ঢাকা ০৩:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফিরলেন কাতারে আটকে পড়া ৪৩০ বাংলাদেশি কৃষকের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে স্বাগত, ইফতার মাহফিলে বিশেষ মোনাজাত বিশ্বকাপ ইস্যুতে ট্রাম্পকে ইরানের কড়া জবাব পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চরম হতাশায় কৃষকরা পাবনায় পেঁয়াজের বাজার ধস, কৃষকেরা এক্ষুণি লোকসানে বেনাপোলে বিজিবির অভিযানে চোরাচালান পণ্য আটক এভারকেয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাসের  শয্যাপাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৮ মাসে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ৩,১০০ সহিংসতার তথ্য ভারতের রাজ্যসভায় স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার: রেলমন্ত্রী জামায়াতের শফিকুর রহমান বিরোধী দলীয় নেতা, তাহের উপনেতা

সাগরে ৬৫দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মে ২০২১ ৩৪১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০ মে থেকে ২৩ জুলাই টানা দু’মাস সাগরে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করলো সরকার। মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সব ধরণের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ থাকছে।

সামুদ্রিক মৎস্য আইনে ২০১৫ সাল থেকে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে চলেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রক। মৎস্য আহরণ বন্ধকালীন উপকূলীয় ১৪ টি জেলার ৬৬ টি উপজেলায় ২ লাখ ৯৮ হাজার ৫৯৫টি মৎস্যজীবী পরিবারকে ১৬ হাজার ৭২১.৩২ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া সমুদ্রে কোন প্রকার নৌযান দিয়ে অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও বাংলাদেশ নৌ পুলিশ এবং বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর সক্রিয় সহযোগিতা চেয়ে যথাক্রমে জননিরাপত্তা বিভাগে ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে চিঠি দিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক।

এবিষয়ে বুধবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও তৌফিকুল

আরিফ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, নৌপুলিশের অতিরিক্ত মহাপুলিশপরিদর্শক মোঃ আতিকুল ইসলাম, সামুদ্রিক মৎস্য দপ্তর, চট্টগ্রাম এর পরিচালক, বাংলাদেশ নৌ বাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ, জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতি ও বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ৬৫ দিন দেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সকল প্রকার মৎস্য নৌযান দিয়ে যে কোন প্রজাতির মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মৎস্য অধিদপ্তর কন্ট্রোল রুম চালু ছাড়াও বরিশাল, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে তিনটি বিভাগীয় মনিটরিং টিম গঠন করেছে।

স্থানীয়ভাবে ব্যানার, লিফলেট, পোস্টার, মাইকিং ও সচেতনতামূলক সভা করে মৎস্যজীবীদের মাঝে প্রচার কার্যক্রম চালানো নির্দেশা দেওয় হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মৎস্যজীবী সমিতি ও সংগঠনকে এ কাজে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সাগরে ৬৫দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ

আপডেট সময় : ০৬:৫৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মে ২০২১

২০ মে থেকে ২৩ জুলাই টানা দু’মাস সাগরে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করলো সরকার। মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সব ধরণের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ থাকছে।

সামুদ্রিক মৎস্য আইনে ২০১৫ সাল থেকে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে চলেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রক। মৎস্য আহরণ বন্ধকালীন উপকূলীয় ১৪ টি জেলার ৬৬ টি উপজেলায় ২ লাখ ৯৮ হাজার ৫৯৫টি মৎস্যজীবী পরিবারকে ১৬ হাজার ৭২১.৩২ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া সমুদ্রে কোন প্রকার নৌযান দিয়ে অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও বাংলাদেশ নৌ পুলিশ এবং বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর সক্রিয় সহযোগিতা চেয়ে যথাক্রমে জননিরাপত্তা বিভাগে ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে চিঠি দিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক।

এবিষয়ে বুধবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও তৌফিকুল

আরিফ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, নৌপুলিশের অতিরিক্ত মহাপুলিশপরিদর্শক মোঃ আতিকুল ইসলাম, সামুদ্রিক মৎস্য দপ্তর, চট্টগ্রাম এর পরিচালক, বাংলাদেশ নৌ বাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ, জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতি ও বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ৬৫ দিন দেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সকল প্রকার মৎস্য নৌযান দিয়ে যে কোন প্রজাতির মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মৎস্য অধিদপ্তর কন্ট্রোল রুম চালু ছাড়াও বরিশাল, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে তিনটি বিভাগীয় মনিটরিং টিম গঠন করেছে।

স্থানীয়ভাবে ব্যানার, লিফলেট, পোস্টার, মাইকিং ও সচেতনতামূলক সভা করে মৎস্যজীবীদের মাঝে প্রচার কার্যক্রম চালানো নির্দেশা দেওয় হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মৎস্যজীবী সমিতি ও সংগঠনকে এ কাজে সম্পৃক্ত রয়েছেন।