ঢাকা ০৭:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচিত হলে ‘নবিজির ন্যায়ের’ ভিত্তিতে দেশ পরিচালনার অঙ্গীকার তারেক রহমানের যে কারণে  সিলেট থেকেই বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে পুণ্যভূমি সিলেট থেকে নির্বাচনী মাঠে নামলেন তারেক রহমান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের নতুন অভিযাত্রা বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে আইসিসির সিদ্ধান্ত এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত ইউএপির দুই শিক্ষককে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ইস্যুতে আজ কী সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি? ২২ জানুয়ারী মওলানা ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫৪তম বার্ষিকী বাংলাদেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংক থাকলেই যথেষ্ট: কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর মব সৃষ্টি করে জনমত প্রভাবিত করার দিন আর নেই: জামায়াত আমির

flood: বাংলাদেশে কেন বন্যা হয়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৭:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুন ২০২২ ৪১২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

‘এবারে ভারীবর্ষণ ও ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কাবার্তা আগেই ছিল’

‘বিশ্বের সবচেয়ে বৃষ্টি প্রবণ এলাকা ভারতের চেরাপুঞ্জি। যেটির অবস্থান বাংলাদেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উজানে। সেখানে ১২২ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গে ২৪ ঘণ্টায় ৯৭২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। যা কিনা এক দিনে তৃতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত। গত তিন দিনে সেখানে প্রায় আড়াই হাজার মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। যা কিনা গত ২৭ বছরের মধ্যে তিন দিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের নজির। চেরাপুঞ্জিতে আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৫০ মিলিমিটার এবং গুয়াহাটিতে ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে, সেই জল নেমে আসবে ভাটি অঞ্চল বাংলাদেশের উত্তর, উত্তরপূর্বাঞ্চলে’

আমিনুল হক, ঢাকা

ভৌগোলিক ভাবে বাংলাদেশের অবস্থান, ভূতাত্তিক গঠন অতিরিক্ত জনসংখ্যার কারণে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্যোগপ্রবণ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ এলাকার এই দেশটি ওপর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত বিভিন্ন উপনদীর কারণে প্রায় প্রতি বছরই বর্ষামৌসুমে ছোট থেকে মাঝারি আকারের বন্যা দেখা দেয়। ছোট বড় প্রায় ২৩০টি নদী বয়ে গেছে দেশটির ভেতর দিয়ে। বর্ষাকালে বৃষ্টি ও হিমালয়ের বরফগলা জল দেশটির প্রধান নদী ও শাখা নদীতে তুলনামূলকভাবে বেশি প্রবাহিত হবার কারণে বন্যা দেখা দেয়।

এবারে অতিবর্ষণ ও বন্যা নিয়ে মে মাসের শেষের দিকে শঙ্কাবার্তা এসেছিলো সাউথ এশিয়ান ক্লাইমেট আউটলুক ফোরাম ও ওয়ার্ল্ড মেটিওরলজিক্যাল অরগানাইজেশন তরফে। কি বলেছিল তারা? সংস্থা দু’টো তাদের ব্যাখ্যায় বলেছিলো, এবারের চলতি মৌসুমে দক্ষিণ এশিয়ায় ‘জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত’ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। অপর সংস্থা ওয়ার্ল্ড মেটিওরলজিক্যাল অরগানাইজেশন বার্তা ছিলো, ‘দক্ষিণ এশিয়ায় চলতি বর্ষামৌসুমে তথা ‘জুন থেকে সেপ্টেম্বর’ দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর সক্রিয় থাকবে। সেই কারণে ভারীবর্ষণের আশঙ্কা কথা জানিয়েছিলো। আর আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা ‘লা নিনা ও হিমালয়ের হিমবাহ গলনে’ বর্ষামৌসুমে ‘দক্ষিণ এশিয়ায়’ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বন্যার আশঙ্কা করেছিলেন। ১৯৮৮, ১৯৯১ ও ১৯৯৮, ২০০৮ সালে ভয়াবহ বন্যার রেকর্ড রয়েছে বাংলাদেশে।

জলবায়ু সংকট

বন্যার আরও একটি বড় কারণ হচ্ছে, জলবায়ু সংকট। একারণে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় গোটা বিশ্বেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ছে। যে কারণে দুর্যোগের কাল-অকাল বলে এখন আর থাকছে না। বড় আকারের বন্যা কেন ভয়াবহরূপ নিতে পারে, তার কারণ তুলে ধরে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলে বিরাজমান তাপপ্রবাহে হিমালয়ের হিমবাহ গলে যাবার শঙ্কা রয়েছে। আর এই হিমবাহ গলনে স্বাভাবিক বন্যার চেয়ে আকারটা বড় হতে পারে। একই সঙ্গে চলছে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে ‘লা নিনার’ প্রভাব। যা কিনা বন্যার আশঙ্কাকে আরও উচকে দিতে পারে।

উত্তরাজনপদে বন্যার তীব্রতা

উত্তরাঞ্চলে ভয়াবহরূপ নিতে পারে বন্যা। আগামী দুই দিনের মধ্যে বানের জলে ভাসতে পারে উত্তরজনপদের আরও ১৪ জেলা। পদ্মার মূল নদী গঙ্গার উজানে শুরু ভারী বৃষ্টিপাত আরও বাড়ার শঙ্কা। একারণে পদ্মার জল বেড়ে গিয়ে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, চাঁদপুর ও ফরিদপুরে নিম্নাঞ্চলে বন্যা দেখা দিতে পারে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের দীর্ঘমেয়াদি বন্যার পূর্বাভাসে এসব আশঙ্কার কথা তুলে ধরে বলা হয়েছে, দেশের তিন এলাকার বন্যা আরও ৭ থেকে ১০ দিন থাকতে পারে। এরই মধ্যে রাস্তাঘাট শহর ছাপিয়ে বানের জল ঢুকে গিয়েছে সিলেটের বাড়িঘরে। এখানের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি আরও অবণতি ঘটতে পারে।

চেরাপুঞ্জিতে ১২২ বছরের রেকর্ড

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের (আইএমডি) জানিয়েছে, চেরাপুঞ্জি বিশ্বের সবচেয়ে বৃষ্টিপ্রবণ এলাকা। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৭২ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। যা কিনা ১২২ বছরে এক দিনে তৃতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত। গত তিন দিনে সেখানে প্রায় আড়াই হাজার মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। যা কিনা গত ২৭ বছরের মধ্যে তিন দিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের নজির। চেরাপুঞ্জিতে আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৫০ মিলিমিটার এবং গুয়াহাটিতে ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে।

উজানের এই রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টির জল ভাটি অঞ্চল বাংলাদেশের সিলেট বিভাগে প্রবেশ করেছে। তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদের জল দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটছে। বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে বন্যা দেখা দিতে পারে। আগামী তিন দিন ভারত ও বাংলাদেশ অংশে অতি ভারীবর্ষণ হতে পারে এবং কারণে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা করছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

flood: বাংলাদেশে কেন বন্যা হয়

আপডেট সময় : ০৯:৩৭:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুন ২০২২

ছবি সংগ্রহ

‘এবারে ভারীবর্ষণ ও ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কাবার্তা আগেই ছিল’

‘বিশ্বের সবচেয়ে বৃষ্টি প্রবণ এলাকা ভারতের চেরাপুঞ্জি। যেটির অবস্থান বাংলাদেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উজানে। সেখানে ১২২ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গে ২৪ ঘণ্টায় ৯৭২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। যা কিনা এক দিনে তৃতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত। গত তিন দিনে সেখানে প্রায় আড়াই হাজার মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। যা কিনা গত ২৭ বছরের মধ্যে তিন দিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের নজির। চেরাপুঞ্জিতে আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৫০ মিলিমিটার এবং গুয়াহাটিতে ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে, সেই জল নেমে আসবে ভাটি অঞ্চল বাংলাদেশের উত্তর, উত্তরপূর্বাঞ্চলে’

আমিনুল হক, ঢাকা

ভৌগোলিক ভাবে বাংলাদেশের অবস্থান, ভূতাত্তিক গঠন অতিরিক্ত জনসংখ্যার কারণে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্যোগপ্রবণ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ এলাকার এই দেশটি ওপর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত বিভিন্ন উপনদীর কারণে প্রায় প্রতি বছরই বর্ষামৌসুমে ছোট থেকে মাঝারি আকারের বন্যা দেখা দেয়। ছোট বড় প্রায় ২৩০টি নদী বয়ে গেছে দেশটির ভেতর দিয়ে। বর্ষাকালে বৃষ্টি ও হিমালয়ের বরফগলা জল দেশটির প্রধান নদী ও শাখা নদীতে তুলনামূলকভাবে বেশি প্রবাহিত হবার কারণে বন্যা দেখা দেয়।

এবারে অতিবর্ষণ ও বন্যা নিয়ে মে মাসের শেষের দিকে শঙ্কাবার্তা এসেছিলো সাউথ এশিয়ান ক্লাইমেট আউটলুক ফোরাম ও ওয়ার্ল্ড মেটিওরলজিক্যাল অরগানাইজেশন তরফে। কি বলেছিল তারা? সংস্থা দু’টো তাদের ব্যাখ্যায় বলেছিলো, এবারের চলতি মৌসুমে দক্ষিণ এশিয়ায় ‘জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত’ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। অপর সংস্থা ওয়ার্ল্ড মেটিওরলজিক্যাল অরগানাইজেশন বার্তা ছিলো, ‘দক্ষিণ এশিয়ায় চলতি বর্ষামৌসুমে তথা ‘জুন থেকে সেপ্টেম্বর’ দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর সক্রিয় থাকবে। সেই কারণে ভারীবর্ষণের আশঙ্কা কথা জানিয়েছিলো। আর আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা ‘লা নিনা ও হিমালয়ের হিমবাহ গলনে’ বর্ষামৌসুমে ‘দক্ষিণ এশিয়ায়’ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বন্যার আশঙ্কা করেছিলেন। ১৯৮৮, ১৯৯১ ও ১৯৯৮, ২০০৮ সালে ভয়াবহ বন্যার রেকর্ড রয়েছে বাংলাদেশে।

জলবায়ু সংকট

বন্যার আরও একটি বড় কারণ হচ্ছে, জলবায়ু সংকট। একারণে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় গোটা বিশ্বেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ছে। যে কারণে দুর্যোগের কাল-অকাল বলে এখন আর থাকছে না। বড় আকারের বন্যা কেন ভয়াবহরূপ নিতে পারে, তার কারণ তুলে ধরে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলে বিরাজমান তাপপ্রবাহে হিমালয়ের হিমবাহ গলে যাবার শঙ্কা রয়েছে। আর এই হিমবাহ গলনে স্বাভাবিক বন্যার চেয়ে আকারটা বড় হতে পারে। একই সঙ্গে চলছে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে ‘লা নিনার’ প্রভাব। যা কিনা বন্যার আশঙ্কাকে আরও উচকে দিতে পারে।

উত্তরাজনপদে বন্যার তীব্রতা

উত্তরাঞ্চলে ভয়াবহরূপ নিতে পারে বন্যা। আগামী দুই দিনের মধ্যে বানের জলে ভাসতে পারে উত্তরজনপদের আরও ১৪ জেলা। পদ্মার মূল নদী গঙ্গার উজানে শুরু ভারী বৃষ্টিপাত আরও বাড়ার শঙ্কা। একারণে পদ্মার জল বেড়ে গিয়ে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, চাঁদপুর ও ফরিদপুরে নিম্নাঞ্চলে বন্যা দেখা দিতে পারে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের দীর্ঘমেয়াদি বন্যার পূর্বাভাসে এসব আশঙ্কার কথা তুলে ধরে বলা হয়েছে, দেশের তিন এলাকার বন্যা আরও ৭ থেকে ১০ দিন থাকতে পারে। এরই মধ্যে রাস্তাঘাট শহর ছাপিয়ে বানের জল ঢুকে গিয়েছে সিলেটের বাড়িঘরে। এখানের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি আরও অবণতি ঘটতে পারে।

চেরাপুঞ্জিতে ১২২ বছরের রেকর্ড

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের (আইএমডি) জানিয়েছে, চেরাপুঞ্জি বিশ্বের সবচেয়ে বৃষ্টিপ্রবণ এলাকা। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৭২ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। যা কিনা ১২২ বছরে এক দিনে তৃতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত। গত তিন দিনে সেখানে প্রায় আড়াই হাজার মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। যা কিনা গত ২৭ বছরের মধ্যে তিন দিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের নজির। চেরাপুঞ্জিতে আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৫০ মিলিমিটার এবং গুয়াহাটিতে ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে।

উজানের এই রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টির জল ভাটি অঞ্চল বাংলাদেশের সিলেট বিভাগে প্রবেশ করেছে। তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদের জল দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটছে। বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে বন্যা দেখা দিতে পারে। আগামী তিন দিন ভারত ও বাংলাদেশ অংশে অতি ভারীবর্ষণ হতে পারে এবং কারণে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা করছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের।