ঢাকা ০৭:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম লাইনে দাঁড়িয়ে স্বস্তি: অল্প সময়েই তেল পেলেন বাইকচালক মোহাম্মদ আলী দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে

৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে ২২ লাখ পরিশোধ করেও ঘরছাড়া

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৮:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ মে ২০২৩ ২০৪ বার পড়া হয়েছে

কৃষক মোকলেছার রহমান ছবি: সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

সুদে নিয়েছিলেন ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা। এরপর পর্যায়ক্রমে ২২ লাখ ৪৬ হাজার টাকা পরিশোধ করেন অসহায় কৃষক মোখলেছার রহমান। কিন্তু তারপরও রেহাই মিলছে না তার। এখন সুদকারবারীর মিথ্যা মামলায় বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন গোটা পরিবার। কৃষকের বাড়ি বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের মধ্য রাজিব চেংমারী গ্রামে।

জানা গেছে, সদর ইউনিয়নের মধ্য রাজিব চেংমারী গ্রামের মোকলেছার রহমান পারিবারিক কারণে রনচণ্ডি ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামের সুদ কারবারি মজনুর রহমানের কাছে ২০১৬ সালে প্রতি হাজারে ৬০ টাকা সুদে ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা ঋণ নেয়।

তিনি দীর্ঘ ৬ বছর ধরে প্রতি মাসে সুদসহ ৩১ হাজার ২০০ টাকা পরিশোধ করে আসছিলেন। ২০২২ সালে করোনার সময় কৃষক মোকলেছার তার ব্যবহৃত চাষ করা ট্রাক্টর বিক্রি করে আরও ৩ লাখ টাকা পরিশোধ করেন। অবশিষ্ট ২ লাখ ২০ হাজার টাকা পরিশোধে সময় চাইলে কোনো সময় না দিয়ে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। এমন কি টাকা দিতে না পারায় তাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে টাকা আদায় করার হুমকি প্রদান করে মজনুর রহমান।

বিষয়টি জানতে পেরে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ দু’পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা করে দেন। কিন্তু এই সমঝোতা অমান্য করে গত জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সদলবলে মোকলেছারের বাড়িতে এসে তার বড় বোন বেলি বেগমের রূপালি ব্যাংক শাখার হিসাব নম্বর ২২৫৪৫ একটি চেকে জোরপুর্বক মোকলেছারের স্বাক্ষর করিয়ে নেয়।

এর আগে ২০১৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি একই ব্যাংক শাখার আরও একটি চেকের পাতায় মজনুর ও তার শ্যালক সাজেদুর রহমান মোকলেছারের স্ত্রী হেলালী বেগমের হিসাব নম্বরের একটি চেকের পাতায় জোর করে স্বাক্ষর নেয়।

কিশোরগঞ্জ থানার ওসি রাজিব কুমার রায় বলেন, মোকলেছার রহমানের পরিবার অবরুদ্ধ হওয়ার সংবাদ পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে তাদের উদ্ধার করেছিলাম। দু’পক্ষের উপস্থিতিতে বিষয়টি সুরাহা করে দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি সুরাহার পরেও সুদ কারবারি মোকলেছারের স্ত্রী হেলালীর নামে কোর্টে মামলা করা হয়েছে। এবিষয়ে তিনি বলেন, থানায় মামলার কোনো কপি আসেনি। মামলার কপি পেলে তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদান নামবেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে ২২ লাখ পরিশোধ করেও ঘরছাড়া

আপডেট সময় : ০৯:৩৮:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ মে ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

সুদে নিয়েছিলেন ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা। এরপর পর্যায়ক্রমে ২২ লাখ ৪৬ হাজার টাকা পরিশোধ করেন অসহায় কৃষক মোখলেছার রহমান। কিন্তু তারপরও রেহাই মিলছে না তার। এখন সুদকারবারীর মিথ্যা মামলায় বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন গোটা পরিবার। কৃষকের বাড়ি বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের মধ্য রাজিব চেংমারী গ্রামে।

জানা গেছে, সদর ইউনিয়নের মধ্য রাজিব চেংমারী গ্রামের মোকলেছার রহমান পারিবারিক কারণে রনচণ্ডি ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামের সুদ কারবারি মজনুর রহমানের কাছে ২০১৬ সালে প্রতি হাজারে ৬০ টাকা সুদে ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা ঋণ নেয়।

তিনি দীর্ঘ ৬ বছর ধরে প্রতি মাসে সুদসহ ৩১ হাজার ২০০ টাকা পরিশোধ করে আসছিলেন। ২০২২ সালে করোনার সময় কৃষক মোকলেছার তার ব্যবহৃত চাষ করা ট্রাক্টর বিক্রি করে আরও ৩ লাখ টাকা পরিশোধ করেন। অবশিষ্ট ২ লাখ ২০ হাজার টাকা পরিশোধে সময় চাইলে কোনো সময় না দিয়ে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। এমন কি টাকা দিতে না পারায় তাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে টাকা আদায় করার হুমকি প্রদান করে মজনুর রহমান।

বিষয়টি জানতে পেরে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ দু’পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা করে দেন। কিন্তু এই সমঝোতা অমান্য করে গত জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সদলবলে মোকলেছারের বাড়িতে এসে তার বড় বোন বেলি বেগমের রূপালি ব্যাংক শাখার হিসাব নম্বর ২২৫৪৫ একটি চেকে জোরপুর্বক মোকলেছারের স্বাক্ষর করিয়ে নেয়।

এর আগে ২০১৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি একই ব্যাংক শাখার আরও একটি চেকের পাতায় মজনুর ও তার শ্যালক সাজেদুর রহমান মোকলেছারের স্ত্রী হেলালী বেগমের হিসাব নম্বরের একটি চেকের পাতায় জোর করে স্বাক্ষর নেয়।

কিশোরগঞ্জ থানার ওসি রাজিব কুমার রায় বলেন, মোকলেছার রহমানের পরিবার অবরুদ্ধ হওয়ার সংবাদ পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে তাদের উদ্ধার করেছিলাম। দু’পক্ষের উপস্থিতিতে বিষয়টি সুরাহা করে দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি সুরাহার পরেও সুদ কারবারি মোকলেছারের স্ত্রী হেলালীর নামে কোর্টে মামলা করা হয়েছে। এবিষয়ে তিনি বলেন, থানায় মামলার কোনো কপি আসেনি। মামলার কপি পেলে তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদান নামবেন তারা।