ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জব্বারের বলীখেলায় ইতিহাস: হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন বাঘা শরীফ উত্তরাঞ্চলে অতিবৃষ্টির শঙ্কা: সিলেট-সুনামগঞ্জে সাময়িক বন্যার পূর্বাভাস বিয়াম স্কুলে শিশুদের সঙ্গে প্রাণবন্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী উদ্ভাবকদের স্বীকৃতি ও সুরক্ষায় আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভা পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে সংস্কারে জোর দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: নজরদারি বাড়িয়েছে সিটিটিসি নির্বাচনের আগেই অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্র: জামায়াতকে কড়া জবাব মির্জা ফখরুলের লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম

অক্টোবরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা ডিজাইন চূড়ান্ত হলেই কাজ শুরু 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫ ২২৪ বার পড়া হয়েছে

অক্টোবরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা ডিজাইন চূড়ান্ত হবারই কাজ শুরু 

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তিস্তা রক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে পাঁচটি গণশুনানী হয়েছে। এসব বিষয়ে নিয়ে আন্তভূক্ত করে অক্টোবর নাগাদ তিস্তা মহাপরিকল্পনার ডিজাইন চূড়ান্ত হচ্ছে। এরপর চীনের সঙ্গে দর কষাকষি কাজ শুরু করবে ইউনূস সরকার। পরবর্তী কাজ হাতে লাগাবে চীন। মঙ্গলবার বাংলাদেশের পরিবেশ ও পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান কুড়িগ্রামে তিস্তা তীর রক্ষায় চলমান কাজ পরিদর্শনে এসে এসব তথ্য দেন।

এসময় উপদেষ্টা বলেন,  অক্টোবরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার ডিজাইন চূড়ান্তর পর কাজ শুরু করবে চীন। বিগত হাসিনা সরকারের সঙ্গে ২০১৬ সালে চীনের সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে স্বাক্ষর হয়েছিল। সেই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ বেশি দূর এগোয়নি। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে আবারও তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে চীন সরকারের কথাবার্তা শুরু হয়েছে।

এরই মধ্যে তিস্তাপাড়ের মানুষের আশা-আকাঙ্খার কথা গণশুনানি করে সেগুলো পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অক্টোবরের মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনার ডিজাইন চূড়ান্ত হবে। তারপরই চীনের সঙ্গে দর কষাকষি শুরু করবে ইউনূস সরকার। এরপর তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে।

মঙ্গলবার কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের খিতাবখাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন তিস্তা নদীতীর রক্ষায় চলমান কাজ পরিদর্শনে আসেন পরিবেশ ও পানিসম্পদ উন্নয়ন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা। সাংবাদিকদের বলেন, ‘তিস্তা আমাদের নদী’।

ভাটির দেশ হিসেবে তিস্তা নদীর ওপর আমাদের অধিকার রয়েছে। আমাদের স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই তিস্তা নদী কীভাবে সুরক্ষিত রাখা যায়, সে জন্য আমরা তিস্তার পাঁচটি স্থানে গণশুনানি করা হয়েছে। ইতিপূর্বে আমরা ১৯ দশমিক ৫ কিলোমিটার অতিভাঙনপ্রবণ এলাকায় ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অক্টোবরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা ডিজাইন চূড়ান্ত হলেই কাজ শুরু 

আপডেট সময় : ০৮:১৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

তিস্তা রক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে পাঁচটি গণশুনানী হয়েছে। এসব বিষয়ে নিয়ে আন্তভূক্ত করে অক্টোবর নাগাদ তিস্তা মহাপরিকল্পনার ডিজাইন চূড়ান্ত হচ্ছে। এরপর চীনের সঙ্গে দর কষাকষি কাজ শুরু করবে ইউনূস সরকার। পরবর্তী কাজ হাতে লাগাবে চীন। মঙ্গলবার বাংলাদেশের পরিবেশ ও পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান কুড়িগ্রামে তিস্তা তীর রক্ষায় চলমান কাজ পরিদর্শনে এসে এসব তথ্য দেন।

এসময় উপদেষ্টা বলেন,  অক্টোবরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার ডিজাইন চূড়ান্তর পর কাজ শুরু করবে চীন। বিগত হাসিনা সরকারের সঙ্গে ২০১৬ সালে চীনের সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে স্বাক্ষর হয়েছিল। সেই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ বেশি দূর এগোয়নি। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে আবারও তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে চীন সরকারের কথাবার্তা শুরু হয়েছে।

এরই মধ্যে তিস্তাপাড়ের মানুষের আশা-আকাঙ্খার কথা গণশুনানি করে সেগুলো পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অক্টোবরের মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনার ডিজাইন চূড়ান্ত হবে। তারপরই চীনের সঙ্গে দর কষাকষি শুরু করবে ইউনূস সরকার। এরপর তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে।

মঙ্গলবার কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের খিতাবখাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন তিস্তা নদীতীর রক্ষায় চলমান কাজ পরিদর্শনে আসেন পরিবেশ ও পানিসম্পদ উন্নয়ন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা। সাংবাদিকদের বলেন, ‘তিস্তা আমাদের নদী’।

ভাটির দেশ হিসেবে তিস্তা নদীর ওপর আমাদের অধিকার রয়েছে। আমাদের স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই তিস্তা নদী কীভাবে সুরক্ষিত রাখা যায়, সে জন্য আমরা তিস্তার পাঁচটি স্থানে গণশুনানি করা হয়েছে। ইতিপূর্বে আমরা ১৯ দশমিক ৫ কিলোমিটার অতিভাঙনপ্রবণ এলাকায় ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।