিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকা ছাড়িয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে যা খুবই উদ্বেগজনক। পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা নিয়ন্ত্রনে জরুরী কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান এই নেতা।

গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, কৃষক ও জেলা পর্যায়ের আড়ত থেকে সরবরাহ কমেছে।ফলে নিত্য চাহিদার যোগান দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সেই সুযোগে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছে মাফিক পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে মজুতদার গোষ্ঠী। ভারত থেকে আমদানি কমে যাওয়ার পর স্থানীয় বাজারের ওপর চাপ বেড়েছে।  কৃষকের ঘরে যে পরিমাণ মজুত রয়েছে, তা বাজারের চাহিদা মেটানোর মতো নয়। এই ঘাটতির কারণে পাইকারি পর্যায়ে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গিয়ে খুচরা বাজারেও অস্থিরতা তৈরি করছে।

হেমন্তের শেষ নাগাদ গ্রমীণ জনপদে পাতা পেঁয়াজ ওঠতে শুরু করেছে। রাজধানী ঢাকার বাজারে শীত সব্জির সঙ্গে অল্প অল্প পাতা পেঁয়াজ আসছে। খুচরো ব্যবসায়ীরা জানান, শীতের আগমন ঘন্টা বাজার পাতা পেঁয়াজ হলো এক ধরনের বহুবর্ষজীবী মসলা ফসল, যা সাধারণ পেঁয়াজের মতো কন্দ তৈরি করে না এবং এর পাতা ও সবুজ অংশই মূলত সবজি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি বিভিন্ন রান্নায় স্বাদ বাড়াতে, চায়নিজ ও উপমহাদেশীয় খাবারে এবং ভর্তা ও অন্যান্য রেসিপি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। স্বাস্থ্যগত দিক থেকে, এটি ভিটামিন, সালফার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে

নেতৃদ্বয় বলেন, জনগন চায় স্থিতিশীল বাজার। কিন্তু বাজারে পণ্যই যদি পর্যাপ্ত না থাকে, তাহলে দাম কীভাবে স্থিতিশীল থাকবে? এর দায় শুধু পাইকার বা খুচরা ব্যবসায়ীদের নয়, মূল সমস্যা সরবরাহে। সরকার দ্রুত পেঁয়েজের বাজার নিয়ন্ত্রনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে অন্যথায় এই অস্থিরতা আরও বৃদ্ধি পাবে। যা জনগনের জীবনকে দুর্বিসহ করে তুলবে।’

তারা বলেন,  হঠাৎ করেই পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বাজারে গেলে মনে হয় অসৎ ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো মূল্যবৃদ্ধি করছে। সরবরাহ কম থাকার সুযোগ নিয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে আমদানির পাঁয়তারা করছে বাজার সিন্ডিকেট। আড়তদার, কমিশন এজেন্ট ও দাদন ব্যবসায়ীদের কারসাজিতেই মূল্য বৃদ্ধি করা হচ্ছে। সরকার যদি বাজার নিয়ন্ত্রণে না নামে, সাধারণ মানুষের কষ্ট আরও বৃদ্ধি পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শেষ মৌসুম সেঞ্চুরি পেরিয়ে অস্থিরতা পেঁয়াজের বাজারে

আপডেট সময় : ০৬:২৮:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

আমিনুল হক ভূইয়া, ঢাকা 

গেলো এক মাসে পেঁয়াজের দাম কেজিতে প্রায় ৪০ টাকা বেড়ে ৯০ থেকে ১১০ টাকা পেরিয়েছে। তাতে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। মাসখানেক আগে যে পেঁয়াজ ৫০ টাকার কেজির দরে বিক্রি হয়েছে, সেই পেঁয়াজ এখন সেঞ্চুরি হাকিয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়া এবং ভারত থেকে আমদানি বন্ধ থাকায় শেষ মৌসুমে এসে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে।  চাহিদার বিপরীতে যোগান কম থাকায় পেঁয়াজের বাজার চলে গেছে সিন্ডিকেটের কব্জায়। আমদানি করা গেলে পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক হবে।

পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা নিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকা ছাড়িয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে যা খুবই উদ্বেগজনক। পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা নিয়ন্ত্রনে জরুরী কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান এই নেতা।

গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, কৃষক ও জেলা পর্যায়ের আড়ত থেকে সরবরাহ কমেছে।ফলে নিত্য চাহিদার যোগান দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সেই সুযোগে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছে মাফিক পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে মজুতদার গোষ্ঠী। ভারত থেকে আমদানি কমে যাওয়ার পর স্থানীয় বাজারের ওপর চাপ বেড়েছে।  কৃষকের ঘরে যে পরিমাণ মজুত রয়েছে, তা বাজারের চাহিদা মেটানোর মতো নয়। এই ঘাটতির কারণে পাইকারি পর্যায়ে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গিয়ে খুচরা বাজারেও অস্থিরতা তৈরি করছে।

হেমন্তের শেষ নাগাদ গ্রমীণ জনপদে পাতা পেঁয়াজ ওঠতে শুরু করেছে। রাজধানী ঢাকার বাজারে শীত সব্জির সঙ্গে অল্প অল্প পাতা পেঁয়াজ আসছে। খুচরো ব্যবসায়ীরা জানান, শীতের আগমন ঘন্টা বাজার পাতা পেঁয়াজ হলো এক ধরনের বহুবর্ষজীবী মসলা ফসল, যা সাধারণ পেঁয়াজের মতো কন্দ তৈরি করে না এবং এর পাতা ও সবুজ অংশই মূলত সবজি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি বিভিন্ন রান্নায় স্বাদ বাড়াতে, চায়নিজ ও উপমহাদেশীয় খাবারে এবং ভর্তা ও অন্যান্য রেসিপি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। স্বাস্থ্যগত দিক থেকে, এটি ভিটামিন, সালফার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে

নেতৃদ্বয় বলেন, জনগন চায় স্থিতিশীল বাজার। কিন্তু বাজারে পণ্যই যদি পর্যাপ্ত না থাকে, তাহলে দাম কীভাবে স্থিতিশীল থাকবে? এর দায় শুধু পাইকার বা খুচরা ব্যবসায়ীদের নয়, মূল সমস্যা সরবরাহে। সরকার দ্রুত পেঁয়েজের বাজার নিয়ন্ত্রনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে অন্যথায় এই অস্থিরতা আরও বৃদ্ধি পাবে। যা জনগনের জীবনকে দুর্বিসহ করে তুলবে।’

তারা বলেন,  হঠাৎ করেই পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বাজারে গেলে মনে হয় অসৎ ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো মূল্যবৃদ্ধি করছে। সরবরাহ কম থাকার সুযোগ নিয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে আমদানির পাঁয়তারা করছে বাজার সিন্ডিকেট। আড়তদার, কমিশন এজেন্ট ও দাদন ব্যবসায়ীদের কারসাজিতেই মূল্য বৃদ্ধি করা হচ্ছে। সরকার যদি বাজার নিয়ন্ত্রণে না নামে, সাধারণ মানুষের কষ্ট আরও বৃদ্ধি পাবে।