ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফিরলেন কাতারে আটকে পড়া ৪৩০ বাংলাদেশি কৃষকের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে স্বাগত, ইফতার মাহফিলে বিশেষ মোনাজাত বিশ্বকাপ ইস্যুতে ট্রাম্পকে ইরানের কড়া জবাব পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চরম হতাশায় কৃষকরা পাবনায় পেঁয়াজের বাজার ধস, কৃষকেরা এক্ষুণি লোকসানে বেনাপোলে বিজিবির অভিযানে চোরাচালান পণ্য আটক এভারকেয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাসের  শয্যাপাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৮ মাসে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ৩,১০০ সহিংসতার তথ্য ভারতের রাজ্যসভায় স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার: রেলমন্ত্রী জামায়াতের শফিকুর রহমান বিরোধী দলীয় নেতা, তাহের উপনেতা

রজনীকান্তের ৭৫তম জন্মদিন: যে পাঁচটি খাবার তিনি এড়িয়ে চলেন

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৪০ বার পড়া হয়েছে

রজনীকান্তের ৭৫তম জন্মদিন

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের সুপারস্টার রজনীকান্ত ৭৫ বছর পা দিলেন। অভিনয়ের বাইরে তিনি সবসময়ই পরিচিত ছিলেন সরল জীবনধারা, শৃঙ্খলা ও স্বাস্থ্যসচেতনতার জন্য। তার খাদ্যাভ্যাসও সেই একই দর্শনের প্রতিফলন কম, সরল এবং শরীরবান্ধব। তামিল ক্লাসিক ও দক্ষিণ ভারতীয় স্বাদের প্রতি তার গভীর টান থাকলেও কিছু খাবার তিনি কঠোরভাবে এড়িয়ে চলেন সুস্থতা বজায় রাখতে।

. লবণযতটা প্রয়োজন ততটাই

রজনীকান্ত অতি লবণযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলেন। অতিরিক্ত লবণ শরীরে জল জমায়, উচ্চ রক্তচাপ সৃষ্টি করে এবং কিডনি ও হৃদযন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ ফেলে। বিশেষ করে প্যাকেটজাত খাবারে লুকানো লবণের পরিমাণ বেশি থাকে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রজনীকান্ত লবণের পরিমাণ আরও নিয়ন্ত্রণে এনেছেন।

. পরিশোধিত চিনি শক্তি কমায়, সমস্যা বাড়ায়

চিনি তিনি প্রায় খানই না। পরিশোধিত চিনি মুহূর্তে শক্তি বাড়ায়, আবার দ্রুত কমিয়ে দেয়, ফলে শরীর অবসন্ন হয়। একইসঙ্গে প্রদাহ, ওজন বৃদ্ধি, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে। তার মতে, চিনি কমালে শক্তি স্থির থাকে এবং শরীর হালকা অনুভব করে।

. মাইদাস্বাদ আছে, পুষ্টি নেই

রুটি, বিস্কুট বা স্ন্যাকসে মাইদার স্বাদ আকর্ষণীয় হলেও এতে পুষ্টি নেই বললেই চলে। এটি খুব দ্রুত হজম হয়ে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায় এবং দ্রুত ক্ষুধা তৈরি করে। ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। এ কারণেই রজনীকান্ত মাইদাজাত খাবার থেকে দূরে থাকেন।

. দুধসবাইয়ের জন্য নয়

দুধকে অনেকেই সুপারফুড ভাবলেও তা সবার শরীরের সঙ্গে মানায় না। ল্যাকটোজ হজমে সমস্যা হলে পেট ফাঁপা, অস্বস্তি তৈরি হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে ল্যাকটোজ হজমক্ষমতাও কমে। রজনীকান্তও দুধ এড়িয়ে চলেন হজম আরামদায়ক রাখতে।

. দই সময়ে না মিললে ক্ষতি

দই সাধারণত উপকারী, কিন্তু যাদের সাইনাস বা দুগ্ধজাত দ্রব্যে সেনসিটিভিটি আছে, তাদের জন্য তা সমস্যা তৈরি করতে পারে। অ্যাসিডিটি বা নাক বন্ধ হওয়ার ঝুঁকির কারণে রজনীকান্ত দই কম খান, বিশেষ করে রাতে কখনোই না।

সরলতার মধ্যেই সুস্থতার রহস্য

দীর্ঘ ক্যারিয়ারের উজ্জ্বল আলোয় থেকেও রজনীকান্তের খাদ্যাভ্যাস অবিশ্বাস্যভাবে সহজ। শরীর কী চায়, কী চায় না, তিনি তা মন দিয়ে শুনতে শিখেছেন। শৃঙ্খলা, স্বল্পতা এবং স্বাস্থ্যসচেতনতার এই দর্শনই তাকে আজও প্রাণবন্ত রাখে। সূত্র এনডিটিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রজনীকান্তের ৭৫তম জন্মদিন: যে পাঁচটি খাবার তিনি এড়িয়ে চলেন

আপডেট সময় : ০৭:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫

ভারতের সুপারস্টার রজনীকান্ত ৭৫ বছর পা দিলেন। অভিনয়ের বাইরে তিনি সবসময়ই পরিচিত ছিলেন সরল জীবনধারা, শৃঙ্খলা ও স্বাস্থ্যসচেতনতার জন্য। তার খাদ্যাভ্যাসও সেই একই দর্শনের প্রতিফলন কম, সরল এবং শরীরবান্ধব। তামিল ক্লাসিক ও দক্ষিণ ভারতীয় স্বাদের প্রতি তার গভীর টান থাকলেও কিছু খাবার তিনি কঠোরভাবে এড়িয়ে চলেন সুস্থতা বজায় রাখতে।

. লবণযতটা প্রয়োজন ততটাই

রজনীকান্ত অতি লবণযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলেন। অতিরিক্ত লবণ শরীরে জল জমায়, উচ্চ রক্তচাপ সৃষ্টি করে এবং কিডনি ও হৃদযন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ ফেলে। বিশেষ করে প্যাকেটজাত খাবারে লুকানো লবণের পরিমাণ বেশি থাকে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রজনীকান্ত লবণের পরিমাণ আরও নিয়ন্ত্রণে এনেছেন।

. পরিশোধিত চিনি শক্তি কমায়, সমস্যা বাড়ায়

চিনি তিনি প্রায় খানই না। পরিশোধিত চিনি মুহূর্তে শক্তি বাড়ায়, আবার দ্রুত কমিয়ে দেয়, ফলে শরীর অবসন্ন হয়। একইসঙ্গে প্রদাহ, ওজন বৃদ্ধি, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে। তার মতে, চিনি কমালে শক্তি স্থির থাকে এবং শরীর হালকা অনুভব করে।

. মাইদাস্বাদ আছে, পুষ্টি নেই

রুটি, বিস্কুট বা স্ন্যাকসে মাইদার স্বাদ আকর্ষণীয় হলেও এতে পুষ্টি নেই বললেই চলে। এটি খুব দ্রুত হজম হয়ে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায় এবং দ্রুত ক্ষুধা তৈরি করে। ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। এ কারণেই রজনীকান্ত মাইদাজাত খাবার থেকে দূরে থাকেন।

. দুধসবাইয়ের জন্য নয়

দুধকে অনেকেই সুপারফুড ভাবলেও তা সবার শরীরের সঙ্গে মানায় না। ল্যাকটোজ হজমে সমস্যা হলে পেট ফাঁপা, অস্বস্তি তৈরি হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে ল্যাকটোজ হজমক্ষমতাও কমে। রজনীকান্তও দুধ এড়িয়ে চলেন হজম আরামদায়ক রাখতে।

. দই সময়ে না মিললে ক্ষতি

দই সাধারণত উপকারী, কিন্তু যাদের সাইনাস বা দুগ্ধজাত দ্রব্যে সেনসিটিভিটি আছে, তাদের জন্য তা সমস্যা তৈরি করতে পারে। অ্যাসিডিটি বা নাক বন্ধ হওয়ার ঝুঁকির কারণে রজনীকান্ত দই কম খান, বিশেষ করে রাতে কখনোই না।

সরলতার মধ্যেই সুস্থতার রহস্য

দীর্ঘ ক্যারিয়ারের উজ্জ্বল আলোয় থেকেও রজনীকান্তের খাদ্যাভ্যাস অবিশ্বাস্যভাবে সহজ। শরীর কী চায়, কী চায় না, তিনি তা মন দিয়ে শুনতে শিখেছেন। শৃঙ্খলা, স্বল্পতা এবং স্বাস্থ্যসচেতনতার এই দর্শনই তাকে আজও প্রাণবন্ত রাখে। সূত্র এনডিটিভি