ঢাকা ১২:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দখল-ভাঙচুরে ছাড় নয়, জাইমার নিয়োগেও সম্পৃক্ততা নেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর সার্বিক পরিবেশ ইতিবাচক প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী রাড্ডা সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় এমপির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা  মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপসের দাবি, এমপি নজরুলের জামিন নামঞ্জুর  হরমুজ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, দাবি ইরানের ফুটপাতে হাঁটা পথচারীর অধিকার এটি কারও ব্যক্তিগত সম্পদ নয় সময় হলেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর: দীনেশ ত্রিবেদী দুর্গাপূজার ছুটি একদিন বাড়ানোর উদ্যোগে স্বস্তির বার্তা হিন্দু সম্প্রদায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বে জবাবদিহিতা পরামর্শক ব্যয় কমানোর নির্দেশ

ফুটবল মাঠে হঠাৎ ৩০ ফুট গভীর গর্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০২৪ ২০৭ বার পড়া হয়েছে

ফুটবল মাঠে হঠাৎ ৩০ ফুট গভীর গর্ত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ফুটবল মাঠের মাঝখানে হঠাৎ করে ১০০ ফুট বিস্তৃত এবং ৩০ ফুট গভীর একটি গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।গর্ত সৃষ্টি হওয়ার মূহূর্তটি ধরা পড়ে মাঠের পাশে থাকা সিসি ক্যামেরায়। এতে দেখা যাচ্ছে, হঠাৎ করে মাঠে যেন কোনো কিছুর বিস্ফোরণ ঘটেছে। এরপর তৈরি হয় বিশাল গর্ত। ওই সময় মাটির নিচ থেকে তীব্র বেগে পানিও বের হয়ে আসে।

এ ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের ইলিয়নিসে। তখন মাঠে কেউ না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। হঠাৎ করে এমন গর্ত সৃষ্টি হওয়াকে ‘সিঙ্কহোল’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। ধস-গহ্বর বা সিঙ্কহোল হল কোনো কারণে ভূগর্ভের কোনো স্তর ধসে যাবার কারণে ভূ-পৃষ্ঠতলে সৃষ্ট অবনমন বা গহ্বর (গর্ত)। একটি সিঙ্কহোল আয়তনের দিক থেকে ১ ফিট থেকে ১০০ একরের বেশি পর্যন্ত এবং উচ্চতায় দিক থেকে ১০০ ফিট পর্যন্ত হতে পারে।

জানা গেছে, ভূপৃষ্ঠের নিচে রয়েছে পানির প্রবাহ (যেখান থেকে আমরা গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের নিচ থেকে পানি উঠাতে পারি)। মাটির একদম নিচের স্তর বা ভূগর্ভস্থ পানির উপরিভাগে রয়েছে অনেক পাথর যেগুলিকে বলা হয় কার্বনেট বেরক বা বেডরক। বছরের পর বছর বিভিন্ন জায়গায় মাটির নিচে পানি প্রবাহ চলমান থাকা অবস্থায় ধীরে ধীরে ছোট পাথরগুলি সরে যেতে শুরু করে। পীঠশিলাগুলি (বেডরক) সরে যেতে যেতে মাটির তলদেশে এক সময় বিশাল আকৃতির গর্তের সৃষ্টি হয়।

বহু বছর ধরে তৈরি হওয়া গর্ত যখন বড় হতে থাকে তখন সেটির চারপাশের মাটি এবং পাথর সেই গর্তে নিমজ্জিত হতে শুরু করে। ফলস্বরূপ একসময় ভূগর্ভস্থ সেই গর্তের আয়তন বৃদ্ধি পেতে থাকে। উপরিভাগের জমি যখন আর সেই চাপ সহ্য করতে পারে না তখনই হঠাৎ মাটির উপরিভাগের বিশাল এলাকা সঙ্গে নিয়ে সেটি মাটির তলদেশে বিলীন হয়ে যায়। এইভাবেই সৃষ্টি হয় দানব আকৃতির বড় বড় সব সিঙ্কহোল।

সূত্র: সিবিএস নিউজ, উইকিপিডিয়া

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য