ঢাকা ০৬:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দখল-ভাঙচুরে ছাড় নয়, জাইমার নিয়োগেও সম্পৃক্ততা নেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর সার্বিক পরিবেশ ইতিবাচক প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী রাড্ডা সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় এমপির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা  মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপসের দাবি, এমপি নজরুলের জামিন নামঞ্জুর  হরমুজ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, দাবি ইরানের ফুটপাতে হাঁটা পথচারীর অধিকার এটি কারও ব্যক্তিগত সম্পদ নয় সময় হলেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর: দীনেশ ত্রিবেদী দুর্গাপূজার ছুটি একদিন বাড়ানোর উদ্যোগে স্বস্তির বার্তা হিন্দু সম্প্রদায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বে জবাবদিহিতা পরামর্শক ব্যয় কমানোর নির্দেশ

এবারে চড়াই থাকল ইলিশের দাম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৭:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ৩০৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

ভরমৌসুম থেকে ইলিশের দামের উর্ধগতি তা আর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরল না। আজ মঙ্গলবার বাজারে ৬ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হতে দেখা গেছে ১ হাজার টাকা কেজি।

আর মৌসুমের শেষে এসেতো আর বাড়বে। ক্রেতারা বলছেন, বাংলাদেশের বাজারে এতোটা দাম বাড়ল ইলিশের যা জীবনে এই প্রথমবার প্রত্যক্ষ করলেন তারা। এ বছর জাতীয় মাছটির তেমন স্বাদ নিতে পারেননি বহু মানুষ।

দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি, নিয়ন্ত্রণহীন নিত্যপণ্যের দাম এবং আয়রোজগার কমে যাওয়ায় ইলিশ মাছ কেনা অনেকের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠেনি। এর মধ্যে ভারতে ইলিশ রপ্তানির সুযোগে একশ্যেণীর মুনাফালোভি ব্যবসায়ী ইলিশের দাম আরও একদফা বাড়িয়ে দিয়েছে।

ইলিশ মাছ আহরণ এবং সংশ্লিষ্ট খাতে প্রায় ৩২ লাখ মানুষ জড়িত রয়েছে। এরমধ্যে প্রায় ৭ লাখ মানুষ প্রত্যক্ষভাবে ইলিশ ধরা এবং প্রায় ২৫ লাখ মানুষ ইলিশের জাল এবং অন্যান্য সরঞ্জাম যেমন বরফ, পরিবহন, বিপণন, বিক্রয় এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে পরোক্ষভাবে জড়িত।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৯-২০ অর্থবছরে ইলিশের আহরণের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ১৯ হাজার টন। ২০২১-২২ অর্থবছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৬৭ হাজার টনে। বিএফআরআই-র মতে, বর্তমানে ইলিশের সর্বোচ্চ টেকসই ফলন ৭ লাখ ২ হাজার টন।

বাংলাদেশ হিমায়িত খাদ্য রফতানিকারক সমিতি (বিএফএফইএ) সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৬ লাখ টন ইলিশ আহরণ হয়। সেখান থেকে ৪ থেকে ৫ হাজার টন ইলিশ রফতানি হলে বাজারে তেমন কোনও প্রভাব পড়ে না। বরং ৩৫০ থেকে ৪০০ কোটি টাকার সমান বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়।

জানা গেছে, বাংলাদেশে মোহনা থেকে সমুদ্রের ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার উজানে ও উপকূল থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত ইলিশ পাওয়া যায়।

দিনে ৭০ থেকে ৭৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়া ইলিশ সাগর থেকে যতই নদীর মিষ্টি পানির দিকে আসে, ততই এর শরীর থেকে লবণ খসে যায় এবং এর স্বাদ বাড়ে। বর্তমানে দেশের সমুদ্র, মোহনা ও উপকূলসহ ৩৮টি জেলার ১০০টি নদ-নদীতে ইলিশ পাওয়া যায়।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে এবারও ভারতে ৪ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ মাছ রফতানির অনুমতি দিয়েছে বাণিজ্যমন্ত্রণালয়। কিন্তু ইলিশের উচ্চমূল্য নিয়ে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে এ সিদ্ধান্তের সমালোচনাও করেছেন। অনেকেই আবার প্রশ্ন তুলেছেন, এত পরিমাণ ইলিশ আহরণের পরও চড়া দাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :