চিরুনি অভিযানে মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
- আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫ ১৯৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবণতি ঘটেছে। জনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী যেকোনো কার্যক্রম কঠোর হস্তে দমনে সোমবার থেকে এই অভিযান শুরুর কথা জানালেন, দেশটির স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
খুন, ডাকাতি, মব সহিংসতা নিত্যঘটনায় রূপ নিয়েছে। ইউনূস সরকারের উদাসীনতার কারণেই দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমাবনতি। খুন, চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, সন্ত্রাস, অপহরণ, নারী নির্যাতন, মব সহিংসতা, মাদক চোরাচালান ইত্যাদি অপরাধ নিত্য ঘটনায় পরিণত হয়েছে।
ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে একের পর হত্যাকাণ্ড ও মব সহিংসতা মোকাবিলায় ব্যর্থ হচ্ছে পুলিশ। এমন পরিস্থিতিতে চিহ্নিত অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের ধরতে চিরুনি অভিযানে মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সাধারণ মানুষ আজ চরম নিরাপত্তাহীনতায়। তাতে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কতকথা জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। সম্প্রতি মিটফোর্ড এলাকায় হত্যাকান্ডের ঘটনাটিকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। দেশব্যাপী সাম্প্রতিককালে যেসব হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, এসব হত্যাকান্ডে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বদ্ধপরিকর। এসব ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতকরণে কাজ করে যাচ্ছে ইউনূস সরকার।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অত্যন্ত তৎপর এবং যে কোন ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশনে যাচ্ছে ও অপরাধীদেরকে পাকড়াও করছে বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। মিটফোর্ডের হত্যাকান্ডের ঘটনায় ১৯ জন আসামীর মধ্যে সাত জনকে র্যাব, সেনাবাহিনীসহ পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ঢাকার বাইরে গোয়েন্দা দল বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে অবশিষ্ট আসামিদের গ্রেফতারে কাজ করে যাচ্ছে।
অপর দিকে জাতীয় পার্টির একাংশের মহাসচিব কাজী মো. মামুনুর রশিদ বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ আজ চরম নিরাপত্তাহীনতায়। এক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকার উদাসীন। অন্তর্বর্তী তথা ইউনূস সরকারের উদাসীনতার কারণেই দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমাবনতি। তাতে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এ জন্য এখনই সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার পূর্ণ প্রয়োগ চায় জাতীয় পার্টির একাংশের মহাসচিব কাজী মো. মামুনুর রশিদ। রবিবার ঢাকায় সাংবাদিক বৈঠকে আসছে ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের আয়োজনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার ভেঙে দিয়ে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর, নৈরাজ্য, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ, খুন, দখলবাজিসহ ধারাবাহিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণাসহ বিভিন্ন দাবি করেছে জাতীয় পার্টি।
প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের মাধ্যমে আতঙ্কগ্রস্ত অবস্থা থেকে মানুষকে উদ্ধারে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। কাজী মো. মামুনুর রশিদ বলেন, দেশবাসী আজ আপনার দিকেই তাকিয়ে রয়েছে।




















