২৬’র ফেব্রুয়ারিতেই বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন
- আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
সংস্কার, বিচার ও জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান এই তিনটিই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান কাজ বলে ভাষণে উল্লেখ করেন ড. উউনূস
২৬’র ফেব্রুয়ারী মাসে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের দাবি করে আসছিলো বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। একটি নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশে স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় থাকবে বলেও বিভিন্ন আলোচনা ও সেমিনারে দাবি করা হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সকল রাজনৈতিক দলের সম্মতিতে জুলাই ঘোষণাপত্র চূড়ান্ত করে ইউনূস সরকার।
যা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান তথা শেখ হাসিনা সরকারের পতনের বছরপূর্তীতে ঢাকায় পাঠ করা হয়। রাতে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন ড. ইউনূস। সেখানে বলেন, ২৬-এর ফেব্রুয়ারি মাসে এবং রমজানের আগেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে যাচ্ছে ইউনূস সরকার।
মঙ্গলবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বছরপূর্তীতে স্থনীয় সময় রাত প্রায় ৮টা ২০ মিনিটে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের তরফে নির্বাচন কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠানো হবে। তারা যেন আগামী রমজান মাসের আগেই নির্বাচন আয়োজনের সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করে।
দেশটির প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেছেন, ২৬’র ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচনের আয়োজন করতে নির্বাচন কমিশন চিঠি দেবে সরকার। এটি হবে দেশটির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ জাতীয় নির্বাচন। সরকারের এই উদ্যোগকে রাজনৈতিক ও সমাজচিন্তকরা সাধুবাদ জানিয়েছে।
আগামী রমজানের আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে অন্তর্বর্তী সরকারের তরফে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠানো হবে। এর আগে বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এ ঘোষণাপত্র পাঠ করেন ইউনূস।
সংস্কার, বিচার ও জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান এই তিনটিই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান কাজ বলে ভাষণে উল্লেখ করেন উউনূস। বলেন, এবার আমাদের সর্বশেষ দায়িত্ব পালনের পালা। নির্বাচন অনুষ্ঠান। আজ এই মহান দিবসে আপনাদের সামনে এ বক্তব্য রাখার পর থেকেই আমরা আমাদের সর্বশেষ এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে প্রবেশ করব। আমরা এবার একটি নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করব।




















