ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পেঁয়াজ-আলুর দামপতনে কৃষকের কান্না, `কৃষিপণ্য কমিশন গঠনের দাবি’ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ভোটের কালি শুকানোর আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু: প্রধানমন্ত্রী ফিরলেন কাতারে আটকে পড়া ৪৩০ বাংলাদেশি কৃষকের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে স্বাগত, ইফতার মাহফিলে বিশেষ মোনাজাত বিশ্বকাপ ইস্যুতে ট্রাম্পকে ইরানের কড়া জবাব পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চরম হতাশায় কৃষকরা পাবনায় পেঁয়াজের বাজার ধস, কৃষকেরা এক্ষুণি লোকসানে বেনাপোলে বিজিবির অভিযানে চোরাচালান পণ্য আটক এভারকেয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাসের  শয্যাপাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:০৭:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ ১৭৭ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত হয়েছে। চোরাই মালামাল নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় বিএসএফ রাবার বুলেট ছোড়ে। গুলি লেগে এক ব্যক্তি জলাশয়ে পড়ে মারা যায়।

বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে দেশটির এক নাগরিক নিহত হয়েছেন। বিএসএফর দাবি, তিনি চোরাকারবারি।

বৃহস্পতিবার ভোরে জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার গোরকমণ্ডল সীমান্তের ৯২৯ নম্বর আন্তর্জাতিক সীমানা পিলারের তিন নম্বর সাব পিলারের পাশে শূন্য লাইন থেকে প্রায় ২০০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে ভারতীয় মরাকুটি (ভোরাম পয়োস্তি) এলাকার ঘটনা।

বিজিবি জানিয়েছে, নিহতের নাম জাহানুর আলম (২৪)। তিনি ভারতের কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানার গিদালদহ এলাকার ভোরাম পয়োস্তি গ্রামের কবিদুল ইসলামের ছেলে।

সীমান্তবাসী জানান, ভোরে একদল ভারতীয় চোরাকারবারি সীমান্ত দিয়ে চোরাই মালামাল নিয়ে বাংলাদেশে আসার চেষ্টা করে। এ সময় ভারতীয় ভারবান্দা ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে ৬ রাউন্ড গুলি ছোড়ে।

এতে জাহানুর গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলের এক জলাশয়ে পড়ে মারা যায়। এসময় বাকিরা পালিয়ে যায়। গোলাগুলির শব্দে গোটা সীমান্ত এলাকায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার পর গোরকমণ্ডল বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা সীমান্তে টহল জোরদার করে। সকাল সাড়ে আটটা থেকে ৯টা পর্যন্ত বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়।

পতাকা বৈঠকে বিজিবির তরনফে গোরকমণ্ডল ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার ফিরোজ এবং বিএসএফের পক্ষে ৩ বিএসএফ ব্যাটলিয়নের অধীন ভারবান্দা গিদালদহ ক্যাম্পের কমান্ডার গিরিশ চন্দ্র নেতৃত্ব দেন।

পতাকা বৈঠকের পর সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে গুলিতে নিহত ভারতীয় চোরাকারবারীর মরদেহ নিয়ে যায় বিএসএফ।

অপরদিকে বেলা ১১টার দিকে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মেহেদী ইমাম সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করে বিএসএফের বরাত দিয়ে বলেন, ভোরের দিকে একদল ভারতীয় নাগরিক টহলরত বিএসএফ পোস্টে হামলা চালায়।

তখন আত্মরক্ষায় বিএসএফ রাবার বুলেট ছোড়ে। এতে এক ভারতীয় হামলাকারী নিহত হয়। বিষয়টি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এর সঙ্গে বাংলাদেশ বা বিজিবির কোনো সম্পৃক্ততা নাই। সীমান্তে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত

আপডেট সময় : ০৫:০৭:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত হয়েছে। চোরাই মালামাল নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় বিএসএফ রাবার বুলেট ছোড়ে। গুলি লেগে এক ব্যক্তি জলাশয়ে পড়ে মারা যায়।

বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে দেশটির এক নাগরিক নিহত হয়েছেন। বিএসএফর দাবি, তিনি চোরাকারবারি।

বৃহস্পতিবার ভোরে জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার গোরকমণ্ডল সীমান্তের ৯২৯ নম্বর আন্তর্জাতিক সীমানা পিলারের তিন নম্বর সাব পিলারের পাশে শূন্য লাইন থেকে প্রায় ২০০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে ভারতীয় মরাকুটি (ভোরাম পয়োস্তি) এলাকার ঘটনা।

বিজিবি জানিয়েছে, নিহতের নাম জাহানুর আলম (২৪)। তিনি ভারতের কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানার গিদালদহ এলাকার ভোরাম পয়োস্তি গ্রামের কবিদুল ইসলামের ছেলে।

সীমান্তবাসী জানান, ভোরে একদল ভারতীয় চোরাকারবারি সীমান্ত দিয়ে চোরাই মালামাল নিয়ে বাংলাদেশে আসার চেষ্টা করে। এ সময় ভারতীয় ভারবান্দা ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে ৬ রাউন্ড গুলি ছোড়ে।

এতে জাহানুর গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলের এক জলাশয়ে পড়ে মারা যায়। এসময় বাকিরা পালিয়ে যায়। গোলাগুলির শব্দে গোটা সীমান্ত এলাকায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার পর গোরকমণ্ডল বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা সীমান্তে টহল জোরদার করে। সকাল সাড়ে আটটা থেকে ৯টা পর্যন্ত বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়।

পতাকা বৈঠকে বিজিবির তরনফে গোরকমণ্ডল ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার ফিরোজ এবং বিএসএফের পক্ষে ৩ বিএসএফ ব্যাটলিয়নের অধীন ভারবান্দা গিদালদহ ক্যাম্পের কমান্ডার গিরিশ চন্দ্র নেতৃত্ব দেন।

পতাকা বৈঠকের পর সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে গুলিতে নিহত ভারতীয় চোরাকারবারীর মরদেহ নিয়ে যায় বিএসএফ।

অপরদিকে বেলা ১১টার দিকে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মেহেদী ইমাম সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করে বিএসএফের বরাত দিয়ে বলেন, ভোরের দিকে একদল ভারতীয় নাগরিক টহলরত বিএসএফ পোস্টে হামলা চালায়।

তখন আত্মরক্ষায় বিএসএফ রাবার বুলেট ছোড়ে। এতে এক ভারতীয় হামলাকারী নিহত হয়। বিষয়টি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এর সঙ্গে বাংলাদেশ বা বিজিবির কোনো সম্পৃক্ততা নাই। সীমান্তে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।