বাংলাদেশের কক্সবাজারে রিসোর্টে বিধ্বংসী আগুনে ১০ জনের মৃত্যু, রয়েছে একই পরিবারের ৬জন
- আপডেট সময় : ০৪:০৭:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের প্রধান পর্যটন শহর কক্সবাজার। মৌসুম নয়-এখানে সারাবছরই পর্যটকদের যাতায়ত রয়েছে।
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটোয়ারটেক সৈকতে কাঠের তৈরি একটি রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ১০ জন হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ আগুন লাগে।
এদিকে বেলা সোয়া দুইটায় ফায়ার সার্ভিসের কক্সবাজারের উপ সহকারী পরিচালক সৈয়দ মোরশেদ হোসেন সাংবাদিকেদের ১০ জনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আরও মরদেহ থাকতে পারে। উদ্ধার অভিযান চলছে।
১০ জনের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান মালিহা (৩০) ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা (২৭) ও নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) এবং পাঁচ বছর বয়সী ফায়িজান আহম্মেদ। কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সুবক্তগীন মাহমুদ সোহেল সাংবাদিকেদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আকতার সাংবাদিকেদের বলেন, পরে উদ্ধার করা চারটি মৃতদেহের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি, পুড়ে অঙ্গার হয়ে গেছে। ডিএনএ টেস্টে পরিচয় শনাক্ত করা হবে।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ ছয়জন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁরা হলেন মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন (৩১), তাঁর স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান (২৯), মান্নান (৩৪), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও সামিদা (৩২)।
স্থানীয় লোকজন জানান, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।
এ সময় উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দারা। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার কাজ চালায়। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান সাংবাদিকেদের বলেন, রিসোর্টের রান্নাঘরের চুল্লি থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ অনুসন্ধানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

















