সরকারের বাঁধা দরে বিক্রি হচ্ছে না আলু পেঁয়াজ ও ডিম
- আপডেট সময় : ০৮:২৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৮৫ বার পড়া হয়েছে
সিন্ডিকেটের কারসাজি? না কি অন্য কিছু
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
পাড়ার ফলের দোকানের ছেলেটি লাল আঙ্কুরের দাম ৪৫০ টাকা চেয়ে বললো, ২০ টাকা কম রাখবো। আগামী সপ্তাহ থেকে দাম কমবে। কারণ, সিন্ডিকেট ভেঙ্গে গেছে! একেবারেই স্বাভাবিকভাবে উচ্চারণ কললো সে। ছেলেটির মুখের দিকে কিছুক্ষণ অপলক তাকিয়ে ছিলাম।
নিয়ন্ত্রহীন বাজারে সকল পন্যের দাম চড়া। কাচাবাজারে হাত রাখা যায় না। ৪০ টাকা কাচা কলার হালি। প্রকার ভেদে তরকারীর দাম ১০০ টাকা কেজি। সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে। কিন্তু ব্যবস্থাপনায় তৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে না।
গোল আলুর কেজি ৫০-৬০ টাকা, পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিম প্রতিটি ১৩ থেকে ১৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত ১৪ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় খুচরা পর্যায়ে প্রতিটি ডিমের দাম সর্বোচ্চ ১২ টাকা, প্রতি কেজি আলু ৩৬ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৬৫ টাকা বেঁধে দিয়েছে। কিন্তু দর বেঁধে দেওয়ার সাত দিন পরও বাজারে সে দরে কোন পণ্য বিক্রি হচ্ছে না।
পেয়াজ, আলু এবং ডিমের বাজারের হাওয়া যখন উর্ধগতি, সাধারণের ক্রয়ক্ষমতায় যখন কাটছাট-নাভিশ্বাস, তখন বাণিজ্যমন্ত্রণালয় পেঁয়াজ, আলু এবং ডিমের দাম বেঁধে দেয়। বিভিন্ন পেশাজীবী আশায় বুক বাঁধেন, এবারে তাদের যন্ত্রণা কিছুটা হলেও লাগব হবে। কিন্তু বেঁধে দেওয়া ঘোষণা এবং কাগজে কলমেই সীমাবদ্ধ।
সরকার দাম বেঁধে দিলেও পাইকারী বাজারে দাম কমছে না। সে অবস্থায় বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে। উচ্চমূল্যে পণ্য কিনে কম দামে বিক্রি করা সম্ভব নয়। বাজার নিয়ন্ত্রণ থাকলেও পণ্য বাজার স্বাভাবিক হবে। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমবে, এমন মন্তব্য খুচরা ব্যবসায়ীদের।
বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে জানান, আলু সংরক্ষণ করছেন এমন ব্যবসায়ীই দাম বাড়াচ্ছেন। হিমাগারগুলো তদারকির আওতায় আনা সম্ভব না হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।




















