ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিলাবৃষ্টির আতঙ্কে ধর্মপাশা-মধ্যনগরের কৃষক, ফসল রক্ষায় দুশ্চিন্তা বাড়ছে কৃষকের কল্যাণে দোয়া ও ইফতার, ভোলায় মানবিকতা ও সংহতির অনন্য আয়োজন কোদাল হাতে খাল খননে প্রধানমন্ত্রী, কৃষিতে স্বনির্ভরতার ডাক ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার জাহাজ ফেরত চাইল ইরান ভারতের ‘বৃক্ষমাতা’ তুলসী গৌড়া, প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সহাবস্থানের অনন্য নজির ঈদে মহাসড়কে কড়াকড়ি, ৭ দিন বন্ধ থাকবে ট্রাক-লরি চলাচল নেতানিয়াহুর বেঁচে থাকার প্রমাণ ভুয়া নাকি আসল? ৫ আঙুল দেখানো ভিডিওই ডিপফেক? মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধমঞ্চে ইরানের দাপট, পাল্টে গেল হিসাব! জিয়ার ঐতিহাসিক উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় আবারও খাল খনন শুরু করলেন তারেক রহমান ক্যামেলী পালের কবিতা ‘চাইলেই কি যাওয়া যায়’

রাশিয়ার বিপক্ষে ভোট না দেওয়ার ব্যাখ্যা বাংলাদেশের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ২৩১ বার পড়া হয়েছে

রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যুতে ভোট না দেওয়া প্রসঙ্গে রবিবার বিবৃতি পাঠ করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলি সাবরিন। ছবি : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। সেই প্রস্তাবে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে বাংলাদেশসহ ৩২ দেশ। তালিকায় চীন, ভারত, পাকিস্তানও ছিল। অবশ্য সাধারণ পরিষদের ১৯৩টি দেশের মধ্যে ১৪১টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। আর সাতটি দেশ বিপক্ষে ভোট দেয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, বর্তমান সংঘাতের যেকোনো অর্থবহ এবং টেকসই সমাধানের জন্য অবশ্যই সংঘাতে জড়িত পক্ষগুলির মধ্যে নিবিড় কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং সংলাপ প্রয়োজন। আমাদের মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো প্রস্তাবে অনুপস্থিত। ফলে আমরা এর থেকে বিরত থাকতে বাধ্য ছিলাম।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে উত্থাপিত প্রস্তাবে ভোটদানে বাংলাদেশের বিরত থাকার কারণ জানালো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রবিবার সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের অবস্থানের কথা তুলে ধরে বিবৃতি পাঠ করেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলি সাবরিন। তাতে বলা হয়, বাংলাদেশ একটি শান্তিকামী পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে, যা সার্বভৌম সমতা এবং সব রাষ্ট্রের আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি এবং সম্মানের নীতির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইউক্রেনের পরিস্থিতি বিশেষ করে বেসামরিক প্রাণহানি, সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে মানবিক পরিস্থিতির অবনতি এবং এর ফলে বিশ্বজুড়ে আর্থ-সামাজিক অবস্থার বিপর্যয়ের বিষয়ে বাংলাদেশের গভীর উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে।

আমরা শত্রুতা বন্ধের আহ্বান জানাই। আমরা মনে করি জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য এবং নীতিগুলি যেকোনো মূল্যে বহাল রাখা উচিত। জাতিসংঘে উত্থাপিত এ প্রস্তাবে ইউক্রেনে একটি ব্যাপক, ন্যায্য এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য জাতিসংঘের মহাসচিব সদস্য দেশগুলির প্রতি যে আহ্বান জানিয়েছেন, আমরা তার গুরুত্ব অনুভব করছি। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি অবশ্যই সর্বজনীন হতে হবে। জাতিসংঘে উত্থাপিত প্রস্তাবেরও চূড়ান্ত উদ্দেশ ছিল ইউক্রেনে একটি ব্যাপক, ন্যায্য এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তি খোঁজা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাশিয়ার বিপক্ষে ভোট না দেওয়ার ব্যাখ্যা বাংলাদেশের

আপডেট সময় : ০৬:২৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। সেই প্রস্তাবে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে বাংলাদেশসহ ৩২ দেশ। তালিকায় চীন, ভারত, পাকিস্তানও ছিল। অবশ্য সাধারণ পরিষদের ১৯৩টি দেশের মধ্যে ১৪১টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। আর সাতটি দেশ বিপক্ষে ভোট দেয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, বর্তমান সংঘাতের যেকোনো অর্থবহ এবং টেকসই সমাধানের জন্য অবশ্যই সংঘাতে জড়িত পক্ষগুলির মধ্যে নিবিড় কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং সংলাপ প্রয়োজন। আমাদের মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো প্রস্তাবে অনুপস্থিত। ফলে আমরা এর থেকে বিরত থাকতে বাধ্য ছিলাম।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে উত্থাপিত প্রস্তাবে ভোটদানে বাংলাদেশের বিরত থাকার কারণ জানালো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রবিবার সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের অবস্থানের কথা তুলে ধরে বিবৃতি পাঠ করেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলি সাবরিন। তাতে বলা হয়, বাংলাদেশ একটি শান্তিকামী পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে, যা সার্বভৌম সমতা এবং সব রাষ্ট্রের আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি এবং সম্মানের নীতির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইউক্রেনের পরিস্থিতি বিশেষ করে বেসামরিক প্রাণহানি, সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে মানবিক পরিস্থিতির অবনতি এবং এর ফলে বিশ্বজুড়ে আর্থ-সামাজিক অবস্থার বিপর্যয়ের বিষয়ে বাংলাদেশের গভীর উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে।

আমরা শত্রুতা বন্ধের আহ্বান জানাই। আমরা মনে করি জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য এবং নীতিগুলি যেকোনো মূল্যে বহাল রাখা উচিত। জাতিসংঘে উত্থাপিত এ প্রস্তাবে ইউক্রেনে একটি ব্যাপক, ন্যায্য এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য জাতিসংঘের মহাসচিব সদস্য দেশগুলির প্রতি যে আহ্বান জানিয়েছেন, আমরা তার গুরুত্ব অনুভব করছি। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি অবশ্যই সর্বজনীন হতে হবে। জাতিসংঘে উত্থাপিত প্রস্তাবেরও চূড়ান্ত উদ্দেশ ছিল ইউক্রেনে একটি ব্যাপক, ন্যায্য এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তি খোঁজা।