ঢাকা ১১:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতের হারে ইতিহাসের চাবিকাঠি বাংলাদেশের হাতে তরুণদের কর্মসংস্থান ও বস্তিবাসীর পুনর্বাসনে কাজ করবে বিএনপি: তারেক রহমান ঢাকায় অনুষ্ঠিত এশিয়ার সর্ববৃহৎ সরস্বতী পূজা, ‘গ্রিনেসবুকে’ নাম লিখানোর উদ্যোগ রমজানের আগে বাজারে মূল্যচাপ, নিত্যপণ্যে ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী  নির্বাচন বানচালে দেশজুড়ে গুপ্ত হামলা চালাচ্ছে: মির্জা ফখরুল যুদ্ধ বন্ধে প্রথমবার ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসছে রাশিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা, তারপরও ভারতে ম্যাচ! আইসিসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ফারুকীর ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না বাংলাদেশ আগামী নির্বাচনে ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৫ জন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে এশিয়ার সর্ববৃহৎ সরস্বতী পূজা, ‘গ্রিনেসবুকে’ উদ্যোগ

Historian March 7 : ৭ই মার্চ উদযাপন গোটা বাংলাদেশটাই একটা মঞ্চ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪০:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ মার্চ ২০২২ ৯৫১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আমিনুল হক, ঢাকা 

১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বজ্রকণ্ঠের ভাষণটিই পরবর্তীতে নিরস্ত্র বাঙালি জাতিকে রাতারাতি সশস্ত্র জাতিতে পরিণত করেছিলেন। বর্বর পাকিস্তানের শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠা বাঙালি গণনায়কের ডাকে হাতে লগিবৈঠা-বাঁশের লাঠি এবং মাথায় গামছা বেধে ঢাকার প্রাণকেন্দ্র তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে উপস্থিত হয়েছিলেন। সেদিন বজ্রকণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছিলো ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’।

ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজারো বাধা ডিঙ্গিয়ে রেসকোর্স ময়দানে সামিল হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা শুনতে। অবশেষে বজ্রকণ্ঠের গগনবিধারী সেই কণ্ঠে ধ্বনি উচ্চারিত হলো ‘তোমাদের যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করো’। বঙ্গবন্ধুর এই কালজয়ী ভাষণই নিরস্ত্র বাঙালি জাতিকে সশস্ত্রজাতিতে পরিণত করেছিলো। নির্যাতি-নিগৃত বাঙালি শিরদাড়া সোজা করে, এক বুক সাহস নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলো। কাতারে কাতারে মানুষ ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলো।

খাদ্য, সশস্ত্র প্রশিক্ষণ এবং অস্ত্র দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সাহায্য করার পাশাপাশি মিত্র বাহিনীর সৈনিকরাও যুদ্ধে সামিল হয়েছিলো। ভারতের বহু সৈনিকের রক্তে ভিজে গিয়েছে বাংলার মাটি। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ৭ই মার্চ উদযাপন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকালে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন। এরপর বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক, সরকারী-বেসরকারী সংস্থার কর্মকর্তাকর্মচারি ছাড়াও সর্বস্তরের মানুষ জাতিরজনককে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ভোর-সন্ধ্যা পর্যন্ত সারাদেশে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি বাজানো হয়। মনে হয়েছে গোটা বাংলাদেশটাই একটা মঞ্চ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Historian March 7 : ৭ই মার্চ উদযাপন গোটা বাংলাদেশটাই একটা মঞ্চ

আপডেট সময় : ০৬:৪০:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ মার্চ ২০২২

আমিনুল হক, ঢাকা 

১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বজ্রকণ্ঠের ভাষণটিই পরবর্তীতে নিরস্ত্র বাঙালি জাতিকে রাতারাতি সশস্ত্র জাতিতে পরিণত করেছিলেন। বর্বর পাকিস্তানের শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠা বাঙালি গণনায়কের ডাকে হাতে লগিবৈঠা-বাঁশের লাঠি এবং মাথায় গামছা বেধে ঢাকার প্রাণকেন্দ্র তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে উপস্থিত হয়েছিলেন। সেদিন বজ্রকণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছিলো ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’।

ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজারো বাধা ডিঙ্গিয়ে রেসকোর্স ময়দানে সামিল হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা শুনতে। অবশেষে বজ্রকণ্ঠের গগনবিধারী সেই কণ্ঠে ধ্বনি উচ্চারিত হলো ‘তোমাদের যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করো’। বঙ্গবন্ধুর এই কালজয়ী ভাষণই নিরস্ত্র বাঙালি জাতিকে সশস্ত্রজাতিতে পরিণত করেছিলো। নির্যাতি-নিগৃত বাঙালি শিরদাড়া সোজা করে, এক বুক সাহস নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলো। কাতারে কাতারে মানুষ ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলো।

খাদ্য, সশস্ত্র প্রশিক্ষণ এবং অস্ত্র দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সাহায্য করার পাশাপাশি মিত্র বাহিনীর সৈনিকরাও যুদ্ধে সামিল হয়েছিলো। ভারতের বহু সৈনিকের রক্তে ভিজে গিয়েছে বাংলার মাটি। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ৭ই মার্চ উদযাপন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকালে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন। এরপর বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক, সরকারী-বেসরকারী সংস্থার কর্মকর্তাকর্মচারি ছাড়াও সর্বস্তরের মানুষ জাতিরজনককে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ভোর-সন্ধ্যা পর্যন্ত সারাদেশে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি বাজানো হয়। মনে হয়েছে গোটা বাংলাদেশটাই একটা মঞ্চ।