‘বঙ্গবন্ধুর বিদেশ নীতি আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হয়েছিল’
- আপডেট সময় : ০৮:৫৪:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২২ ২৮০ বার পড়া হয়েছে
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
বঙ্গবন্ধু জীবদ্দশাতেই ‘মূল্যবোধ এবং আদর্শভিত্তিক’ বিদেশনীতির প্রচলন করেছিলেন ‘বৈদেশিক নীতির ক্ষেত্রে তিনি বিশ্বাস রেখেছিলেন ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বিদ্বেষ নয়’
বঙ্গবন্ধু জীবদ্দশাতেই মূল্যবোধ এবং আদর্শভিত্তিক বিদেশনীতির প্রচলন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। যা যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও প্রশংসা এনে দিয়েছিল। স্বাধীনতা লাভের খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্বের অধিকাংশ দেশের স্বীকৃতি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর বিদেশ নীতি জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতেও প্রশংসিত হয়েছিল।
বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের বিদেশনীতির মূলভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন। বৈদেশিক নীতির ক্ষেত্রে তিনি বিশ্বাস রেখেছিলেন ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বিদ্বেষ নয়’-এই কালোত্তীর্ণ মূলমন্ত্রে। বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদ্যাপন উপলক্ষ্যে ঢাকায় আয়োজিত আলোচনাসভায় এসব কথা বলেন বিদেশমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন।
ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন। তার ফিরে আসার মধ্য দিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশের বিজয় পূর্ণতা লাভ করে। এক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের স্বাধীনতার মতোই তাৎপর্যপূর্ণ।
ড. মোমেন আরও বলেন, তিনি যদি ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে না আসতেন, যদি পাকিস্তানি সামরিক জান্তারা তাকে হত্যা করত, তাহলে আমরা আজকের এই বাংলাদেশ পেতাম না। বঙ্গবন্ধুর সমালোচকদের কেউ কেউ এখনো বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানি শাসকদের গ্রেপ্তারের সুযোগ না দিয়ে আত্মপোপন করতে পারতেন। আত্মগোপনে থেকে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিতে পারতেন।
বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন
যারা এ ধরনের কথা বলেন, তারা আসলে সেই সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বঙ্গন্ধুর রাজনৈতিক দূরদর্শিতা সম্পর্কে জানতেন না। ড. মোমেন বলেন, ব্রিটিশ ধাঁচের সংসদীয় গণতান্ত্রিক পদ্ধতি ছিল বঙ্গবন্ধুর পছন্দ। আত্মগোপন না করে গ্রেপ্তার হওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল বঙ্গবন্ধুর জীবনের সবচেয়ে সঠিক সিদ্ধান্তের একটি।
বিদেশমন্ত্রী বলেন, দুর্ভাগ্যক্রমে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হারানোর মধ্য দিয়ে সেই গতিপথ থেকে বিচ্যুত হয়ে গিয়েছিলাম। আজ বঙ্গবন্ধু নেই। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, তার রক্ত যার ধমনীতে, যে রক্ত আপসহীন, যে রক্ত পরাভব মানে না, যে রক্ত হাসিমুখে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে জানে, সেই রক্তের উত্তরাধিকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত সরকার অর্থনৈতিক মুক্তি আনয়ন করে বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ।





















