ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারল্য  সকট মোকাবিলায় ২,৫০০ কোটি টাকার ঋণ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক  অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী  দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু অভিনেত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হত্যার অভিযোগে স্বামী কারাগারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, ঘোষণা পাকিস্তানের সমর্থক ভাইয়ারা না থাকলে ঘটনা অন্য রকম হয়ে যেতো: নাঈম হাসান আদ্-দ্বীনের কোটি টাকার চাপ উপেক্ষা করে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গুণীজনদের জীবদ্দশায় সম্মান জানালে সমাজসেবায় উৎসাহ বাড়বে: কৃষিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর শনিবার, উন্নয়ন প্রত্যাশায় মুখিয়ে স্থানীয়রা যৌথ টহল ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ে সম্মত বিজিবি-বিএসএফ, নভেম্বরে ঢাকায় পরবর্তী বৈঠক

যাদের হাতে ‘পদার্থবিদ্যার নোবেল’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৯:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩ ২৯৫ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীরা অল্প সময়ে আলোক স্পন্দন তৈরির উপায় বের করেছেন। এত ক্ষুদ্র সময়ের জন্য স্পন্দন, যার মাধ্যমে ইলেকট্রনের অতিদ্রুত নড়াচড়ার ছবিও তোলা যায়।

ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী অ্যান লিয়ের, পিয়েরে আগোস্তিনি ও ফেরেন্স ক্রাউজ দেখিয়েছেন, আগে যত স্বল্প সময়ের আলোক স্পন্দন বা পালস তৈরি করা সম্ভব হয়েছিল, তারচেয়েও ছোট স্পন্দন তৈরি করা সম্ভব।

ছোট্ট একটি হামিংবার্ড পাখি সেকেন্ডে ৮০ বার ডানা ঝাপটাতে পারে। এই ঝাপটানোর গতি এত দ্রুত যে মানুষের চোখে এটা ঝাপসা একধরনের নড়াচড়া হিসাবে ধরা পড়ে।

দ্রুতগতির ফটোগ্রাফি ও প্রয়োজনীয় বিশেষ ধরনের আলো ব্যবহার করে এ ধরনের কোনো পাখি বা কিছুর উড়ে যাওয়ার ছবি তোলা সম্ভব। তাতে প্রয়োজনীয় খুঁটিনাটি বিষয়গুলোও ধরা যায়। উড়ন্ত হামিংবার্ডের ছবি তুলতে যে ধরনের এক্সপোজার দরকার, তা একবার পাখা ফেলার চেয়েও দ্রুততর হতে হয়। যত দ্রুত কোনো ঘটনা ঘটবে, তাকে ধরতে চাইলে তত দ্রুত ছবি তোলার ব্যবস্থা থাকতে হবে।

এই বছরের পদার্থবিজ্ঞানীরা সেই প্রযুক্তি নিয়েই কাজ করেছেন। তারা অ্যাটোসেকেন্ড (১০-১৮ সেকেন্ড) সময়ের মধ্যেই আলোর স্পন্দন তৈরির প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করেছেন ও প্রয়োগ করে দেখিয়েছেন। এই পদ্ধতি এত দ্রুত যে অণু-পরমাণুর ভেতরের প্রক্রিয়াগুলোর ছবিও তোলা যায় এভাবে।

আগে বিজ্ঞানীরা ভাবতেন, ফেমটোসেকেন্ডের চেয়ে ক্ষুদ্র সময়ে আলো তৈরি করা যায় না। কাজেই প্রযুক্তি উন্নত হলেও ইলেকট্রনের ক্ষুদ্র সময়কালে ঘটা কোনো ঘটনা আসলে দেখা বা মাপা সম্ভব নয়। সে জন্য প্রয়োজন একদম নতুন ধরনের কোনো প্রযুক্তি। এই বছরের নোবেলজয়ী পদার্থবিজ্ঞানীরা ঠিক তাই করেছেন। তাদের হাত ধরে খুলে গেছে অ্যাটোসেকেন্ড পদার্থবিজ্ঞানের দুয়ার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

যাদের হাতে ‘পদার্থবিদ্যার নোবেল’

আপডেট সময় : ০৯:২৯:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীরা অল্প সময়ে আলোক স্পন্দন তৈরির উপায় বের করেছেন। এত ক্ষুদ্র সময়ের জন্য স্পন্দন, যার মাধ্যমে ইলেকট্রনের অতিদ্রুত নড়াচড়ার ছবিও তোলা যায়।

ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী অ্যান লিয়ের, পিয়েরে আগোস্তিনি ও ফেরেন্স ক্রাউজ দেখিয়েছেন, আগে যত স্বল্প সময়ের আলোক স্পন্দন বা পালস তৈরি করা সম্ভব হয়েছিল, তারচেয়েও ছোট স্পন্দন তৈরি করা সম্ভব।

ছোট্ট একটি হামিংবার্ড পাখি সেকেন্ডে ৮০ বার ডানা ঝাপটাতে পারে। এই ঝাপটানোর গতি এত দ্রুত যে মানুষের চোখে এটা ঝাপসা একধরনের নড়াচড়া হিসাবে ধরা পড়ে।

দ্রুতগতির ফটোগ্রাফি ও প্রয়োজনীয় বিশেষ ধরনের আলো ব্যবহার করে এ ধরনের কোনো পাখি বা কিছুর উড়ে যাওয়ার ছবি তোলা সম্ভব। তাতে প্রয়োজনীয় খুঁটিনাটি বিষয়গুলোও ধরা যায়। উড়ন্ত হামিংবার্ডের ছবি তুলতে যে ধরনের এক্সপোজার দরকার, তা একবার পাখা ফেলার চেয়েও দ্রুততর হতে হয়। যত দ্রুত কোনো ঘটনা ঘটবে, তাকে ধরতে চাইলে তত দ্রুত ছবি তোলার ব্যবস্থা থাকতে হবে।

এই বছরের পদার্থবিজ্ঞানীরা সেই প্রযুক্তি নিয়েই কাজ করেছেন। তারা অ্যাটোসেকেন্ড (১০-১৮ সেকেন্ড) সময়ের মধ্যেই আলোর স্পন্দন তৈরির প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করেছেন ও প্রয়োগ করে দেখিয়েছেন। এই পদ্ধতি এত দ্রুত যে অণু-পরমাণুর ভেতরের প্রক্রিয়াগুলোর ছবিও তোলা যায় এভাবে।

আগে বিজ্ঞানীরা ভাবতেন, ফেমটোসেকেন্ডের চেয়ে ক্ষুদ্র সময়ে আলো তৈরি করা যায় না। কাজেই প্রযুক্তি উন্নত হলেও ইলেকট্রনের ক্ষুদ্র সময়কালে ঘটা কোনো ঘটনা আসলে দেখা বা মাপা সম্ভব নয়। সে জন্য প্রয়োজন একদম নতুন ধরনের কোনো প্রযুক্তি। এই বছরের নোবেলজয়ী পদার্থবিজ্ঞানীরা ঠিক তাই করেছেন। তাদের হাত ধরে খুলে গেছে অ্যাটোসেকেন্ড পদার্থবিজ্ঞানের দুয়ার।