ঢাকা ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশে ‘বিধর্মী সংসদ সদস্য থাকতে পারে না’ জামায়াতের জনসভা ঘিরে বিতর্ক তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা সিনিয়রে আনসার, জুনিয়রে বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানীতে কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান অনিশ্চয়তায় অমর একুশে বইমেলা, পহেলা ফেব্রুয়ারিতে একদিনের প্রতীকী আয়োজন দেশপ্রেমের নামে গোপনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক করছে তারা: চরমোনাই পীর ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার দৌরাত্ম্য: সড়কে  বিশৃঙ্খলা, দুর্ঘটনা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়েছে ফরিদপুরে অবৈধ অস্ত্র কারখানায় সেনা অভিযান, একাধিক সরঞ্জাম উদ্ধার পশ্চিমবঙ্গের মুড়িগঙ্গা নদীতে ডুবে গেল বাংলাদেশি জাহাজ, উদ্ধার ১২ জন অস্ট্রেলিয়ায় হাঙরের কামড়ে আহত কিশোরের মৃত্যু বাংলাদেশ ক্রিকেট ইস্যুতে মন্তব্যের পর ভারতে মুসলিম অভিনেতা কেআরকের গ্রেফতার, বিতর্ক তুঙ্গে

বাংলাদেশের ৭৮টি মিশনের জন্য অভিন্ন ওয়েবসাইট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৬:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১ ২৮১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা

বাংলাদেশের ৭৮টি মিশনের জন্য অভিন্ন ওয়েবসাইট পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কিত দুইদিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে। আইসিটি বিভাগের এটুআই-এর সহযোগিতায় বিদেশমন্ত্রকের আয়োজিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন বিদেশ মন্ত্রকের সিনিয়র সচিব মাসুদ-বিন-মোমেন। অনুষ্ঠানে বিদেশ মন্ত্রকের সচিব (পশ্চিম) ও সচিব (পূর্ব) এবং এটুআই-এর যৌথ প্রকল্পপরিচালক এবং বাংলাদেশ মিশনের প্রশিক্ষণার্থীরা অংশ নেন। বিদেশমন্ত্রক  সংবাদ বার্তায় এতথ্য জানিয়েছে।

উদ্বোধনী ভাষণে মাসুদ-বিন-মোমেন বলেন, অভিন্ন ওয়েবসাইট বিকাশের ফলে তথ্য এবং প্রদত্ত সেবার সঠিকতা এবং অখণ্ডতা নিশ্চিত করা যাবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, অভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বাংলাদেশ দূতাবাস ও হাই কমিশনসমূহ আরো ভালোভাবে সেবা প্রদান করতে পারবে।

বিদেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা আরও সহজেই প্রয়োজনীয় সেবাপাবেন এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসাবে দূতাবাস ও হাই কমিশনসমূহ এই অভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে। তিনি আশ্বস্ত করেন, অভিন্ন ওয়েবসাইটের ইন্টারফেসটি ব্যবহার-বান্ধব হবে এবং এটিকে আরো উন্নত করা হবে।

সম্ভাব্য ব্যবহারকারী এবং ওয়েবসাইটের ডেভেলপারদের মধ্যে নিয়মিত আন্তঃযোগাযোগের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পরামর্শ গ্রহণ করে এই অভিন্নওয়েব সাইটের কার্যদক্ষতা আরো বৃদ্ধি করা হবে। তিনি প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীদের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

এটুআই-এর যৌথ প্রকল্প পরিচালক তাঁর বক্তব্যে এটুআইয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা বাংলাদেশের জাতীয় পোর্টালের নামকরণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা ২০১৫ সালে সমস্ত সরকারী দপ্তরের জন্য অভিন্ন সরকারীওয়েবসাইট তৈরি করার নির্দেশ দিয়ে ছিলেন।

তারপর থেকে, এটুআই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। প্রশিক্ষণ কর্মশালার প্রথম দিনটি বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও হাই কমিশনের বিপুলসংখ্যক প্রতিনিধিদের অংশ গ্রহণে সফল ভাবে শেষ হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশের ৭৮টি মিশনের জন্য অভিন্ন ওয়েবসাইট

আপডেট সময় : ০৩:১৬:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা

বাংলাদেশের ৭৮টি মিশনের জন্য অভিন্ন ওয়েবসাইট পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কিত দুইদিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে। আইসিটি বিভাগের এটুআই-এর সহযোগিতায় বিদেশমন্ত্রকের আয়োজিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন বিদেশ মন্ত্রকের সিনিয়র সচিব মাসুদ-বিন-মোমেন। অনুষ্ঠানে বিদেশ মন্ত্রকের সচিব (পশ্চিম) ও সচিব (পূর্ব) এবং এটুআই-এর যৌথ প্রকল্পপরিচালক এবং বাংলাদেশ মিশনের প্রশিক্ষণার্থীরা অংশ নেন। বিদেশমন্ত্রক  সংবাদ বার্তায় এতথ্য জানিয়েছে।

উদ্বোধনী ভাষণে মাসুদ-বিন-মোমেন বলেন, অভিন্ন ওয়েবসাইট বিকাশের ফলে তথ্য এবং প্রদত্ত সেবার সঠিকতা এবং অখণ্ডতা নিশ্চিত করা যাবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, অভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বাংলাদেশ দূতাবাস ও হাই কমিশনসমূহ আরো ভালোভাবে সেবা প্রদান করতে পারবে।

বিদেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা আরও সহজেই প্রয়োজনীয় সেবাপাবেন এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসাবে দূতাবাস ও হাই কমিশনসমূহ এই অভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে। তিনি আশ্বস্ত করেন, অভিন্ন ওয়েবসাইটের ইন্টারফেসটি ব্যবহার-বান্ধব হবে এবং এটিকে আরো উন্নত করা হবে।

সম্ভাব্য ব্যবহারকারী এবং ওয়েবসাইটের ডেভেলপারদের মধ্যে নিয়মিত আন্তঃযোগাযোগের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পরামর্শ গ্রহণ করে এই অভিন্নওয়েব সাইটের কার্যদক্ষতা আরো বৃদ্ধি করা হবে। তিনি প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীদের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

এটুআই-এর যৌথ প্রকল্প পরিচালক তাঁর বক্তব্যে এটুআইয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা বাংলাদেশের জাতীয় পোর্টালের নামকরণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা ২০১৫ সালে সমস্ত সরকারী দপ্তরের জন্য অভিন্ন সরকারীওয়েবসাইট তৈরি করার নির্দেশ দিয়ে ছিলেন।

তারপর থেকে, এটুআই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। প্রশিক্ষণ কর্মশালার প্রথম দিনটি বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও হাই কমিশনের বিপুলসংখ্যক প্রতিনিধিদের অংশ গ্রহণে সফল ভাবে শেষ হয়েছে।