ঢাকা ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজিবি মোতায়েন, ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত মাদারীপুরে বাস অটোরিকশা সংঘর্ষ প্রাণ গেল ৬জনের বাংলাদেশে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যা দিল অন্তর্বর্তী সরকার রমজান সামনে আগেই চড়া বাজার: দামে লাগাম টানতে কড়া নজরদাবি জরুরি বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও এপার-ওপার যাতায়তে আয় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি এখনও তাজা, শহীদ ও আহতরা শুধু সংখ্যার অংশ নয় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক

বাংলাদেশের নতুন সম্ভাবনা নিয়ে এক সঙ্গে কাজ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ১৭৯ বার পড়া হয়েছে

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ছবি: সংগৃহীত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশের নতুন নতুন সম্ভাবনাগুলো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করতে চায়। তারা বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে চায়। বৃহস্পতিবার সিলেটে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ড. মোমেন।

এসময় তিনি বলেন, গত কয়েক মাসে ধারাবাহিকভাবে আমেরিকার উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি আসছে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য। শুধু সেটা না, তারা দাওয়াত দিয়েছে সেদেশে গিয়ে তাদের নেতাদের সঙ্গে আলাপ করার জন্য। এটা সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের যে বৈদেশিক নীতি, ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নই’ আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ়তার জন্য।

ড. মোমেন বলেন, আমরা খুব ভাগ্যবান যে, অনেক দেশের নামজাদা কূটনীতিকরা এসেছেন। আমেরিকার সাতজন সিনিয়র কূটনীতিক এসেছেন। সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার জন্য তাদের সঙ্গে খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। যতো ভুল বোঝাবুঝি আছে, সব দূর করে এখন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত শক্ত ভিত্তির ওপর রয়েছে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গে ড. মোমেন বলেন, সব রোহিঙ্গা ফেরত যাবে বলে মনে হয় না। বিদেশিদের বলেছি-কিছু আপনারা নেন না কেন? তো তারা নেওয়া শুরু করেছেন। তারা আরও নেবে। আমেরিকা নেবে, কানাডা নেবে অন্যান্য দেশকেও নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছি। আমরা চাই রোহিঙ্গারা তাদের দেশে ফিরে যাক। যুক্তরাষ্ট্র এ ব্যাপারে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছে।

করোনা সংক্রমণের সময়কার সফলতার প্রসঙ্গ টেনে বাংলাদেশকে ‘মিরাকল দেশ’ হিসেবে উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, এই মিরাকল দেশের সঙ্গে তারা (আমেরিকানরা) সুসম্পর্ক রাখতে চায়। কারণ, এখানে নতুন নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষ দূতের সফর সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সবচেয়ে উন্নয়নশীল। মানে র‌্যাপিডলি ডেভেলপিং কান্ট্রি। এখানে বহু ধরনের সুযোগ-সুবিধার সৃষ্টি হয়েছে। সেগুলোতে একসঙ্গে কাজ করতে পারে, সেজন্য তিনি এসেছেন।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের সফর সম্পর্কে ড. মোমেন বলেন, তিনিও একই বার্তা নিয়ে এসেছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার জন্য। আমাদের প্রশংসা করেছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন।

এছাড়া কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) শিক্ষার্থীদের অরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন।

ড. মো. মোস্তফা সামছুজ্জামান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ও রূপালী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আহমদ আল কবির।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশের নতুন সম্ভাবনা নিয়ে এক সঙ্গে কাজ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৯:২৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশের নতুন নতুন সম্ভাবনাগুলো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করতে চায়। তারা বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে চায়। বৃহস্পতিবার সিলেটে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ড. মোমেন।

এসময় তিনি বলেন, গত কয়েক মাসে ধারাবাহিকভাবে আমেরিকার উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি আসছে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য। শুধু সেটা না, তারা দাওয়াত দিয়েছে সেদেশে গিয়ে তাদের নেতাদের সঙ্গে আলাপ করার জন্য। এটা সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের যে বৈদেশিক নীতি, ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নই’ আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ়তার জন্য।

ড. মোমেন বলেন, আমরা খুব ভাগ্যবান যে, অনেক দেশের নামজাদা কূটনীতিকরা এসেছেন। আমেরিকার সাতজন সিনিয়র কূটনীতিক এসেছেন। সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার জন্য তাদের সঙ্গে খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। যতো ভুল বোঝাবুঝি আছে, সব দূর করে এখন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত শক্ত ভিত্তির ওপর রয়েছে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গে ড. মোমেন বলেন, সব রোহিঙ্গা ফেরত যাবে বলে মনে হয় না। বিদেশিদের বলেছি-কিছু আপনারা নেন না কেন? তো তারা নেওয়া শুরু করেছেন। তারা আরও নেবে। আমেরিকা নেবে, কানাডা নেবে অন্যান্য দেশকেও নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছি। আমরা চাই রোহিঙ্গারা তাদের দেশে ফিরে যাক। যুক্তরাষ্ট্র এ ব্যাপারে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছে।

করোনা সংক্রমণের সময়কার সফলতার প্রসঙ্গ টেনে বাংলাদেশকে ‘মিরাকল দেশ’ হিসেবে উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, এই মিরাকল দেশের সঙ্গে তারা (আমেরিকানরা) সুসম্পর্ক রাখতে চায়। কারণ, এখানে নতুন নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষ দূতের সফর সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সবচেয়ে উন্নয়নশীল। মানে র‌্যাপিডলি ডেভেলপিং কান্ট্রি। এখানে বহু ধরনের সুযোগ-সুবিধার সৃষ্টি হয়েছে। সেগুলোতে একসঙ্গে কাজ করতে পারে, সেজন্য তিনি এসেছেন।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের সফর সম্পর্কে ড. মোমেন বলেন, তিনিও একই বার্তা নিয়ে এসেছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার জন্য। আমাদের প্রশংসা করেছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন।

এছাড়া কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) শিক্ষার্থীদের অরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন।

ড. মো. মোস্তফা সামছুজ্জামান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ও রূপালী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আহমদ আল কবির।