ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিরীণ বেবীর কবিতা ‘নারী তুমি মানুষ হতে শেখো’ পর্যালোচনা ছাড়াই মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদনের দাবি তিস্তা  প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন মজুদ পর্যাপ্ত, তবু বাজারে তেলের সংকট  মুনাফাখোরদের কারসাজি বাড়ির দরজা খুলেই প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘চলুন, যুদ্ধে যাই’ দেশে নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি ইউনূস জমানায় চুক্তিতে নিয়োগ ৪ কূটনীতিককে ঢাকায় ফেরানো হলো অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে অন্ধকারে: টিআইবি ১০ মাসের সর্বোচ্চে মূল্যস্ফীতি, চাপে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এক বছরে ধর্ষণ মামলা বেড়েছে ২৭ শতাংশ

স্বল্পপাল্লার মিসাইল কিনবে বাংলাদেশ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪১:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১ ২৮৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুগোপযোগী যুদ্ধ সরঞ্জাম সংযোজনের মাধ্যমে ১৩ বছরে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী যথেষ্ট শক্তিশালী ও অগ্রসর হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর জন্য মিডিয়াম রেঞ্জের মিসাইল কেনা হচ্ছে। সার্বভৌমত্ব রক্ষাসহ জাতীয় প্রয়োজনে সেনাবাহিনী সবসময় প্রস্তুত থাকবে এমন প্রত্যাশা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। বুধবার ১০টি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দেয়ার অনুষ্ঠান সম্পন্ন হলো চট্টগ্রাম আর্টিলারি সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে। ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সার্বভৌমত্ব রক্ষাসহ জাতীয় যে কোনো প্রয়োজনে সেনাবাহিনী

সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকবে। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সক্ষমতা বাড়ছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর। বিশেষ করে সেনাবাহিনীতে সম্প্রতি সংযুক্ত মাল্টিপল লঞ্চ রকেট সিস্টেম বা টাইগার এমএলআরএসসহ অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্রের

সংযোজন সমৃদ্ধ করেছে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা। শুধু সমর সরঞ্জাম কেনাই নয়, যুদ্ধের মাঠে এসবের নিখুঁত পরিচালনায় যোগ্য করে গড়ে তোলা হচ্ছে বাহিনীর সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোকেও। এসময় শেখ হাসিনাকে উপস্থিত কর্মকর্তারা সশস্ত্র সালাম জানান। সরকার প্রধানের পক্ষে সামরিক রীতিতে

 

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ১০টি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা বা ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড এবং মুজিব রেজিমেন্ট ও রওশন আরা রেজিমেন্টকে দেয়া হয় সম্মানসূচক নতুন পতাকা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তিন বাহিনীর

আধুনিকায়নে সবকিছুই করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। এ বছরই আরও কিছু যুদ্ধ সরঞ্জাম যোগ হবে বাহিনীতে। জাতীয় নিরাপত্তায় সশস্ত্র বাহিনীর জন্য নিজস্ব টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যুদ্ধের ময়দানে জাতীয় পতাকা একটি মর্যাদার প্রতীক। এই মর্যাদাকে

সমুন্নত রাখার দায়িত্ব সশস্ত্র বাহিনীর। শেখ হাসিনা জানান, প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলা করে মানবতার সেবায় সুনাম অর্জন করছে বাংলাদেশের তিন বাহিনী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

স্বল্পপাল্লার মিসাইল কিনবে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৭:৪১:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১

যুগোপযোগী যুদ্ধ সরঞ্জাম সংযোজনের মাধ্যমে ১৩ বছরে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী যথেষ্ট শক্তিশালী ও অগ্রসর হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর জন্য মিডিয়াম রেঞ্জের মিসাইল কেনা হচ্ছে। সার্বভৌমত্ব রক্ষাসহ জাতীয় প্রয়োজনে সেনাবাহিনী সবসময় প্রস্তুত থাকবে এমন প্রত্যাশা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। বুধবার ১০টি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দেয়ার অনুষ্ঠান সম্পন্ন হলো চট্টগ্রাম আর্টিলারি সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে। ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সার্বভৌমত্ব রক্ষাসহ জাতীয় যে কোনো প্রয়োজনে সেনাবাহিনী

সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকবে। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সক্ষমতা বাড়ছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর। বিশেষ করে সেনাবাহিনীতে সম্প্রতি সংযুক্ত মাল্টিপল লঞ্চ রকেট সিস্টেম বা টাইগার এমএলআরএসসহ অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্রের

সংযোজন সমৃদ্ধ করেছে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা। শুধু সমর সরঞ্জাম কেনাই নয়, যুদ্ধের মাঠে এসবের নিখুঁত পরিচালনায় যোগ্য করে গড়ে তোলা হচ্ছে বাহিনীর সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোকেও। এসময় শেখ হাসিনাকে উপস্থিত কর্মকর্তারা সশস্ত্র সালাম জানান। সরকার প্রধানের পক্ষে সামরিক রীতিতে

 

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ১০টি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা বা ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড এবং মুজিব রেজিমেন্ট ও রওশন আরা রেজিমেন্টকে দেয়া হয় সম্মানসূচক নতুন পতাকা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তিন বাহিনীর

আধুনিকায়নে সবকিছুই করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। এ বছরই আরও কিছু যুদ্ধ সরঞ্জাম যোগ হবে বাহিনীতে। জাতীয় নিরাপত্তায় সশস্ত্র বাহিনীর জন্য নিজস্ব টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যুদ্ধের ময়দানে জাতীয় পতাকা একটি মর্যাদার প্রতীক। এই মর্যাদাকে

সমুন্নত রাখার দায়িত্ব সশস্ত্র বাহিনীর। শেখ হাসিনা জানান, প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলা করে মানবতার সেবায় সুনাম অর্জন করছে বাংলাদেশের তিন বাহিনী।