ঢাকা ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্যমন্ত্রী ইরানের প্রতি মানবিক সহমর্মিতা জানিয়ে পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন মার্কিন হামলার পরও খারগ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি অব্যাহত: ইরান ডলার নয়, ইউয়ানে লেনদেন হলে খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের হামলা ৫০ হাজার কোটি টাকার পোলট্রি খাত ঝুঁকিতে, খামারিদের রক্ষায় ৬ দফা দাবি পেঁয়াজ-আলুর দামপতনে কৃষকের কান্না, `কৃষিপণ্য কমিশন গঠনের দাবি’ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ভোটের কালি শুকানোর আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু: প্রধানমন্ত্রী ফিরলেন কাতারে আটকে পড়া ৪৩০ বাংলাদেশি

যারা চলে গেলো তাদের জন্য..

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৪:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৩ ১৭৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ড. বিরাজলক্ষী ঘোষ-এর ফেসবুক থেকে

 

যারা চলে গেলো তাদের জন্য..

‘চলে গেলে কেন?’– এ-প্রশ্ন করা সোজা।
‘থাকলেই হতো’– এ-কথা বলাও সহজ।
দূর থেকে তবু কিছুতে যায় না বোঝা,
কার বেঁচে থাকা কতখানি ভারবহ।
মুখে মৃদু হাসি লেগে থাকে যতদিন,
আমরা সকলে ধরে নিই, ভাল আছে।
ভিতরে ভিতরে আয়ু হয়ে আসে ক্ষীণ…
কে আর জীবনে বাঁচার জন্য বাঁচে!
ভিড়ের মধ্যে একা হয়ে যাওয়া লোক,
চড়া আলোতেও মনখারাপের ভয়।
চশমার নীচে ঢাকা পড়ে যায় চোখ…
অবসাদ কোনও কুশলকাব্য নয়।
আমরা সকলে বিচারসভার হোতা,
আমরা সকলে সব জানি। সব কিছু।
খালি পা-ই বোঝে, কোথায় পেরেক পোঁতা,
আজও মন তাই মৃত্যুর কাছে নিচু।
যে গেছে, সে নেই। যারা আছে, তারা থাক।
মন খুলে দিক জানলার মতো রোজ।
সকলে পাঠাক পরস্পরকে ডাক,
যে ফেরেনি, আমি নিয়েছি তো তার খোঁজ?
জাগা যে অসহ। তাই ঘুমে চলে যাও।
যারা আছি, যেন বেঁধে নিতে পারি সাঁকো…
জানি দুষ্কর, বলতে চাইছি তাও –
বিপদের দিনে বন্ধুকে কাছে রাখো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

যারা চলে গেলো তাদের জন্য..

আপডেট সময় : ০৯:১৪:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৩

ড. বিরাজলক্ষী ঘোষ-এর ফেসবুক থেকে

 

যারা চলে গেলো তাদের জন্য..

‘চলে গেলে কেন?’– এ-প্রশ্ন করা সোজা।
‘থাকলেই হতো’– এ-কথা বলাও সহজ।
দূর থেকে তবু কিছুতে যায় না বোঝা,
কার বেঁচে থাকা কতখানি ভারবহ।
মুখে মৃদু হাসি লেগে থাকে যতদিন,
আমরা সকলে ধরে নিই, ভাল আছে।
ভিতরে ভিতরে আয়ু হয়ে আসে ক্ষীণ…
কে আর জীবনে বাঁচার জন্য বাঁচে!
ভিড়ের মধ্যে একা হয়ে যাওয়া লোক,
চড়া আলোতেও মনখারাপের ভয়।
চশমার নীচে ঢাকা পড়ে যায় চোখ…
অবসাদ কোনও কুশলকাব্য নয়।
আমরা সকলে বিচারসভার হোতা,
আমরা সকলে সব জানি। সব কিছু।
খালি পা-ই বোঝে, কোথায় পেরেক পোঁতা,
আজও মন তাই মৃত্যুর কাছে নিচু।
যে গেছে, সে নেই। যারা আছে, তারা থাক।
মন খুলে দিক জানলার মতো রোজ।
সকলে পাঠাক পরস্পরকে ডাক,
যে ফেরেনি, আমি নিয়েছি তো তার খোঁজ?
জাগা যে অসহ। তাই ঘুমে চলে যাও।
যারা আছি, যেন বেঁধে নিতে পারি সাঁকো…
জানি দুষ্কর, বলতে চাইছি তাও –
বিপদের দিনে বন্ধুকে কাছে রাখো।