ঢাকা ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতির তিন অপরাধে ভাষণ বর্জন: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান খুলনা-মোংলা মহাসড়কে ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত ১৩ মানুষই ছিল অ্যালার্ম ঘড়ি: ব্রিটেন-আয়ারল্যান্ডের এক বিস্মৃত পেশার গল্প ফ্যাসিবাদী আমলে পুলিশকে দলীয় বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করা হয় সংসদে রাষ্ট্রপতি সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন সিইসি, ড. ইউনূস ও বিদেশি রাষ্ট্রদূতরা পাটপণ্যের ব্যবহার বাড়াতে উদ্যোগী সরকার: কৃষক-উদ্যোক্তা উৎসাহিত হবে: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী নন্দনে নিউজ কলকাতার ত্রৈমাসিক সাহিত্য অনুষ্ঠান ও গুণীজন সংবর্ধনা বাংলাদেশে কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু : স্বনির্ভর দেশ গড়ার ডাক প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় সংসদের নতুন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি মির্জা আব্বাস, দেশবাসীর দোয়া চাইলেন আফরোজা আব্বাস

অনিয়ম হওয়া কেন্দ্রে ভোটের ফল বাতিল করতে পারবে ইসি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৬:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ মে ২০২৩ ২১০ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠক : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

নির্বাচনে  অনিয়ম হওয়া কেন্দ্রের ভোটের ফল বাতিলের ক্ষমতা দিয়ে একটি আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৩’ এর খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। আইনটি ‘গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইন, ২০২৩’ নামে পরিচিত।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

সংশোধনীর প্রধান বিষয়গুলো তুলে ধরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, যদি কারো ব্যাংকের পাওনা থাকে বা ঋণ পরিশোধের অসুবিধা থাকে কিংবা কোনো বিল পরিশোধের প্রসঙ্গ থাকে তাহলে মনোনয়নপত্র গ্রহণের সাত দিন আগে ক্লিয়ার হওয়ার কথা ছিল। এখন দাখিলের একদিন আগে বিল পরিশোধ হলেই নির্বাচন করা যাবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, যিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করবেন তার টিআইএন এবং ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিয়েছেন, তার কপি জমা দিতে হবে। একমাত্র ইউনিয়ন পরিষধ নির্বাচন ছাড়া সব নির্বাচনে এই প্রবিশন আছে। আমাদের সংসদ নির্বাচনে এটি ছিল না, সেটি এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মনোয়নপত্র জমা দেওয়ার পর কেউ রিজেক্ট (বাতিল) হলে তিনি তখন আপিল করতে পারতেন। এখন শুধু রিজেক্ট না, রিচার্নিং অফিসার যে সিদ্ধান্তই দেন, যদি গ্রহণও করেন তাহলে আপিল করা যাবে। তার যেকোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। উপযুক্ত কাগজপত্র ও সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ অভিযোগ দাখিল করে এই আপিল করা যাবে।

এর আগে গত ২৮ মার্চ আইনটির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এদিন চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অনিয়ম হওয়া কেন্দ্রে ভোটের ফল বাতিল করতে পারবে ইসি

আপডেট সময় : ০৮:১৬:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ মে ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

নির্বাচনে  অনিয়ম হওয়া কেন্দ্রের ভোটের ফল বাতিলের ক্ষমতা দিয়ে একটি আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৩’ এর খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। আইনটি ‘গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইন, ২০২৩’ নামে পরিচিত।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

সংশোধনীর প্রধান বিষয়গুলো তুলে ধরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, যদি কারো ব্যাংকের পাওনা থাকে বা ঋণ পরিশোধের অসুবিধা থাকে কিংবা কোনো বিল পরিশোধের প্রসঙ্গ থাকে তাহলে মনোনয়নপত্র গ্রহণের সাত দিন আগে ক্লিয়ার হওয়ার কথা ছিল। এখন দাখিলের একদিন আগে বিল পরিশোধ হলেই নির্বাচন করা যাবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, যিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করবেন তার টিআইএন এবং ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিয়েছেন, তার কপি জমা দিতে হবে। একমাত্র ইউনিয়ন পরিষধ নির্বাচন ছাড়া সব নির্বাচনে এই প্রবিশন আছে। আমাদের সংসদ নির্বাচনে এটি ছিল না, সেটি এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মনোয়নপত্র জমা দেওয়ার পর কেউ রিজেক্ট (বাতিল) হলে তিনি তখন আপিল করতে পারতেন। এখন শুধু রিজেক্ট না, রিচার্নিং অফিসার যে সিদ্ধান্তই দেন, যদি গ্রহণও করেন তাহলে আপিল করা যাবে। তার যেকোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। উপযুক্ত কাগজপত্র ও সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ অভিযোগ দাখিল করে এই আপিল করা যাবে।

এর আগে গত ২৮ মার্চ আইনটির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এদিন চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।