বায়ুদূষণ : বাংলাদেশের মানুষের আয়ু কমছে ৭ বছর
- আপডেট সময় : ১২:৪০:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩ ২১৪ বার পড়া হয়েছে
ছবি সংগ্রহ
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
মেগাসিটি ঢাকার অদূরে গাজীপুর শহর। জেলার অধিকাংশ এলাকাজুড়ে নানা ধরণের শিল্পকারখানা। রাজধানীর মানচিত্রের বাইরে এই শহরটি সবচেয়ে দূষিত বায়ুর শহর। বায়ুদূষণের জেরে এখানের বাসিন্দাদের ৮ বছর ৩ মাস আয়ু কমছে।
এরইমধ্যে বিশ্বে সবচেয়ে দূষিত বায়ুর দেশের তকমা পেয়েছে বাংলাদেশ। দূষিত বায়ুর বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৬ বছর ৮মাস কমে যাচ্ছে। দেশটির একেক এলাকার বায়ুর অবস্থা একেক রকম।
যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এনার্জি পলিসি ইনস্টিটিউট বৈশ্বিক এই গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে এয়ার কোয়ালিটি লাইফ ইনডেক্স, ২০২৩ এই শিরোণামে। প্রতিবেদনের জন্য মূলত স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ২০২১ সালের বাতাসের গুণমান বিশ্লেষণ করা হয়েছে। প্রতিবেদনটিতে দেখা যাচ্ছে, প্রতি ঘনমিটারে বাতাসে সর্বোচ্চ যে দূষণ কণা মান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, অর্থাত ৫ মিলিগ্রাম, বাংলাদেশের বাতাসে দূষণকারী এসব গ্যাসীয় কণার উপস্থিতি তার চাইতে ১৪ থেকে ১৬ গুণ বেশি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১৯৯৮ সালের তুলনায় বায়ুদূষণ বেড়েছে ৬৩ শতাংশ। আর এতে গড় আয়ু ২ বছর ৮ মাস কমেছে। ২০২০ ও ২০২১ সালের তুলনায় ২ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে।
গত এক যুগে বিশ্বে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে চীন সবচেয়ে বেশি সফলতা দেখিয়েছে উল্লেখ করে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, দেশটি দূষণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। দূষণ রোধে তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করেছে। দূষণকারী শিল্পকারখানার সংখ্যা কমিয়েছে। রাস্তায় পানি ছিটানোসহ নানা উদ্যোগ নিয়েছে। এতে দেশটির বায়ুর মান ৪২ শতাংশে বেশি উন্নতি হয়েছে।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক সংস্থা এয়ার ভিজ্যুয়ালসহ বিভিন্ন সংস্থা এসব তথ্য নিয়মিত বা সরাসরি দিয়ে থাকে। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বাংলাদেশের বায়ুর মানবিষয়ক তথ্য প্রদান যথেষ্ট সময়োপযোগী ও নির্ভরযোগ্য নয়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের বায়ুমান বিভাগের পরিচালক জিয়াউল হক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমরা আগামী এক মাসের মধ্যে রাজধানীসহ দেশের অনেক জায়গার বায়ুমানের তথ্য ওয়েবসাইটে তুলে দিতে পারব। সেই সক্ষমতার দিকে আমরা যাচ্ছি। আর এক বছরের মধ্যে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মতো সরাসরি বায়ুর মানের তথ্য অ্যাপসের মাধ্যমে তা তুলে ধরা সম্ভব হবে।




















