ঢাকা ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দখল-ভাঙচুরে ছাড় নয়, জাইমার নিয়োগেও সম্পৃক্ততা নেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর সার্বিক পরিবেশ ইতিবাচক প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী রাড্ডা সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় এমপির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা  মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপসের দাবি, এমপি নজরুলের জামিন নামঞ্জুর  হরমুজ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, দাবি ইরানের ফুটপাতে হাঁটা পথচারীর অধিকার এটি কারও ব্যক্তিগত সম্পদ নয় সময় হলেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর: দীনেশ ত্রিবেদী দুর্গাপূজার ছুটি একদিন বাড়ানোর উদ্যোগে স্বস্তির বার্তা হিন্দু সম্প্রদায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বে জবাবদিহিতা পরামর্শক ব্যয় কমানোর নির্দেশ

সেনাবাহিনীর মনোবল ভাঙতেই ৫৭ কর্মকর্তাকে হত্যা: মির্জা ফখরুল

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:২৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

সেনাবাহিনীর মনোবল ভাঙতেই ৫৭ কর্তাকে হত্যা: মির্জা ফখরুল

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকার বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির হত্যাকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়া এবং দেশের নিরাপত্তা কাঠামোকে দুর্বল করে দেওয়া।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) শ্রদ্ধা জানানো শেষে তিনি বলেন, ওইদিন বিডিআর বিদ্রোহে চৌকস ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ প্রায় ৭২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনাকে তিনি জাতির জন্য লজ্জাজনক ও কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে বিপর্যস্ত করার জন্য গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাকে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়ার অপচেষ্টা চালানো হলেও জনগণ শেষ পর্যন্ত ঘুরে দাঁড়িয়েছে। স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব সুসংহত করা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। অতীতের ধারাবাহিকতায় দেশকে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করাই তাদের মূল লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :