ঢাকা ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাত শার্শায় র‌্যাবের অভিযানে ২৯৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক খুব শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে-চীনা রাষ্ট্রদূত তৈরি পোশাকখাত এখন পোশাক খাত এখন আইসিইউতে: মোহাম্মদ হাতেম তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ব্যবসা মন্দা, আয় সংকোচন ও রাজস্ব ঘাটতি ৪৬ হাজার কোটি  নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজিবি মোতায়েন, ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত মাদারীপুরে বাস অটোরিকশা সংঘর্ষ প্রাণ গেল ৬জনের বাংলাদেশে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যা দিল অন্তর্বর্তী সরকার রমজান সামনে আগেই চড়া বাজার: দামে লাগাম টানতে কড়া নজরদাবি জরুরি

বাংলাদেশ রেলওয়ের ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণে ভারতের সঙ্গে চুক্তি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০২৩ ২২৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকা-টঙ্গী সেকশনে ৩য় ও ৪র্থ ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ

টঙ্গী-জয়দেবপুর সেকশনে ডুয়েলগেজ ট্র্যাক, দ্বিগুন করার একটি চুক্তি স্বক্ষর হয়েছে

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভারতের সহযেগিতায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, তিস্তা ব্রিজ ও ভৈরব ব্রিজের মাধ্যমে

রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করেছিলেন

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

বাংলাদেশ রেলওয়ে একের পর মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। ভারতের এলওসি যে সব প্রকল্প হাতে ওরওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ইতিমধ্যে ৯ প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে। পাইপলাইনে রয়েছে, আখাউড়া-আগরতলা, মোংলা-খুলনা ৬৫ কিলোমিটার রেলপথ এবং রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বতীয় ইউনিট। এই তিনটি প্রকল্প খুব শিগগির উদ্বেবাধন হবে উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে।

এরই ধারবাহিকতায় রবিবার রেলভবনে বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং ভারতের কেইসি ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে ঢাকা-টঙ্গী সেকশনে ৩য় ও ৪র্থ ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ এবং টঙ্গী-জয়দেবপুর সেকশনে ডুয়েলগেজ ট্র্যাক, দ্বিগুন করার একটি চুক্তি স্বক্ষর হয়েছে। এসময় রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম, সুজন ও ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা এসময় উপস্থিত ছি। স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত যে ভাবে আমাদের পাশে ছিল, বাংলাদেশ-ভারতের সে সম্পর্ক রক্তের বাধনে লেখা থাকবে । স্বাধীনতা যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভারতের সহযেগিতায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, তিস্তা ব্রিজ ও ভৈরব ব্রিজের মাধ্যমে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। মন্ত্রি বলেন, আজকের এই চুক্তির মাধ্যমে ডব্লিউ-২ ডিজাইন, সরবরাহ, ইনস্টলেশন এবং ৭টি স্টেশনে কম্পিউটার ভিত্তিক ইন্টারলক সিগন্যালিং সিস্টেমের পরিক্ষা-কমিশন করা হবে। এর মধ্যে নির্বাচিত লেভেল ক্রসিংগুলির ইন্টারলকিং এবং অপটিক্যাল ফাইবার ভিত্তিক টেলিকমিউনিক সিস্টেমের কাজ এবং আন্তঃসংযোগ ভিত্তিক টেলিযোগাযোগ সিস্টেমের জন্য সিগন্যালিং সিস্টেম স্থাপন করা হবে।

নূরুল ইসলাম সুজন বলেছন, ৭৫ সালের পর স্বাধীনতা বিরোধীরা গোষ্ঠী কোন উন্নয়ন করেনি, এমনকি প্রতিবেশীদেশ হিসেবে ভারতের সাথে বৈরী সম্পর্ক ছিল, সম্পর্কের উন্নয়নের কোন উদ্যোগ গ্রহন করা হয়নি। দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের পর শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পর সম্পর্কের উন্নয়ন হয়েছে। ছিটমহল সমস্যা, গঙ্গা চুক্তি, পার্বত্য শান্তিচুক্তিসহ দ্বিপাক্ষিক সমস্যাগুলোর শান্তিপূর্ণ সমাধান হয়েছে। রেলওয়ে ব্যবস্থায় আমাদের ইন্টার সেকশন পয়েন্ট যেগুলো ছিল তার ৮টির মধ্যে ৫টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

এছাড়াও ভারতের সাথে আমাদের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা ডাবললাইনে রূপান্তর করা হয়েছে। নুরুল ইসলাম বলেন, ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম ডাবললাইন করা হয়েছে। আখাউড়া থেকে আগড়তলা, খুলনা থেকে মঙ্গলা, ঢাকা থেকে পদ্মা ব্রিজ হয়ে ভাঙ্গা এবং ঢাকা থেকে কক্সবাজার রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রী অচিরেই উদ্বোধন করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশ রেলওয়ের ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণে ভারতের সঙ্গে চুক্তি

আপডেট সময় : ০৮:৩৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০২৩

ঢাকা-টঙ্গী সেকশনে ৩য় ও ৪র্থ ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ

টঙ্গী-জয়দেবপুর সেকশনে ডুয়েলগেজ ট্র্যাক, দ্বিগুন করার একটি চুক্তি স্বক্ষর হয়েছে

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভারতের সহযেগিতায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, তিস্তা ব্রিজ ও ভৈরব ব্রিজের মাধ্যমে

রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করেছিলেন

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

বাংলাদেশ রেলওয়ে একের পর মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। ভারতের এলওসি যে সব প্রকল্প হাতে ওরওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ইতিমধ্যে ৯ প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে। পাইপলাইনে রয়েছে, আখাউড়া-আগরতলা, মোংলা-খুলনা ৬৫ কিলোমিটার রেলপথ এবং রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বতীয় ইউনিট। এই তিনটি প্রকল্প খুব শিগগির উদ্বেবাধন হবে উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে।

এরই ধারবাহিকতায় রবিবার রেলভবনে বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং ভারতের কেইসি ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে ঢাকা-টঙ্গী সেকশনে ৩য় ও ৪র্থ ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ এবং টঙ্গী-জয়দেবপুর সেকশনে ডুয়েলগেজ ট্র্যাক, দ্বিগুন করার একটি চুক্তি স্বক্ষর হয়েছে। এসময় রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম, সুজন ও ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা এসময় উপস্থিত ছি। স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত যে ভাবে আমাদের পাশে ছিল, বাংলাদেশ-ভারতের সে সম্পর্ক রক্তের বাধনে লেখা থাকবে । স্বাধীনতা যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভারতের সহযেগিতায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, তিস্তা ব্রিজ ও ভৈরব ব্রিজের মাধ্যমে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। মন্ত্রি বলেন, আজকের এই চুক্তির মাধ্যমে ডব্লিউ-২ ডিজাইন, সরবরাহ, ইনস্টলেশন এবং ৭টি স্টেশনে কম্পিউটার ভিত্তিক ইন্টারলক সিগন্যালিং সিস্টেমের পরিক্ষা-কমিশন করা হবে। এর মধ্যে নির্বাচিত লেভেল ক্রসিংগুলির ইন্টারলকিং এবং অপটিক্যাল ফাইবার ভিত্তিক টেলিকমিউনিক সিস্টেমের কাজ এবং আন্তঃসংযোগ ভিত্তিক টেলিযোগাযোগ সিস্টেমের জন্য সিগন্যালিং সিস্টেম স্থাপন করা হবে।

নূরুল ইসলাম সুজন বলেছন, ৭৫ সালের পর স্বাধীনতা বিরোধীরা গোষ্ঠী কোন উন্নয়ন করেনি, এমনকি প্রতিবেশীদেশ হিসেবে ভারতের সাথে বৈরী সম্পর্ক ছিল, সম্পর্কের উন্নয়নের কোন উদ্যোগ গ্রহন করা হয়নি। দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের পর শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পর সম্পর্কের উন্নয়ন হয়েছে। ছিটমহল সমস্যা, গঙ্গা চুক্তি, পার্বত্য শান্তিচুক্তিসহ দ্বিপাক্ষিক সমস্যাগুলোর শান্তিপূর্ণ সমাধান হয়েছে। রেলওয়ে ব্যবস্থায় আমাদের ইন্টার সেকশন পয়েন্ট যেগুলো ছিল তার ৮টির মধ্যে ৫টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

এছাড়াও ভারতের সাথে আমাদের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা ডাবললাইনে রূপান্তর করা হয়েছে। নুরুল ইসলাম বলেন, ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম ডাবললাইন করা হয়েছে। আখাউড়া থেকে আগড়তলা, খুলনা থেকে মঙ্গলা, ঢাকা থেকে পদ্মা ব্রিজ হয়ে ভাঙ্গা এবং ঢাকা থেকে কক্সবাজার রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রী অচিরেই উদ্বোধন করবেন।