ঢাকা ০৩:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুদ্ধ নয়, কৌশলে চাপ: ইরানকে ঘিরে দীর্ঘমেয়াদি নৌ-অবরোধের নতুন হিসাব ঢাকাকে ‘ক্লিন–গ্রিন’ নগরী গড়তে সরকারের বহুমাত্রিক পরিকল্পনা দেশজুড়ে কালবৈশাখীর দাপট: স্বস্তির বৃষ্টি, সঙ্গে ভোগান্তি ও সতর্কতা জব্বারের বলীখেলায় ইতিহাস: হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন বাঘা শরীফ উত্তরাঞ্চলে অতিবৃষ্টির শঙ্কা: সিলেট-সুনামগঞ্জে সাময়িক বন্যার পূর্বাভাস বিয়াম স্কুলে শিশুদের সঙ্গে প্রাণবন্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী উদ্ভাবকদের স্বীকৃতি ও সুরক্ষায় আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভা পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে সংস্কারে জোর দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: নজরদারি বাড়িয়েছে সিটিটিসি

সংকটে সুস্থভাবনার প্রতিফলন ডিএনসিসি করোনা হাসপাতাল

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ১০:১৬:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ অগাস্ট ২০২১ ৩০২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগৃহিত

“৫০০ বেডে করোনা ডেটিকেটেড হাসপাতালটিতে যুক্ত হতে যাচ্ছে সেন্ট্রাল অক্সিজেন, আওতা বাড়বে মুমুর্যু রোগীর চিকিৎসাসেবা”

যেকোন সংকটকেই উৎরানো সম্ভব সুস্থ চিন্তার পথ বেয়ে। নানা মততো থাকছেই। সমালোচনারও কমতি থাকে না ভালো কাজের গতি থামাতে। কিন্তু আগামীর কল্যাণে বাধা উৎরে গিয়ে কাজটি সম্পন্ন হলেই পরবর্তীতে বাহবা মেলে।

১৮ এপ্রিল হাসপাতাল উদ্বোধনের পর পরির্দশন  করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

এমনি কাজটিই করা হয়েছিলো ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মহাখালির এই মার্কেট ঘিরে। গড়া হয়েছিলো খোলা মেলা আধুনিক একটি কাঁচা বাজার। গাড়ি পার্কিংয়ের বিশাল চত্বর।

চারিদিকে অঢেল খোলা জায়গা। এখানে গাড়ি রেখে এক বাজারেই মিলবে গৃহস্থালির নিত্যচাহিদা মাফিক পণ্য।

কিন্তু সময় সেই জায়গা থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য করেছে। যার পেছনে রয়েছে বৃহত্তর মানবকল্যাণের গল্প। নিদানকালে সংকট যখন উঁচু দেওয়াল হয়ে সামনে দাঁড়ায়, তখন সুষ্ঠু চিন্তা

দিয়ে তাকে ভেঙ্গে ফেলে বেড়িয়ে আসাটাই সফলতার ঝান্ডা উড়ায়। অবশেষে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাতারাতি একটি মার্কেট পরিণত হলো কভিড ডেডিগেটেড হাসপিতালে।

স্বস্তির নিঃশ্বাস নিল প্রশাসন। ভরসা শক্তিযোগালো সাধারণ মানুষকে। শুরু হলো হাসপাতাল। এখন সেখানে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা সেবা পেয়ে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরছেন। যাবার সময় একবার তাকিয়ে দেখে নিছেন হাসপাতালটিকে। এই সফলতা অবশ্য সুস্থ চিন্তারই ফসল।

৫০০ বিছানার এই হাসপাতালে সিলিন্ডার অক্সিজেন সরবরাহ করে অপেক্ষাকৃত কম সংকটাপন্ন করোনা রোগীদের চিকিৎসাসেবা চালু রয়েছে। সেক্ষেত্রে হাসপাতালের বিছানার সঙ্গে অক্সিজেন সংযোগ (সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন) যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

জানা গিয়েছে, এই কভিড হাসপাতালটিতে দিন দিন নিবিড় পরিচ্চর্যা ইউনিট (আইসিইউ) চাহিদা বাড়ছে। এখানে আইসিইউর বেড খালি নেই। একারণে অনেক মুমুর্যু রোগী ফিরে যাচ্ছেন। যদিও

সিলিন্ডারযুক্ত ৫০০ বেডের অধিকাংশই খালি। মুমুর্যু কভিড আক্রান্ত ব্যক্তিদের অধিক সেবার আওতায় আনতেই সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কর্র্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে

কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। ৪ আগস্টের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হবে। তখন রোগীদের আর ফিরে যেতে হবে না।

১৮ এপ্রিল স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক হাসপাতালের উদ্বোধন করেন। এখানে কভিড রোগীর জন্য ১ হাজার শয্যা রয়েছে। যার মধ্যে পূর্ণাঙ্গ আইসিইউ (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) শয্যার সংখ্যা ২১২টি,

এইচডিইউ (উচ্চ নির্ভরতা বা হাই ডিপেন্ডেসি ইউনিট) শয্যা সংখ্যা ২৫০টি, আইসোলেটেড কক্ষ (একক) রয়েছে ৪৩৮টি এবং জরুরি বিভাগে শয্যা রয়েছে ৫০টি (৩০টি পুরুষ ও ২০টি নারী)।

পাশাপাশি আরটি-পিসিআর ল্যাব, প্যাথলজি ল্যাব, রেডিও থেরাপি সেন্টার, এক্সরে সুবিধাসহ অন্য নানা সুবিধা থাকছে।

অবশ্য হাসপাতালটির জল ও বাথরুমের কিছুটা সমস্যা রয়েছে। এটি মূলত একটি মার্কেট হিসেবে নির্মাণ করার কারণেই এমন সমস্যা দেখা দিয়েছে। এই সমস্যার দ্রুত কাটিয়ে ওঠার ব্যবস্থায়ও হাত লাগিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সংকটে সুস্থভাবনার প্রতিফলন ডিএনসিসি করোনা হাসপাতাল

আপডেট সময় : ১০:১৬:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ অগাস্ট ২০২১

ছবি সংগৃহিত

“৫০০ বেডে করোনা ডেটিকেটেড হাসপাতালটিতে যুক্ত হতে যাচ্ছে সেন্ট্রাল অক্সিজেন, আওতা বাড়বে মুমুর্যু রোগীর চিকিৎসাসেবা”

যেকোন সংকটকেই উৎরানো সম্ভব সুস্থ চিন্তার পথ বেয়ে। নানা মততো থাকছেই। সমালোচনারও কমতি থাকে না ভালো কাজের গতি থামাতে। কিন্তু আগামীর কল্যাণে বাধা উৎরে গিয়ে কাজটি সম্পন্ন হলেই পরবর্তীতে বাহবা মেলে।

১৮ এপ্রিল হাসপাতাল উদ্বোধনের পর পরির্দশন  করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

এমনি কাজটিই করা হয়েছিলো ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মহাখালির এই মার্কেট ঘিরে। গড়া হয়েছিলো খোলা মেলা আধুনিক একটি কাঁচা বাজার। গাড়ি পার্কিংয়ের বিশাল চত্বর।

চারিদিকে অঢেল খোলা জায়গা। এখানে গাড়ি রেখে এক বাজারেই মিলবে গৃহস্থালির নিত্যচাহিদা মাফিক পণ্য।

কিন্তু সময় সেই জায়গা থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য করেছে। যার পেছনে রয়েছে বৃহত্তর মানবকল্যাণের গল্প। নিদানকালে সংকট যখন উঁচু দেওয়াল হয়ে সামনে দাঁড়ায়, তখন সুষ্ঠু চিন্তা

দিয়ে তাকে ভেঙ্গে ফেলে বেড়িয়ে আসাটাই সফলতার ঝান্ডা উড়ায়। অবশেষে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাতারাতি একটি মার্কেট পরিণত হলো কভিড ডেডিগেটেড হাসপিতালে।

স্বস্তির নিঃশ্বাস নিল প্রশাসন। ভরসা শক্তিযোগালো সাধারণ মানুষকে। শুরু হলো হাসপাতাল। এখন সেখানে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা সেবা পেয়ে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরছেন। যাবার সময় একবার তাকিয়ে দেখে নিছেন হাসপাতালটিকে। এই সফলতা অবশ্য সুস্থ চিন্তারই ফসল।

৫০০ বিছানার এই হাসপাতালে সিলিন্ডার অক্সিজেন সরবরাহ করে অপেক্ষাকৃত কম সংকটাপন্ন করোনা রোগীদের চিকিৎসাসেবা চালু রয়েছে। সেক্ষেত্রে হাসপাতালের বিছানার সঙ্গে অক্সিজেন সংযোগ (সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন) যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

জানা গিয়েছে, এই কভিড হাসপাতালটিতে দিন দিন নিবিড় পরিচ্চর্যা ইউনিট (আইসিইউ) চাহিদা বাড়ছে। এখানে আইসিইউর বেড খালি নেই। একারণে অনেক মুমুর্যু রোগী ফিরে যাচ্ছেন। যদিও

সিলিন্ডারযুক্ত ৫০০ বেডের অধিকাংশই খালি। মুমুর্যু কভিড আক্রান্ত ব্যক্তিদের অধিক সেবার আওতায় আনতেই সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কর্র্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে

কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। ৪ আগস্টের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হবে। তখন রোগীদের আর ফিরে যেতে হবে না।

১৮ এপ্রিল স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক হাসপাতালের উদ্বোধন করেন। এখানে কভিড রোগীর জন্য ১ হাজার শয্যা রয়েছে। যার মধ্যে পূর্ণাঙ্গ আইসিইউ (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) শয্যার সংখ্যা ২১২টি,

এইচডিইউ (উচ্চ নির্ভরতা বা হাই ডিপেন্ডেসি ইউনিট) শয্যা সংখ্যা ২৫০টি, আইসোলেটেড কক্ষ (একক) রয়েছে ৪৩৮টি এবং জরুরি বিভাগে শয্যা রয়েছে ৫০টি (৩০টি পুরুষ ও ২০টি নারী)।

পাশাপাশি আরটি-পিসিআর ল্যাব, প্যাথলজি ল্যাব, রেডিও থেরাপি সেন্টার, এক্সরে সুবিধাসহ অন্য নানা সুবিধা থাকছে।

অবশ্য হাসপাতালটির জল ও বাথরুমের কিছুটা সমস্যা রয়েছে। এটি মূলত একটি মার্কেট হিসেবে নির্মাণ করার কারণেই এমন সমস্যা দেখা দিয়েছে। এই সমস্যার দ্রুত কাটিয়ে ওঠার ব্যবস্থায়ও হাত লাগিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।