ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচিত হলে ‘নবিজির ন্যায়ের’ ভিত্তিতে দেশ পরিচালনার অঙ্গীকার তারেক রহমানের যে কারণে  সিলেট থেকেই বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে পুণ্যভূমি সিলেট থেকে নির্বাচনী মাঠে নামলেন তারেক রহমান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের নতুন অভিযাত্রা বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে আইসিসির সিদ্ধান্ত এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত ইউএপির দুই শিক্ষককে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ইস্যুতে আজ কী সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি? ২২ জানুয়ারী মওলানা ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫৪তম বার্ষিকী বাংলাদেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংক থাকলেই যথেষ্ট: কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর মব সৃষ্টি করে জনমত প্রভাবিত করার দিন আর নেই: জামায়াত আমির

Silent Spring : নীরব বসন্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০০:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩ ৪৮৩ বার পড়া হয়েছে

ড. বিরাজলক্ষী ঘোষ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাসন্তীর আবাহনে বসন্ত জাগ্রত দ্বারে।কিন্তু একদিন যদি বসন্ত আর না আসে?যদি শিমুল পলাশ না ফোটে বা কোকিলের কুহু কুহু সুরে গান আর না শোনা যায়?কি হবে তবে?এই অনুবাদ তাকে তুলে ধরার প্রয়াস।আগামীতে বই রূপে প্রকাশের আশায়..

একটি উপকথা আগামীর জন্য 

চিত্রণ: শিক্ষণ মন্দিরের পড়ুয়াদের দেওয়াল পত্রিকা শ্বেতবীণায় প্রকাশিত

 

ড. বিরাজলক্ষ্মী ঘোষ

কখনও আমেরিকার কেন্দ্রস্থলে একটি শহর ছিল যেখানকার সমগ্র জীবনযাত্রা ছিল তার পারিপার্শ্বিক পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। শহরটি যেন সব দিক থেকে সমৃদ্ধির ঘেরাটোপের মাঝে অবস্থান করছিল এবং খামার, শস্যের ক্ষেত ,বাগান ও পাহাড়ের ধারে সেখানে বসন্তে ফুলের সমারোহে ছিল..সাদা মেঘ,সবুজ মাঠের উপরে ভেসে বেড়াত। শরৎ এ ওক এবং ম্যাপেল এবং বার্চ অবস্থান পাইনের পটভূমি জুড়ে এবং অগ্নিভ বিচ্ছুরণ ঘটাতো। তারপর শেয়ালের হুংকার শোনা যেত পাহাড় জুড়ে আর নীরবে হরিণ চরত, পড়ন্ত সকালের কুয়াশায় অর্ধেক লুকানো তৃণময় প্রান্তরে।

রাস্তার ধারে, লরেল, ভাইবার্নাম এবং অ্যাল্ডার, দুর্দান্ত ফার্ন এবং বন্য ফুল ভ্রমণকারীদের চক্ষুকে উৎফুল্ল করত বছরের অনেকটা সময় জুড়ে। শীতকালেও রাস্তার ধারগুলো ছিল সৌন্দর্যের আস্তানা, যেখানে তুষারে জেগে থাকা শুকনো আগাছার বীজের মাথার উপর এবং বেরিগুলিতে অগণিত পাখি খেতে আসত।

গ্রামাঞ্চল প্রকৃতপক্ষে তার পাখির প্রাচুর্য এবং বৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত ছিল, এবং যখন অভিবাসী পাখিদের বন্যা বসন্ত শরৎকালকে প্লাবিত করে দিয়েছিল তখন বহুদূরের ভ্রমণ পিপাসুরা আসত তাদের পর্যবেক্ষণ করার জন্য। অন্যরা স্রোতে মাছ ধরতে আসত, যা স্বচ্ছ এবং ঠান্ডা ধারায় প্রবাহিত ছিল পাহাড়ের থেকে ছায়াময় জলাশয় গুলিতে যেখানে ট্রাউট মাছের বসতি ছিল। এটা অনেক বছর আগে থেকেই ছিল যখন প্রথম বসতি স্থাপনকারীরা তাদের ঘর তুলেছিল, তাদের কূপ খনন করেছিল এবং তাদের শস্যাগার তৈরি করেছিল জীবন যাপনের জন্য।

তারপরে এলাকায় একটি অদ্ভুত আগাছার রোগ ছড়িয়ে পড়ে এবং সবকিছু বদলে যেতে শুরু করে। যেন কিছু খারাপ মন্ত্র ছিল

সম্প্রদায়ের উপর চেপে বসেছিল: রহস্যময় রোগ মুরগির ঝাঁকের উপর ঝর বইয়ে দিল; গবাদি পশু এবংভেড়ারা অসুস্থ হয়ে মারা গেল। সর্বত্র ছিল মৃত্যুর ছায়া। কৃষকরা অনেক কথা বলেছেন,

তাদের পরিবারের মধ্যে অসুস্থতা। শহরে ডাক্তাররা আরও বেশি বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল

তাদের রোগীদের মধ্যে নতুন ধরনের অসুস্থতা দেখা দেওয়াকে কেন্দ্র করে।এদের মধ্যে বেশ কিছু মৃত্যু ছিল হঠাৎ, অপ্রত্যাশিত এবং

ব্যাখ্যাতীত মৃত্যু, শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে নয়, এমনকি শিশুদের মধ্যেও, যারা

খেলার সময় হঠাৎ করে আঘাত পেয়েছিল এবং কয়েক ঘন্টার মধ্যে মারা গিয়েছিল।

গোটা শহরে অদ্ভুত নিস্তব্ধতা বিরাজমান ছিল। এত পাখি, তারা কোথায় গিয়েছিল? অনেক মানুষ

তাদের কথা বলেন এবং, বিভ্রান্ত এবং বিরক্ত বোধ করেন। বাড়ির পিছনের দিকের তাদের খাবার স্থান গুলি জনশূন্য ছিল।

কোথাও দেখা পাওয়া কয়েকটি পাখি মৃতবৎ ছিল; তারা ভীষণ মাত্রায় কম্পমান এবং উড়তে পারত না। এটা ছিলো একটি

কণ্ঠ ছাড়া নীরব বসন্ত। একদা যে ভোর রবিনদের কল্লোলে কম্পিত হয়েছিল,

ক্যাটবার্ড, ঘুঘু, জয়াস, অরেন্স, এবং অন্যান্য পাখির কণ্ঠে মুখরিত ছিল এখন সেখানে কোন শব্দ ছিল না; কেবল ক্ষেত-জঙ্গল ও জলাভূমিতে অদ্ভুত নীরবতা বিরাজ করছে।

খামারে মুরগির ডিম ফুটেছে, কিন্তু কোনো ছানা ফোটেনি। কৃষকদের অভিযোগ ছিল, তারা কোন শূকর পালন করতে অক্ষম- কারণ তাদের ছানাগুলি ছোট ছিল এবং সল্পায়ু মাত্র কয়েক দিন বেঁচে ছিল।

আপেল গাছে ফুল ফুটেছিল কিন্তু ফুলের মধ্যে কোন মৌমাছি মধু চয়ন করেনি, তাই ছিল না

পরাগায়ন আর ফলও হয়নি। রাস্তার ধার,যা একসময় এত আকর্ষণীয় ছিল, এখন সেখানে সারিবদ্ধ বাদামী এবং শুকনো গাছপালা যেন সেগুলি আগুনে পুড়ে গেছে। এগুলিও ছিল নীরব, নির্জন ।সকল জীবিত জিনিস. এমনকি স্রোতও যেন নিষ্প্রাণ ছিল। বড়শি নিয়ে কেউ আর তাদের পরিদর্শনে আসত না, সব

মাছ মারা গিয়েছিল।

ছাদের আলসের নিচের নর্দমায় এবং ছাদের খাঁজের মাঝখানে সাদা দানাদার পাউডার

প্যাচ দেখা গিয়েছিল; কয়েক সপ্তাহ আগে ছাদের ওপর এগুলো যেন তুষারপাতের মতো পড়েছিল

লন, খেত এবং প্রবাহ গুলির উপরে।

না ..কোনো জাদুবিদ্যা, বা কোনো শত্রু কর্ম নতুনের পুনর্জন্মকে স্তব্ধ করে দেয়নি এই বিপর্যস্ত পৃথিবীতে ।এটি মানুষ নিজেরাই করেছে।

. . .এই শহরটি আসলে বিদ্যমান নেই, তবে এইরকমটা হাজার হাজার অংশ সহজেই থাকতে পারে আমেরিকা বা বিশ্বের অন্য কোথাও। আমি সত্যিই এমন কোন সম্প্রদায়ের কথা জানি না যারা এমন সমস্ত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে যে দুর্ভাগ্য আমি বর্ণনা করলাম। তবুও এই সকল বিপর্যয় আসলেই কোথাও না কোথাও ঘটতে যাচ্ছে, এবং

অনেক বাস্তব সম্প্রদায় ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। একটি ভয়ঙ্কর ভূত

প্রায় অলক্ষ্যে আমাদের উপর অঘোষিত ভাবে বিস্তার লাভ করছে, এবং এই কল্পিত ট্র্যাজেডি সহজেই একটি কঠোর রূপ ধারণ করতে পারে। এটি একটি বাস্তবতা যা আমাদের সবাইকে জানতে হবে।

যা ইতিমধ্যেই বসন্তের কণ্ঠকে স্তব্ধ করে দিয়েছে আমেরিকার অসংখ্য শহরে? এই বইটি সেটি ব্যাখ্যা করার একটি প্রয়াস।

মূল গ্রন্থ:

Silent Spring

Rachel Carson

ড. বিরাজলক্ষী ঘোষের ফেসবুক থেকে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Silent Spring : নীরব বসন্ত

আপডেট সময় : ০৮:০০:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩

বাসন্তীর আবাহনে বসন্ত জাগ্রত দ্বারে।কিন্তু একদিন যদি বসন্ত আর না আসে?যদি শিমুল পলাশ না ফোটে বা কোকিলের কুহু কুহু সুরে গান আর না শোনা যায়?কি হবে তবে?এই অনুবাদ তাকে তুলে ধরার প্রয়াস।আগামীতে বই রূপে প্রকাশের আশায়..

একটি উপকথা আগামীর জন্য 

চিত্রণ: শিক্ষণ মন্দিরের পড়ুয়াদের দেওয়াল পত্রিকা শ্বেতবীণায় প্রকাশিত

 

ড. বিরাজলক্ষ্মী ঘোষ

কখনও আমেরিকার কেন্দ্রস্থলে একটি শহর ছিল যেখানকার সমগ্র জীবনযাত্রা ছিল তার পারিপার্শ্বিক পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। শহরটি যেন সব দিক থেকে সমৃদ্ধির ঘেরাটোপের মাঝে অবস্থান করছিল এবং খামার, শস্যের ক্ষেত ,বাগান ও পাহাড়ের ধারে সেখানে বসন্তে ফুলের সমারোহে ছিল..সাদা মেঘ,সবুজ মাঠের উপরে ভেসে বেড়াত। শরৎ এ ওক এবং ম্যাপেল এবং বার্চ অবস্থান পাইনের পটভূমি জুড়ে এবং অগ্নিভ বিচ্ছুরণ ঘটাতো। তারপর শেয়ালের হুংকার শোনা যেত পাহাড় জুড়ে আর নীরবে হরিণ চরত, পড়ন্ত সকালের কুয়াশায় অর্ধেক লুকানো তৃণময় প্রান্তরে।

রাস্তার ধারে, লরেল, ভাইবার্নাম এবং অ্যাল্ডার, দুর্দান্ত ফার্ন এবং বন্য ফুল ভ্রমণকারীদের চক্ষুকে উৎফুল্ল করত বছরের অনেকটা সময় জুড়ে। শীতকালেও রাস্তার ধারগুলো ছিল সৌন্দর্যের আস্তানা, যেখানে তুষারে জেগে থাকা শুকনো আগাছার বীজের মাথার উপর এবং বেরিগুলিতে অগণিত পাখি খেতে আসত।

গ্রামাঞ্চল প্রকৃতপক্ষে তার পাখির প্রাচুর্য এবং বৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত ছিল, এবং যখন অভিবাসী পাখিদের বন্যা বসন্ত শরৎকালকে প্লাবিত করে দিয়েছিল তখন বহুদূরের ভ্রমণ পিপাসুরা আসত তাদের পর্যবেক্ষণ করার জন্য। অন্যরা স্রোতে মাছ ধরতে আসত, যা স্বচ্ছ এবং ঠান্ডা ধারায় প্রবাহিত ছিল পাহাড়ের থেকে ছায়াময় জলাশয় গুলিতে যেখানে ট্রাউট মাছের বসতি ছিল। এটা অনেক বছর আগে থেকেই ছিল যখন প্রথম বসতি স্থাপনকারীরা তাদের ঘর তুলেছিল, তাদের কূপ খনন করেছিল এবং তাদের শস্যাগার তৈরি করেছিল জীবন যাপনের জন্য।

তারপরে এলাকায় একটি অদ্ভুত আগাছার রোগ ছড়িয়ে পড়ে এবং সবকিছু বদলে যেতে শুরু করে। যেন কিছু খারাপ মন্ত্র ছিল

সম্প্রদায়ের উপর চেপে বসেছিল: রহস্যময় রোগ মুরগির ঝাঁকের উপর ঝর বইয়ে দিল; গবাদি পশু এবংভেড়ারা অসুস্থ হয়ে মারা গেল। সর্বত্র ছিল মৃত্যুর ছায়া। কৃষকরা অনেক কথা বলেছেন,

তাদের পরিবারের মধ্যে অসুস্থতা। শহরে ডাক্তাররা আরও বেশি বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল

তাদের রোগীদের মধ্যে নতুন ধরনের অসুস্থতা দেখা দেওয়াকে কেন্দ্র করে।এদের মধ্যে বেশ কিছু মৃত্যু ছিল হঠাৎ, অপ্রত্যাশিত এবং

ব্যাখ্যাতীত মৃত্যু, শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে নয়, এমনকি শিশুদের মধ্যেও, যারা

খেলার সময় হঠাৎ করে আঘাত পেয়েছিল এবং কয়েক ঘন্টার মধ্যে মারা গিয়েছিল।

গোটা শহরে অদ্ভুত নিস্তব্ধতা বিরাজমান ছিল। এত পাখি, তারা কোথায় গিয়েছিল? অনেক মানুষ

তাদের কথা বলেন এবং, বিভ্রান্ত এবং বিরক্ত বোধ করেন। বাড়ির পিছনের দিকের তাদের খাবার স্থান গুলি জনশূন্য ছিল।

কোথাও দেখা পাওয়া কয়েকটি পাখি মৃতবৎ ছিল; তারা ভীষণ মাত্রায় কম্পমান এবং উড়তে পারত না। এটা ছিলো একটি

কণ্ঠ ছাড়া নীরব বসন্ত। একদা যে ভোর রবিনদের কল্লোলে কম্পিত হয়েছিল,

ক্যাটবার্ড, ঘুঘু, জয়াস, অরেন্স, এবং অন্যান্য পাখির কণ্ঠে মুখরিত ছিল এখন সেখানে কোন শব্দ ছিল না; কেবল ক্ষেত-জঙ্গল ও জলাভূমিতে অদ্ভুত নীরবতা বিরাজ করছে।

খামারে মুরগির ডিম ফুটেছে, কিন্তু কোনো ছানা ফোটেনি। কৃষকদের অভিযোগ ছিল, তারা কোন শূকর পালন করতে অক্ষম- কারণ তাদের ছানাগুলি ছোট ছিল এবং সল্পায়ু মাত্র কয়েক দিন বেঁচে ছিল।

আপেল গাছে ফুল ফুটেছিল কিন্তু ফুলের মধ্যে কোন মৌমাছি মধু চয়ন করেনি, তাই ছিল না

পরাগায়ন আর ফলও হয়নি। রাস্তার ধার,যা একসময় এত আকর্ষণীয় ছিল, এখন সেখানে সারিবদ্ধ বাদামী এবং শুকনো গাছপালা যেন সেগুলি আগুনে পুড়ে গেছে। এগুলিও ছিল নীরব, নির্জন ।সকল জীবিত জিনিস. এমনকি স্রোতও যেন নিষ্প্রাণ ছিল। বড়শি নিয়ে কেউ আর তাদের পরিদর্শনে আসত না, সব

মাছ মারা গিয়েছিল।

ছাদের আলসের নিচের নর্দমায় এবং ছাদের খাঁজের মাঝখানে সাদা দানাদার পাউডার

প্যাচ দেখা গিয়েছিল; কয়েক সপ্তাহ আগে ছাদের ওপর এগুলো যেন তুষারপাতের মতো পড়েছিল

লন, খেত এবং প্রবাহ গুলির উপরে।

না ..কোনো জাদুবিদ্যা, বা কোনো শত্রু কর্ম নতুনের পুনর্জন্মকে স্তব্ধ করে দেয়নি এই বিপর্যস্ত পৃথিবীতে ।এটি মানুষ নিজেরাই করেছে।

. . .এই শহরটি আসলে বিদ্যমান নেই, তবে এইরকমটা হাজার হাজার অংশ সহজেই থাকতে পারে আমেরিকা বা বিশ্বের অন্য কোথাও। আমি সত্যিই এমন কোন সম্প্রদায়ের কথা জানি না যারা এমন সমস্ত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে যে দুর্ভাগ্য আমি বর্ণনা করলাম। তবুও এই সকল বিপর্যয় আসলেই কোথাও না কোথাও ঘটতে যাচ্ছে, এবং

অনেক বাস্তব সম্প্রদায় ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। একটি ভয়ঙ্কর ভূত

প্রায় অলক্ষ্যে আমাদের উপর অঘোষিত ভাবে বিস্তার লাভ করছে, এবং এই কল্পিত ট্র্যাজেডি সহজেই একটি কঠোর রূপ ধারণ করতে পারে। এটি একটি বাস্তবতা যা আমাদের সবাইকে জানতে হবে।

যা ইতিমধ্যেই বসন্তের কণ্ঠকে স্তব্ধ করে দিয়েছে আমেরিকার অসংখ্য শহরে? এই বইটি সেটি ব্যাখ্যা করার একটি প্রয়াস।

মূল গ্রন্থ:

Silent Spring

Rachel Carson

ড. বিরাজলক্ষী ঘোষের ফেসবুক থেকে