ঢাকা ০৫:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংঘাতের আগে হরমুজ ত্যাগ করা জ্বালানিবাহী ১৫ জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছাতে শুরু করেছে ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন তেহরানের বিমানবন্দরে বিস্ফোরণ, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের ইরান যুদ্ধের প্রথম ১০০ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩.৭ বিলিয়ন ডলার ইরান জয়ের ভাবনায় ট্রাম্পের সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে যাচ্ছে সাবেক দুই উপদেষ্টার গ্রেপ্তার দাবিতে উত্তাল কর্মসূচি ঘোষণা, রাজপথে নামছে জামায়াত চলমান জীবনের গল্প: কফির ধোঁয়ায় তিন বন্ধুর আড্ডা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় যুক্ত হবেন না, সাফ জানালেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্কিন তেলবাহী জাহাজে হামলার দাবি আইআরজিসির ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে চরম মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল

রেমেলের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সব ধরনের সহযোগিতা করবো: প্রধানমন্ত্রী

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪ ২৪৪ বার পড়া হয়েছে

রেমালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ঘূর্ণিঝড় রেমেলের আঘাতে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে যা যা করা দরকার সব ধরনের সহযোগিতা আমরা করবো। বৃহস্পতিবার ঘূর্ণিঝড় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন এবং ত্রাণ বিতরণ করতে এসে একথা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই এইসব উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, বাঁধ দ্রুত মেরামতে এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে সরকার। বর্ষার আগেই আমরা বাঁধগুলো নির্মাণ করে জলোচ্ছ্বাস বা পানির হাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে পারবো।

বৃহস্পতিবার পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরে সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজ মাঠে ত্রাণ বিতরণ শেষে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেসব ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে এরই মধ্যে আমরা খোঁজ নিয়েছি। এছাড়া আমি আবার সবার সঙ্গে কথা বলবো। যেখানে যাদের বাড়িঘর ভেঙেছে, তাদের ঘরবাড়ি করে দেবো।

তিনি আরো বলেন, জলোচ্ছ্বাসের কারণে অনেক পুকুরের পানি নোনতা হয়ে গেছে। অনেক জায়গায় মাছের ঘের ভেসে গেছে। ধানকাটা শেষ হলেও তরিতরকারি নষ্ট হয়েছে। কৃষক যেন আবার সেগুলো বপন করতে পারে, সেজন্য বীজ-সারের ব্যবস্থা করে দেবো।

দেশব্যাপী ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে এ ধরনের মানবিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

এবারের ঝড়-জলোচ্ছ্বাস খুবই অস্বাভাবিক হয়েছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, আমরা সাইক্লোন শেল্টার করেছি, সেখানে মানুষ আশ্রয় পেয়েছে। গৃহহীনদের দুর্যোগ সহনীয় ঘর করে দিয়েছি। এ কারণে মানুষ অন্তত আশ্রয়ের জায়গা পেয়েছে। পশুপাখি আশ্রয়ের ব্যবস্থা পেয়েছে। আমরা চাই দুর্যোগপ্রবণ এলাকার মানুষ যেন দুর্যোগ থেকে মুক্তি পায়।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আজ ধারাবাহিকভাবে গণতন্ত্র আছে বলেই দুযোগ-দুর্বিপাকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি। মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নতি হয়। দেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতি আপনারা নিজেরাই দেখতে পাচ্ছেন। রাস্তাঘাট, স্কুল, কলেজ, যোগাযোগ, বিদ্যুতের ব্যবস্থা করে দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদার (অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা) ব্যবস্থা করার জন্য যা যা প্রয়োজন সরকার সব করে যাচ্ছে। কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে। ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার খরচ আর বিনা পয়সায় বই দিচ্ছি। মায়ের নামে আমরা বৃত্তির টাকা পাঠাই। যারা একেবারে হতদরিদ্র, তাদের বিনা পয়সায় খাদ্য সাহায্য দিই। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে পারিবারিক কার্ড করে অল্প টাকায় চাল, ডাল, তেল কেনার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। দেশের মানুষ যেন না খেয়ে কষ্ট না পায়, সেটিই আমাদের লক্ষ্য। পাশাপাশি মানুষের সার্বিক উন্নতির জন্য কাজ করে যাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রেমেলের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সব ধরনের সহযোগিতা করবো: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:৫৮:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

 

ঘূর্ণিঝড় রেমেলের আঘাতে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে যা যা করা দরকার সব ধরনের সহযোগিতা আমরা করবো। বৃহস্পতিবার ঘূর্ণিঝড় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন এবং ত্রাণ বিতরণ করতে এসে একথা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই এইসব উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, বাঁধ দ্রুত মেরামতে এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে সরকার। বর্ষার আগেই আমরা বাঁধগুলো নির্মাণ করে জলোচ্ছ্বাস বা পানির হাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে পারবো।

বৃহস্পতিবার পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরে সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজ মাঠে ত্রাণ বিতরণ শেষে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেসব ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে এরই মধ্যে আমরা খোঁজ নিয়েছি। এছাড়া আমি আবার সবার সঙ্গে কথা বলবো। যেখানে যাদের বাড়িঘর ভেঙেছে, তাদের ঘরবাড়ি করে দেবো।

তিনি আরো বলেন, জলোচ্ছ্বাসের কারণে অনেক পুকুরের পানি নোনতা হয়ে গেছে। অনেক জায়গায় মাছের ঘের ভেসে গেছে। ধানকাটা শেষ হলেও তরিতরকারি নষ্ট হয়েছে। কৃষক যেন আবার সেগুলো বপন করতে পারে, সেজন্য বীজ-সারের ব্যবস্থা করে দেবো।

দেশব্যাপী ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে এ ধরনের মানবিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

এবারের ঝড়-জলোচ্ছ্বাস খুবই অস্বাভাবিক হয়েছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, আমরা সাইক্লোন শেল্টার করেছি, সেখানে মানুষ আশ্রয় পেয়েছে। গৃহহীনদের দুর্যোগ সহনীয় ঘর করে দিয়েছি। এ কারণে মানুষ অন্তত আশ্রয়ের জায়গা পেয়েছে। পশুপাখি আশ্রয়ের ব্যবস্থা পেয়েছে। আমরা চাই দুর্যোগপ্রবণ এলাকার মানুষ যেন দুর্যোগ থেকে মুক্তি পায়।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আজ ধারাবাহিকভাবে গণতন্ত্র আছে বলেই দুযোগ-দুর্বিপাকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি। মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নতি হয়। দেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতি আপনারা নিজেরাই দেখতে পাচ্ছেন। রাস্তাঘাট, স্কুল, কলেজ, যোগাযোগ, বিদ্যুতের ব্যবস্থা করে দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদার (অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা) ব্যবস্থা করার জন্য যা যা প্রয়োজন সরকার সব করে যাচ্ছে। কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে। ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার খরচ আর বিনা পয়সায় বই দিচ্ছি। মায়ের নামে আমরা বৃত্তির টাকা পাঠাই। যারা একেবারে হতদরিদ্র, তাদের বিনা পয়সায় খাদ্য সাহায্য দিই। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে পারিবারিক কার্ড করে অল্প টাকায় চাল, ডাল, তেল কেনার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। দেশের মানুষ যেন না খেয়ে কষ্ট না পায়, সেটিই আমাদের লক্ষ্য। পাশাপাশি মানুষের সার্বিক উন্নতির জন্য কাজ করে যাচ্ছি।