ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফ্যাসিবাদী আমলে পুলিশকে দলীয় বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করা হয় সংসদে রাষ্ট্রপতি সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন সিইসি, ড. ইউনূস ও বিদেশি রাষ্ট্রদূতরা পাটপণ্যের ব্যবহার বাড়াতে উদ্যোগী সরকার: কৃষক-উদ্যোক্তা উৎসাহিত হবে: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী নন্দনে নিউজ কলকাতার ত্রৈমাসিক সাহিত্য অনুষ্ঠান ও গুণীজন সংবর্ধনা বাংলাদেশে কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু : স্বনির্ভর দেশ গড়ার ডাক প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় সংসদের নতুন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি মির্জা আব্বাস, দেশবাসীর দোয়া চাইলেন আফরোজা আব্বাস ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া ঠেকাতে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নাহিদ রানার ঝড়ো বোলিংয়ে পাকিস্তান পুড়ল, ২০৯ বল বাকি রেখে জয় বাংলাদেশের বড়পুকুরিয়া কয়লার পাহাড়, আগুনে নষ্ট হচ্ছে বিপুল মজুদ

বাংলাদেশে সমুদ্র বক্ষে নির্মিত হচ্ছে দীর্ঘতম রানওয়ে

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৫:২৪:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২১ ২৮৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

সমুদ্র বক্ষে নির্মিত হচ্ছে দীর্ঘতম রানওয়ে। পৃথিবীর অন্যতম সমুদ্র সৈকত এবং পর্যটন নগরী কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে হচ্ছে ১০ হাজার ৭০০ ফুট। অথচ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে ১০ হাজার ৫০০ ফুট। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতির সফল বাস্তবায়ন মধ্য দিয়ে দেশের ৪র্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রা শুরু করবে।

দেশে প্রথমবারের মতো কক্সবাজারে সমুদ্র বক্ষে নির্মাণ হচ্ছে এই রানওয়ে। যার খরচ ধরা হয়েছে ১৫শ ৬৯ কোটি টাকা। বিমানবন্দর রানওয়ে’র এ প্রকল্প পর্যটন ও অর্থনৈতিক বিকাশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে মনে করেন শেখ হাসিনা। বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পের

আওতায় ইতোমধ্যে এখানে ৯ হাজার ফুট রানওয়ে নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। সেই সঙ্গে আরও ১৭০০ ফুট রানওয়ে সম্প্রসারণ হবে। এই ১৭০০ ফুট হবে বঙ্গোপসাগরের মহেশখালী চ্যানেলের উপরে। যেখানে থাকবে সেন্ট্রাল লাইন লাইট। এছাড়াও সমুদ্র বুকে ৯শ মিটার পর্যন্ত হবে প্রিসিশন

এপ্রোচ লাইটিং। সিঙ্গাপুর-ব্যাংককের আদলে কক্সবাজারকে সাজিয়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছে শেখ হাসিনা। সেই আদলেই গড়ে তোলার হচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত এবং পর্যন্ত নগরী কক্সবাজারে তৈরি হচ্ছে নান্দনিক রানওয়ে। চলছে এক্সক্লুসিভ জোনসহ ইকোট্যুরিজম ও

রেলপথের কাজ। সব মিলিয়ে কক্সবাজারকে ঘিরে আলাদা পরিকল্পনা নিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার গণভবন থেকে রানওয়ে সম্প্রসারণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে কক্সবাজারকে ঘিরে তার সরকারের পরিকল্পনা কথা

জানালেন শেখ হাসিনা। স্থলের পাশাপাশি সমুদ্রের জলের ওপর রানওয়ে সমেত অত্যাধুনিক বিমানবন্দরটি বাস্তবায়ন হলে দ্বিবারাত্রী ফ্লাইটে কক্সবাজার হবে ব্যস্ততম সিটি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কক্সবাজার আন্তার্জাতিক বিমানবন্দর রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হবে।

আন্তর্জাতিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিজস্ব অর্থায়নে ১ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ৩ বছর মেয়াদি প্রকল্পের চুক্তি হয়েছে। প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে, ভূমি উন্নয়ন, রানওয়ে বৃদ্ধিকরণ, রানওয়ে টার্নিংপ্যাড, শোল্ডার, ওভার রান, সার্ভিস রোড ইত্যাদি নির্মাণ, বাঁধ রক্ষা কাজ, ড্রেনেজ

সিস্টেম নির্মাণ, এপ্রোচ লাইটিং সিস্টেম উন্নয়ন, সীমানা প্রাচীর ও নিরাপত্তা প্রাচীর নির্মাণ, এয়ার ফিল্ড গ্রাউন্ড লাইটিং সিস্টেম স্থাপন ইত্যাদি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারকে ঘিরে নানা স্বপ্ন দেখতেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। নিয়েছিলেন নানা পরিকল্পনা। তিনি ঝাউবন স্থাপন করেছেন। তার রেখে যাওয়া পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রাসারণ।

কক্সবাজারকে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সেতুবন্ধন হিসেবে গড়ে তুলতে আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল এখানে একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রতিষ্ঠা করা।

তিনি আরও বলেন, ১৯৯৬ সালের পরের সরকার বঙ্গবন্ধুকে কটাক্ষ করত। যার কারণে কক্সবাজারকে ঘিরে তারা কিছুই করেনি। বরং তারা নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। সেখান থেকে নতুন করে কক্সবাজারকে ঘিরে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন হাসিনা। সবই এখন দৃশ্যমান হচ্ছে।

কক্সবাজার প্রান্ত থেকে ছিলেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, মন্ত্রকের সচিব মোকাম্মেল হোসেন, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন,

ট্যুরিস্ট পুলিশ চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোখলেছুর রহমান এবং কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মামুনুর রশীদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশে সমুদ্র বক্ষে নির্মিত হচ্ছে দীর্ঘতম রানওয়ে

আপডেট সময় : ০৫:২৪:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২১

ছবি সংগ্রহ

সমুদ্র বক্ষে নির্মিত হচ্ছে দীর্ঘতম রানওয়ে। পৃথিবীর অন্যতম সমুদ্র সৈকত এবং পর্যটন নগরী কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে হচ্ছে ১০ হাজার ৭০০ ফুট। অথচ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে ১০ হাজার ৫০০ ফুট। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতির সফল বাস্তবায়ন মধ্য দিয়ে দেশের ৪র্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রা শুরু করবে।

দেশে প্রথমবারের মতো কক্সবাজারে সমুদ্র বক্ষে নির্মাণ হচ্ছে এই রানওয়ে। যার খরচ ধরা হয়েছে ১৫শ ৬৯ কোটি টাকা। বিমানবন্দর রানওয়ে’র এ প্রকল্প পর্যটন ও অর্থনৈতিক বিকাশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে মনে করেন শেখ হাসিনা। বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পের

আওতায় ইতোমধ্যে এখানে ৯ হাজার ফুট রানওয়ে নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। সেই সঙ্গে আরও ১৭০০ ফুট রানওয়ে সম্প্রসারণ হবে। এই ১৭০০ ফুট হবে বঙ্গোপসাগরের মহেশখালী চ্যানেলের উপরে। যেখানে থাকবে সেন্ট্রাল লাইন লাইট। এছাড়াও সমুদ্র বুকে ৯শ মিটার পর্যন্ত হবে প্রিসিশন

এপ্রোচ লাইটিং। সিঙ্গাপুর-ব্যাংককের আদলে কক্সবাজারকে সাজিয়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছে শেখ হাসিনা। সেই আদলেই গড়ে তোলার হচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত এবং পর্যন্ত নগরী কক্সবাজারে তৈরি হচ্ছে নান্দনিক রানওয়ে। চলছে এক্সক্লুসিভ জোনসহ ইকোট্যুরিজম ও

রেলপথের কাজ। সব মিলিয়ে কক্সবাজারকে ঘিরে আলাদা পরিকল্পনা নিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার গণভবন থেকে রানওয়ে সম্প্রসারণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে কক্সবাজারকে ঘিরে তার সরকারের পরিকল্পনা কথা

জানালেন শেখ হাসিনা। স্থলের পাশাপাশি সমুদ্রের জলের ওপর রানওয়ে সমেত অত্যাধুনিক বিমানবন্দরটি বাস্তবায়ন হলে দ্বিবারাত্রী ফ্লাইটে কক্সবাজার হবে ব্যস্ততম সিটি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কক্সবাজার আন্তার্জাতিক বিমানবন্দর রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হবে।

আন্তর্জাতিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিজস্ব অর্থায়নে ১ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ৩ বছর মেয়াদি প্রকল্পের চুক্তি হয়েছে। প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে, ভূমি উন্নয়ন, রানওয়ে বৃদ্ধিকরণ, রানওয়ে টার্নিংপ্যাড, শোল্ডার, ওভার রান, সার্ভিস রোড ইত্যাদি নির্মাণ, বাঁধ রক্ষা কাজ, ড্রেনেজ

সিস্টেম নির্মাণ, এপ্রোচ লাইটিং সিস্টেম উন্নয়ন, সীমানা প্রাচীর ও নিরাপত্তা প্রাচীর নির্মাণ, এয়ার ফিল্ড গ্রাউন্ড লাইটিং সিস্টেম স্থাপন ইত্যাদি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারকে ঘিরে নানা স্বপ্ন দেখতেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। নিয়েছিলেন নানা পরিকল্পনা। তিনি ঝাউবন স্থাপন করেছেন। তার রেখে যাওয়া পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রাসারণ।

কক্সবাজারকে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সেতুবন্ধন হিসেবে গড়ে তুলতে আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল এখানে একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রতিষ্ঠা করা।

তিনি আরও বলেন, ১৯৯৬ সালের পরের সরকার বঙ্গবন্ধুকে কটাক্ষ করত। যার কারণে কক্সবাজারকে ঘিরে তারা কিছুই করেনি। বরং তারা নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। সেখান থেকে নতুন করে কক্সবাজারকে ঘিরে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন হাসিনা। সবই এখন দৃশ্যমান হচ্ছে।

কক্সবাজার প্রান্ত থেকে ছিলেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, মন্ত্রকের সচিব মোকাম্মেল হোসেন, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন,

ট্যুরিস্ট পুলিশ চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোখলেছুর রহমান এবং কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মামুনুর রশীদ।