ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

Jamaat : বিএনপির যুগপৎ কর্মসূচিতে অংশ না নিয়ে আলাদা অনুষ্ঠানে জামায়াত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২১:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৩ ৩৬১ বার পড়া হয়েছে

জামায়াতে ইসলামীর আলোচনা সভা : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, সরকারের পদত্যাগ ও সংসদ বিলুপ্তসহ ১০ দফা দাবি নিয়ে সমমনা দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনের ডাক দেয় বিএনপি। তারই অংশ হিসাবে গণ-অবস্থান কর্মসূিচ পালন করে বিএনপি। কিন্তু তাদের এই গণ-অবস্থানে যোগ না দিয়ে আলাদা ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালন করে অন্যতম মিত্র জামায়াতে ইসলাম। এটা স্রেফ রাজনৈতিক স্ট্যান্ডবাজী না দৃষ্টি ফিরিয়ে নেবার চক তা সন্দেহ পোষণ করছেন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা। তারা অভিন্ন কর্মসূচি পালন না করে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ কর্মসূচি কেন, তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

বিদায়ী বছরের শেষের দিকে সমমনা দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। তার অংশ হিসেবে ৩০ ডিসেম্বরের গণমিছিল। সেদিন ঢাকায় জামায়াতও একই কর্মসূচি পালন কালে কয়েক স্থানে জামায়াতের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এরপর বিএনপির গণ-অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ না নিয়ে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচনায় জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে বলে ঘোষণা করেন। সাবেক সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারি করেন। সেই দিন থেকেই দিনটি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে জামায়াত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Jamaat : বিএনপির যুগপৎ কর্মসূচিতে অংশ না নিয়ে আলাদা অনুষ্ঠানে জামায়াত

আপডেট সময় : ০৮:২১:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, সরকারের পদত্যাগ ও সংসদ বিলুপ্তসহ ১০ দফা দাবি নিয়ে সমমনা দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনের ডাক দেয় বিএনপি। তারই অংশ হিসাবে গণ-অবস্থান কর্মসূিচ পালন করে বিএনপি। কিন্তু তাদের এই গণ-অবস্থানে যোগ না দিয়ে আলাদা ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালন করে অন্যতম মিত্র জামায়াতে ইসলাম। এটা স্রেফ রাজনৈতিক স্ট্যান্ডবাজী না দৃষ্টি ফিরিয়ে নেবার চক তা সন্দেহ পোষণ করছেন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা। তারা অভিন্ন কর্মসূচি পালন না করে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ কর্মসূচি কেন, তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

বিদায়ী বছরের শেষের দিকে সমমনা দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। তার অংশ হিসেবে ৩০ ডিসেম্বরের গণমিছিল। সেদিন ঢাকায় জামায়াতও একই কর্মসূচি পালন কালে কয়েক স্থানে জামায়াতের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এরপর বিএনপির গণ-অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ না নিয়ে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচনায় জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে বলে ঘোষণা করেন। সাবেক সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারি করেন। সেই দিন থেকেই দিনটি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে জামায়াত।