ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বাঁধা বাবা, চা-রুটি খাইয়ে দিচ্ছিল ৯ বছরের মেয়ে জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী বিরাজলক্ষী ঘোষের কবিতা ‘ঈশ্বরের সাথে মেঘের মাঝে’ সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী আয়ুর্বেদে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ  গবেষণা কেন্দ্র গঠনের প্রস্তাব

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুতি ইরানের

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬ ১২৯ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুতি জোরদার করছে ইরান

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযানের আশঙ্কাকে সামনে রেখে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যাপকভাবে শক্তিশালী করছে ইরান।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটি বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা ও কৌশলগত দ্বীপগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত মেরিন ও এয়ারবোর্ন সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়ার পর থেকেই এই উত্তেজনা বাড়তে শুরু করে। যদিও সরাসরি স্থল অভিযানের ঘোষণা দেওয়া হয়নি, তবুও এই মোতায়েনকে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি হিসেবে দেখছে তেহরান।

এর জবাবে ইরান সমুদ্রসীমায় মাইন স্থাপন, উপকূলীয় এলাকায় প্রতিরক্ষা ফাঁদ তৈরি এবং দ্বীপভিত্তিক প্রতিরক্ষা জোরদার করছে।

ইরানের পার্লামেন্টের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি জানিয়েছেন, দেশটির প্রধান তেল রফতানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, পারস্য উপসাগর অঞ্চলে ইরান বহু সুড়ঙ্গ ও গোপন ঘাঁটি তৈরি করেছে, যেখান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো সম্ভব।

লন্ডনভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক চ্যাথাম হাউস–এর পরিচালক সানাম ভাকিল বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য যেকোনো অবতরণকে ব্যয়বহুল ও রাজনৈতিকভাবে জটিল করে তোলাই ইরানের কৌশল।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানের প্রায় ১০ লাখ সক্রিয় ও রিজার্ভ সেনা রয়েছে, যার মধ্যে ইসলামিক বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী (আইআরজিসি)–এর প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার সদস্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত। এই বাহিনীই প্রতিরক্ষার মূল ভরসা হিসেবে কাজ করছে।

এদিকে সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে, আইআরজিসি ‘জানফাদা’ নামে এক কর্মসূচির আওতায় সাধারণ নাগরিকদের পাশাপাশি অপ্রাপ্তবয়স্কদেরও স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে।

যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সহায়ক কাজের কথা বলা হচ্ছে, মানবাধিকার সংস্থাগুলো এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

সামগ্রিক পরিস্থিতিতে ইরান স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, তাদের ভূখণ্ডে কোনো হামলা হলে এর প্রতিক্রিয়া শুধু সামরিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং আঞ্চলিক গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই উত্তেজনা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :