ঢাকা ০৫:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
একটানে জালে ওঠে আসে ২৬ লাখ টাকার ২ হাজার ২০০টি কাঙ্খিত  ইলিশ  কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে উৎপাদন  বাড়ানোর তাগিদ  প্রধানমন্ত্রীর সংযুক্ত আরব  আমিরাতে ৪,৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রিসেট চায় বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়া উচিত হুমায়ুন ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে অর্ধেক শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ শেরপুরে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধের চালান জব্দ ‘আমেরিকানরা যোদ্ধা হলে ইরানের বীর বাহিনীর মুখোমুখি হোক’: পেজেশকিয়ান আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি’: প্রধানমন্ত্রী

এখন কী করছেন শাহিদ কপূরের মা?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জুন ২০২৩ ২৫২ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগৃহীত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিচিটাল ডেস্ক

বলিপাড়ায় নীলিমাকে নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। সম্পর্কে জড়ানোর পর মনের মানুষকে বিয়ে করেন তিনি। কিন্তু প্রথম বিয়ে টেকেনি অভিনেত্রীর।

নব্বইয়ের দশকে টেলিভিশন জগতের জনপ্রিয় মুখ ছিলেন নীলিমা আজিম। বড় পর্দাতেও প্রায় তিন দশক অভিনয় করেছেন তিনি। ইতিহাস ঘেঁষা চরিত্রেই বেশির ভাগ সময় কাজ করতে দেখা গিয়েছে তাকে। মুমতাজ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকমনে জায়গাও করেছেন তিনি। কিন্তু এখন অভিনয় জগৎ থেকে দূরে নীলিমা।

অভিনেত্রী বাদেও অন্য একটি পরিচয় রয়েছে নীলিমার। নীলিমা হলেন বলিপাড়ার দুই অভিনেতা শাহিদ কপূর এবং ইশান খট্টরের মা। একা হাতে দুই পুত্রকে বড় করে তুলেছেন তিনি।

বিচ্ছেদের পর আবার প্রেমে পড়েন নীলিমা। আবার সাত পাকে বাঁধা পড়েন তিনি। কিন্তু সেই বিয়েও টেকেনি।

দু’বার বিচ্ছেদের পর আবার যখন বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন নীলিমা, তখন তাকে ঘিরে সমালোচনার অন্ত থাকেনি। কিন্তু তৃতীয় বিয়েও ভেঙে যায় নীলিমার। ১৯৫৮ সালের ২ ডিসেম্বর জন্ম তার। নীলিমার বাবা পেশায় সাংবাদিক ছিলেন। উত্তরাখণ্ড এবং দিল্লিতে স্কুলের পড়াশোনা শেষ করেন তিনি।

স্কুলের পড়াশোনা শেষ করে নয়াদিল্লির কলেজে ভর্তি হন নীলিমা। শৈশব থেকেই অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল। দু’বছর বয়স থেকেই নৃত্যে পারদর্শী ছিলেন। চার বছর বয়সে মঞ্চে প্রথম পারফর্ম করেন নীলিমা।

দশ বছর বয়সের গণ্ডি পার করে পণ্ডিত বিরজু মহারাজের কাছে কত্থকের তালিম নিতে শুরু করেন নীলিমা। ৫২ বছর বিরজু মহারাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। তার পাশাপাশি মুন্না শুক্ল, শ্রীমতি রেবা বিদ্যার্থী এবং পণ্ডিত দেবীলালজির কাছেও কত্থকের প্রশিক্ষণ নেন নীলিমা।

অভিনয়ের প্রতি এতই আগ্রহ ছিল যে, নাচের পাশাপাশি থিয়েটারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন নীলিমা। গানও শিখেছেন। ১৯৮৯ সালে ‘ফির ওয়াহি তালাশ’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে ছোট পর্দায় অভিষেক হয় নীলিমার।

তার পর মুমতাজ চরিত্রে অভিনয় করে টেলিভিশনের অভিনেত্রী হিসাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন নীলিমা। ছোট পর্দার পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। কেরিয়ার গড়তে বড় পর্দার দিকে পা বাড়ান নীলিমা।

তবে তার আগে প্রথম বিয়ে ভেঙে যায় নীলিমার। ১৯৭৯ সালে অভিনয় শুরুর আগে অভিনেতা পঙ্কজ কপূরের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন তিনি। বিয়ের দু’বছরের মধ্যে পুত্র শাহিদের জন্ম দেন নীলিমা।
কিন্তু পঙ্কজের সঙ্গে সম্পর্ক বেশি দিন টেকেনি নীলিমার। শাহিদের যখন তিন বছর বয়স, তখন পঙ্কজের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয় নীলিমার। ‘সিঙ্গল মাদার’ হিসাবে শাহিদকে একা হাতে মানুষ করতে থাকেন নীলিমা। তার পর অভিনয় নিয়ে কেরিয়ারে এগিয়ে যান শাহিদের মা।

পঙ্কজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অভিনেতা রাজেশ খট্টরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান নীলিমা। এক বছর সম্পর্কে থাকার পর বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন নীলিমা এবং রাজেশ। ১৯৯০ সালে দ্বিতীয় বার বিয়ের পিঁড়িতে বসেন নীলিমা। কিন্তু সেই বিয়েও ভেঙে যায়।

রাজেশের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অবশ্য ‘সিঙ্গল’ থাকেননি নীলিমা। বিচ্ছেদের তিন বছর পর শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী রাজা আলি খানকে বিয়ে করেন তিনি। কিন্তু তৃতীয় বিয়েও টেকেনি অভিনেত্রীর। ২০০৯ সালে বিচ্ছেদ হয়ে যায় নীলিমার।

বিচ্ছেদের পরেও টেলিভিশন এবং হিন্দি ফিল্ম জগতে কাজ করতে দেখা গিয়েছে নীলিমাকে। কিন্তু ২০১৮ সালের পর নিজেকে ধীরে ধীরে অভিনয় জগৎ থেকে সরিয়ে নেন তিনি। বর্তমানে নিজের নাচের স্কুল নিয়েই ব্যস্ত থাকেন নীলিমা। সূত্র আনন্দবাজার

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

এখন কী করছেন শাহিদ কপূরের মা?

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জুন ২০২৩

ভয়েস ডিচিটাল ডেস্ক

বলিপাড়ায় নীলিমাকে নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। সম্পর্কে জড়ানোর পর মনের মানুষকে বিয়ে করেন তিনি। কিন্তু প্রথম বিয়ে টেকেনি অভিনেত্রীর।

নব্বইয়ের দশকে টেলিভিশন জগতের জনপ্রিয় মুখ ছিলেন নীলিমা আজিম। বড় পর্দাতেও প্রায় তিন দশক অভিনয় করেছেন তিনি। ইতিহাস ঘেঁষা চরিত্রেই বেশির ভাগ সময় কাজ করতে দেখা গিয়েছে তাকে। মুমতাজ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকমনে জায়গাও করেছেন তিনি। কিন্তু এখন অভিনয় জগৎ থেকে দূরে নীলিমা।

অভিনেত্রী বাদেও অন্য একটি পরিচয় রয়েছে নীলিমার। নীলিমা হলেন বলিপাড়ার দুই অভিনেতা শাহিদ কপূর এবং ইশান খট্টরের মা। একা হাতে দুই পুত্রকে বড় করে তুলেছেন তিনি।

বিচ্ছেদের পর আবার প্রেমে পড়েন নীলিমা। আবার সাত পাকে বাঁধা পড়েন তিনি। কিন্তু সেই বিয়েও টেকেনি।

দু’বার বিচ্ছেদের পর আবার যখন বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন নীলিমা, তখন তাকে ঘিরে সমালোচনার অন্ত থাকেনি। কিন্তু তৃতীয় বিয়েও ভেঙে যায় নীলিমার। ১৯৫৮ সালের ২ ডিসেম্বর জন্ম তার। নীলিমার বাবা পেশায় সাংবাদিক ছিলেন। উত্তরাখণ্ড এবং দিল্লিতে স্কুলের পড়াশোনা শেষ করেন তিনি।

স্কুলের পড়াশোনা শেষ করে নয়াদিল্লির কলেজে ভর্তি হন নীলিমা। শৈশব থেকেই অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল। দু’বছর বয়স থেকেই নৃত্যে পারদর্শী ছিলেন। চার বছর বয়সে মঞ্চে প্রথম পারফর্ম করেন নীলিমা।

দশ বছর বয়সের গণ্ডি পার করে পণ্ডিত বিরজু মহারাজের কাছে কত্থকের তালিম নিতে শুরু করেন নীলিমা। ৫২ বছর বিরজু মহারাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। তার পাশাপাশি মুন্না শুক্ল, শ্রীমতি রেবা বিদ্যার্থী এবং পণ্ডিত দেবীলালজির কাছেও কত্থকের প্রশিক্ষণ নেন নীলিমা।

অভিনয়ের প্রতি এতই আগ্রহ ছিল যে, নাচের পাশাপাশি থিয়েটারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন নীলিমা। গানও শিখেছেন। ১৯৮৯ সালে ‘ফির ওয়াহি তালাশ’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে ছোট পর্দায় অভিষেক হয় নীলিমার।

তার পর মুমতাজ চরিত্রে অভিনয় করে টেলিভিশনের অভিনেত্রী হিসাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন নীলিমা। ছোট পর্দার পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। কেরিয়ার গড়তে বড় পর্দার দিকে পা বাড়ান নীলিমা।

তবে তার আগে প্রথম বিয়ে ভেঙে যায় নীলিমার। ১৯৭৯ সালে অভিনয় শুরুর আগে অভিনেতা পঙ্কজ কপূরের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন তিনি। বিয়ের দু’বছরের মধ্যে পুত্র শাহিদের জন্ম দেন নীলিমা।
কিন্তু পঙ্কজের সঙ্গে সম্পর্ক বেশি দিন টেকেনি নীলিমার। শাহিদের যখন তিন বছর বয়স, তখন পঙ্কজের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয় নীলিমার। ‘সিঙ্গল মাদার’ হিসাবে শাহিদকে একা হাতে মানুষ করতে থাকেন নীলিমা। তার পর অভিনয় নিয়ে কেরিয়ারে এগিয়ে যান শাহিদের মা।

পঙ্কজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অভিনেতা রাজেশ খট্টরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান নীলিমা। এক বছর সম্পর্কে থাকার পর বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন নীলিমা এবং রাজেশ। ১৯৯০ সালে দ্বিতীয় বার বিয়ের পিঁড়িতে বসেন নীলিমা। কিন্তু সেই বিয়েও ভেঙে যায়।

রাজেশের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অবশ্য ‘সিঙ্গল’ থাকেননি নীলিমা। বিচ্ছেদের তিন বছর পর শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী রাজা আলি খানকে বিয়ে করেন তিনি। কিন্তু তৃতীয় বিয়েও টেকেনি অভিনেত্রীর। ২০০৯ সালে বিচ্ছেদ হয়ে যায় নীলিমার।

বিচ্ছেদের পরেও টেলিভিশন এবং হিন্দি ফিল্ম জগতে কাজ করতে দেখা গিয়েছে নীলিমাকে। কিন্তু ২০১৮ সালের পর নিজেকে ধীরে ধীরে অভিনয় জগৎ থেকে সরিয়ে নেন তিনি। বর্তমানে নিজের নাচের স্কুল নিয়েই ব্যস্ত থাকেন নীলিমা। সূত্র আনন্দবাজার