ঢাকা ০২:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হুশিয়ারি হয়তো আমি থাকব, আর নাহয় অনিয়ম থাকবে হাসিনা আমলে ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি দেশবিরোধী হলে বাতিল করবে ঢাকা ২৭-এ শুরু ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকার পদ্মা ব্যারেজের নির্মাণকাজ ইলিশের ভরা মৌসুমেও আকাল, চড়া দামে পাতে ওঠছে না জাতীয় মাছ ফের ১০৮ ডলার, বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হওয়ার শঙ্কা দু’দিনের মাথায় ফের ভরিতে ২১৫৮ টাকা কমল স্বর্ণের দাম বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ে  আমদানির বিদ্যুৎ গিলছে অবৈধ ব্যাটারি অটোরিকশা জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক যুদ্ধবিমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প

অবশেষে পাকিস্তানে মন্দির নির্মাণে অনুমতি দিল ইমরান সরকার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২০ ৬১২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

অবশেষে পাকিস্তানে সেই মন্দির তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই ইসলামাবাদে হিন্দু মন্দির নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে ইমরান খান সরকার। মাস ছয়েক আগে শ্রীকৃষ্ণের মন্দিরের নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

সোমবার পাকিস্তানের রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। শুধু মন্দিরই নয়, ওই মন্দিরটিকে কেন্দ্র করে থাকা শ্মশানের চারপাশে ৭ ফুট উচ্চতার প্রাচীর নির্মাণের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।

গত জুলাই মাসে ইসলামাবাদের এই মন্দির নির্মাণ বন্ধ করার জন্য রীতিমত হুমকি পেয়েছিল ইমরান খান সরকার। সেই সময় দেশটির রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষও আইনি জটিলতার দোহাই দিয়ে মন্দির ও শ্মশানের জন্য নির্ধারিত জমির চারদিকে প্রাচীর তৈরির কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল।

পাকিস্তানের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী পীর নূরুল হক কাদরী এই বিষয়ে পরামর্শের জন্য পাকিস্তানের কাউন্সিল অব ইসলামিক ইডিওলজি বা সিআইআই-এর কাছে বিষয়টি পাঠিয়েছিলেন। কাউন্সিলই সরকারকে বিভিন্ন ধর্মীয় বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকে।

গত অক্টোবরে, সিআইআই জানিয়েছিল ইসলামাবাদ বা পাকিস্তানের কোনও জায়গায় মন্দির নির্মাণে কোনও সাংবিধানিক বা শরিয়তের বিধিনিষেধ নেই। পরিষদের ১৪ জন সদস্যই এই বিষয়ে একমত হয়েছিলেন। তারা আরও জানিয়েছিলেন, দেশের অন্যান্য ধর্মীয় গোষ্ঠীর মতোই হিন্দুদেরও তাদের বিশ্বাস অনুসারে শেষকৃত্যের জন্য একটি বিশেষ স্থান পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে।

কলকাতা টোয়েন্টিফোর সূত্রের খবর, এই মন্দির ও শ্মশান নির্মাণের জন্য ইমরান সরকার-কে ১০০ কোটি রুপির তহবিল দেওয়ার বিষয়েও অনুমোদন দিয়েছে সিআইআই। পরিকল্পনা অনুসারে, ২০,০০০ বর্গফুট জমির উপর তৈরি হবে কৃষ্ণ মন্দিরটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অবশেষে পাকিস্তানে মন্দির নির্মাণে অনুমতি দিল ইমরান সরকার

আপডেট সময় : ০২:০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২০

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

অবশেষে পাকিস্তানে সেই মন্দির তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই ইসলামাবাদে হিন্দু মন্দির নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে ইমরান খান সরকার। মাস ছয়েক আগে শ্রীকৃষ্ণের মন্দিরের নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

সোমবার পাকিস্তানের রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। শুধু মন্দিরই নয়, ওই মন্দিরটিকে কেন্দ্র করে থাকা শ্মশানের চারপাশে ৭ ফুট উচ্চতার প্রাচীর নির্মাণের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।

গত জুলাই মাসে ইসলামাবাদের এই মন্দির নির্মাণ বন্ধ করার জন্য রীতিমত হুমকি পেয়েছিল ইমরান খান সরকার। সেই সময় দেশটির রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষও আইনি জটিলতার দোহাই দিয়ে মন্দির ও শ্মশানের জন্য নির্ধারিত জমির চারদিকে প্রাচীর তৈরির কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল।

পাকিস্তানের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী পীর নূরুল হক কাদরী এই বিষয়ে পরামর্শের জন্য পাকিস্তানের কাউন্সিল অব ইসলামিক ইডিওলজি বা সিআইআই-এর কাছে বিষয়টি পাঠিয়েছিলেন। কাউন্সিলই সরকারকে বিভিন্ন ধর্মীয় বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকে।

গত অক্টোবরে, সিআইআই জানিয়েছিল ইসলামাবাদ বা পাকিস্তানের কোনও জায়গায় মন্দির নির্মাণে কোনও সাংবিধানিক বা শরিয়তের বিধিনিষেধ নেই। পরিষদের ১৪ জন সদস্যই এই বিষয়ে একমত হয়েছিলেন। তারা আরও জানিয়েছিলেন, দেশের অন্যান্য ধর্মীয় গোষ্ঠীর মতোই হিন্দুদেরও তাদের বিশ্বাস অনুসারে শেষকৃত্যের জন্য একটি বিশেষ স্থান পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে।

কলকাতা টোয়েন্টিফোর সূত্রের খবর, এই মন্দির ও শ্মশান নির্মাণের জন্য ইমরান সরকার-কে ১০০ কোটি রুপির তহবিল দেওয়ার বিষয়েও অনুমোদন দিয়েছে সিআইআই। পরিকল্পনা অনুসারে, ২০,০০০ বর্গফুট জমির উপর তৈরি হবে কৃষ্ণ মন্দিরটি।