Ekushey Book Fair : পাঠকের পদচারণায় মুখর একুশে বইমেলা
- আপডেট সময় : ১১:০৩:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ২০৫ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
শিশুদের পদচারণায় মুখর ছুটির দিনে বইমেলা। মা-বাবার হাত ভাষামাসের বইমেলায় এসেছে কঁচিকাচার দল। তাদের সামলে হিমশিমখাচ্ছেন মা-বাবা।
স্টলে স্টলে ছুটছৈ তারা। কচি মনে পছন্দের বই দেখিয়ে বায়না ধরছে এটি তার চাই। মা-বাবাও সন্তানের বায়না পূরণ করছেন।
একুশে বইমেলার তৃতীয় দিনে ছিল মানব ঢল। অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে, সাড়ে ১১টা ফুট জায়গা জুড়ে অনুষ্ঠিত বইমেলা আরও প্রসস্ত হলে ভালো হতো।
করোনাকাল পেরিয়ে এবারের বইমেলা ঘিরে প্রত্যাশা অনেক। বিদায়ী বছরে লেখক পাঠক, প্রকাশক কেউ বইমেলার আমেজ উপভোগ করতে পারেননি। এবারে সেই প্রত্যাশার জায়গাটি পাওয়া মিলবে এমনটিই জানালেন বিশিষ্ট লেখক, প্রবন্ধিক, গল্পকার-কবি ও সমাজচিন্তিক শেলী সেনগুপ্ত। এখন পর্যন্ত ৪৫টি বই প্রকাশিত হয়েছে লেখিকার।
বাঙলা একাডেমি চত্বরে স্থান সংকুলান না হওয়ায় কয়েক বঠর ধরেই মেলা আয়োজন হচ্ছে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। এই ময়দানে দাড়িয়ে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির উদ্দেশ্যে তার দিক নির্দেশামূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন। ৯মাস মুক্তি যুদ্ধের মাধ্যমে ১৬ ডিসেম্বর পরাজিত পাকিস্তানি বাহিনী এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই আত্মসমর্পন দলিলে স্বাক্ষর করেছি।
স্বাধীন বাংলাদেশ সফরে এসে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধি এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই বক্তৃতা রেখেছিলেন। সেই ইতিহাসখ্যাত স্থানেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাঙারির প্রাণের মেলা অমর একুমে বই মেলা।
মেলায় শিশু চত্বর ঘিরে শিশুতোষ বইয়ের স্টল। ছুটির দিনে বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত শিশুপ্রহর। দুপুরের পর থেকেই মেলায় ভিড় বাড়তে থাকে। দুপুর গড়িয়ে বিকাল নাগাদ মেলাপ্রঙ্গণ টইটম্বুর।
বই বেচাকেনা তেমন জমে না ওঠলেও পাঠকের পদচারণায় মুখরিত মেলা। মেলা ঘুরে পছন্দের বই দেখছেন অনেকে।
করোনার পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বৈম্বিক মন্দার মধ্যে বই প্রকাশের সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছেন অনেক প্রকাশক। তবে তাদের আশা বই বেচাকেনা বাড়বে।




















