Royal Bengal Tiger : বাঘ আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটান সুন্দরবন সংলগ্ন ১১ গ্রামের বাসিন্দা
- আপডেট সময় : ০৭:৩০:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ১৭১ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিনিধি
সুন্দরবন সংলগ্ন ১১টি গ্রামের অবস্থান শরণখোলা ও মোরেলগঞ্জে। সুন্দরবন লাগোয়া এলাকার আশপাশের একিাধিক খান নাব্য সংকটে। রাতের বেলা সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার অনায়াসে এসব খাল পারি দিয়ে ঢুকে পড়ে লোকালয়ে। হামলে গবাদি পশুর ওপর। সম্প্রতি একটি গরু ও একটি ছাগল মারার ঘটনা ঘটেছে।
নতুন করে ফের বাঘ আতঙ্কে ১১গ্রামের মানুষ। বাঘ আতঙ্ক তাড়া করছে সুন্দরবন সংলগ্ন ১১গ্রামের মানুষকে। হিংস্র বাঘের আক্রমণের শিকার হচ্ছে গরু-মহিষ। সন্ধ্যা নেমে আসার আগেই গ্রামের রাস্তাঘাট জনশূন্য হয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় দোকানপাট। এর আগে শুক্র-শনিবার তিনটি বাঘ লোকালয়ে বেড়িয়ে এসেছিল। বাঘ আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন বাংলাদেশের সুন্দরবন সংলগ্ন শরখোলা-মোরেলগঞ্জের ১১ গ্রামের মানুষ।
লোকালয়ে বাঘের আনাগোনা ঠেকাতে বনের পাশে নাইলনের ফেন্সিংবেড়া নির্মাণের কথা জানিয়েছে বন বিভাগ। জানা গিয়েছে, পূর্ব সুন্দরবন সংলগ্ন শরণখোলা, পানিরঘাট, সোনাতলা, রসুলপুর, দক্ষিণ রাজাপুর, উত্তর রাজাপুর, পশ্চিমরাজাপুরসহ আশেপাশের গ্রামগুলোতে সন্ধ্যা হলেই নেমে আসে সুনশান নীরবতা। বন্ধ হয়ে যায় মানুষের চলাচল। সোনাতলা গ্রামের বাসিন্দরা জানিয়েছেন, বনের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ভোলা নদী এখন নাব্য সংকটে।

সরু খাল পেরিয়ে রাতের বেলা লোকালয়ে বাঘ এসে গবাদি পশুর ক্ষতিসাধন করছে। সম্প্রতি ছাগল ও গরু মেরে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। আতঙ্কের মধ্যেই রাতের বেলা পাহারায় নামের গ্রামবাসী। সুন্দরবন বিভাগের খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার জানিয়েছেন,
৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে তিন বছর মেয়াদী সুন্দরবনে বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় বন্যপ্রাণী ও বন সুরক্ষায় কয়েকটি কর্মসূচির মধ্যে লোকালয়ে বন্যপ্রাণী প্রবেশ ঠেকাতে নাইলনের ফেন্সীংবেড়া দেওয়াসহ আরও অনেক কাজ প্রধান্য দেওয়া হয়েছে। এখন সুন্দরবনে বাঘ গণনার কাজ চলছে। শিগগিরই ফেন্সিংবেড়া নির্মাণের কাজ শুরু হবে।




















