ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশে ‘বিধর্মী সংসদ সদস্য থাকতে পারে না’ জামায়াতের জনসভা ঘিরে বিতর্ক তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা সিনিয়রে আনসার, জুনিয়রে বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানীতে কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান অনিশ্চয়তায় অমর একুশে বইমেলা, পহেলা ফেব্রুয়ারিতে একদিনের প্রতীকী আয়োজন দেশপ্রেমের নামে গোপনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক করছে তারা: চরমোনাই পীর ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার দৌরাত্ম্য: সড়কে  বিশৃঙ্খলা, দুর্ঘটনা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়েছে ফরিদপুরে অবৈধ অস্ত্র কারখানায় সেনা অভিযান, একাধিক সরঞ্জাম উদ্ধার পশ্চিমবঙ্গের মুড়িগঙ্গা নদীতে ডুবে গেল বাংলাদেশি জাহাজ, উদ্ধার ১২ জন অস্ট্রেলিয়ায় হাঙরের কামড়ে আহত কিশোরের মৃত্যু বাংলাদেশ ক্রিকেট ইস্যুতে মন্তব্যের পর ভারতে মুসলিম অভিনেতা কেআরকের গ্রেফতার, বিতর্ক তুঙ্গে

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণে চুক্তি স্বাক্ষর সোমবার

উদয়ন চৌধুরী, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৯:০১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৩৪৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের দীর্ঘ মেয়াদী ঋণে (এলওসি) বাংলাদেশ রেল খাতে ১৭টি প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ এগিয়ে চলছে। যার মধ্যে ৯টি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। অন্যান্য প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। এবারে হাতে নেওয়া হয়েছে, বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েল গেজ রেললাইন নির্মাণ। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে ভারত সরকারের ক্রেডিট লাইন-৩ এর অধীনে। ৬৭২.৫৮ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রক এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণে চুক্তি 

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ হলে ঢাকার সঙ্গে বগুড়ার দূরত্ব কমবে প্রায় ৭২ কিলোমিটার। আর্থিকভাবে লাভবান হবেন এ অঞ্চলের যাত্রীরা। উত্তরাঞ্চল মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি এই রেলপথ। বর্তমানে বগুড়ার সান্তাহার জংশন হয়ে নাটোর, পাবনা, ঈশ্বরদী, সিরাজগঞ্জের

উল্লাপাড়া হয়ে বঙ্গবন্ধু সেতুতে পারি দিতে হয়। তিন জেলা ঘুরে পৌঁছাতে সময় লেগে যায় প্রায় ৫-৬ ঘণ্টা। সেই সঙ্গে পাড়ি প্রায় ৪০৫ কিলোমিটার পথ। তাতে ঢাকায় পৌঁছাতে সময় লেগে যায় প্রায় ৯ ঘণ্টা। এ ছাড়া বগুড়া থেকে ঢাকা পর্যন্ত সড়ক পথে ২২০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে বাসে ঢাকা যেতে সময় লাগে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা। জানা গিয়েছে, প্রস্তাবিত ৮৪ কিলোমিটার রেলপথের

জন্য ৯৬০ একর জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব করা হয়েছে। যার মধ্যে বগুড়ার সীমানায় ৫২ কিলোমিটার রেলপথের জন্য ৫১০ একর এবং সিরাজগঞ্জ অংশের ৩২ কিলোমিটার অংশের জন্য ৪৫০ একর জমি।

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পটি ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর একনেক সভায় অনুমোদন পেয়েছে। ভারতীয় ঋণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়ার কথা রয়েছে। সে কারণে পরামর্শক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে।

সম্প্রতি রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন সিরাজগঞ্জ সফর করেন। সেখানে এক মতবিনিময় সভায় রেলপথ মন্ত্রী এলাকাবাসী আশ্বাস্ত করে বলেছিলেন, শিগগিরই বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথের কাজ শুরু হবে।

 

ভারতের দীর্ঘ মেয়াদী ঋণে (এলওসি) বাংলাদেশ রেল খাতে ১৭টি প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ এগিয়ে চলছে। যার মধ্যে ৯টি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। অন্যান্য প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। এবারে হাতে নেওয়া হয়েছে, বগুড়া-সিরাজগঞ্জ

ডুয়েল গেজ রেললাইন নির্মাণ। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে ভারত সরকারের ক্রেডিট লাইন-৩ এর অধীনে। ৬৭২.৫৮ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রক এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

বগুড়া থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম তীর তথা সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন পর্যন্ত ডুয়াল গেজ রেললাইন নির্মাণের জন্য সমীক্ষা, বিস্তারিত নকশা, গাণিতিক মডেলিং, টেন্ডারিং পরিষেবা এবং নির্মাণ তত্ত্বাবধান বিষয়ে পরামর্শ সেবা প্যাকেজের চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে সোমবার

দুপুরে বাংলাদেশ রেলভবনে। রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন, রেলপথ মন্ত্রকর সচিব এবং ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীসহ রেলপথ মন্ত্রকের উর্ধতন কর্মকর্তারা চুক্তি স্বাক্ষর আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন।

আরভি অ্যাসোসিয়েটস আর্কিটেক্টস ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড কনসালট্যান্ট প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে রাইটস লিমিটেডের চুক্তি স্বাক্ষর হবে। বগুড়া থেকে শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন (সিরাজগঞ্জ) রেল লাইন প্রকল্পের জন্য পিএমসি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় বগুড়া থেকে শহীদ এম মনসুর আলী পর্যন্ত ডুয়েল গেজ মেইন লাইন এবং ডুয়েল গেজ লুপ লাইন নির্মাণ করা হবে। পশ্চিম অঞ্চলের ডুয়েল গেজ নেটওয়ার্ক

বাংলাদেশ রেলওয়ে সংযুক্ত হলে সিরাজগঞ্জ, বগুড়া এবং বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জনসংখ্যার বৃহত্তর অংশ এই রেল যোগাযোগের মাধ্যমে উপকৃত হবে।

 

প্রকল্পটি ব্রডগেজ এবং মিটারগেজ ট্রেন নির্বিঘ্নে পরিচালনার সুবিধার্থে ঢাকা হয়ে পূর্ব ও দক্ষিণ অংশের সারাদেশের পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের মধ্যে একটি ছোট দ্বৈত গেজ সংযোগ

স্থাপন করা হবে। তাতে দ্রুত এবং মানসম্মত যাত্রীদের পরিষেবা সম্ভব হবে। যানজটের পাশিপাশি কমবে বায়ুদূষণ। আমজনতার জন্য সহজ এবং আরামদায়ক পরিবহন

পরিষেবা নিশ্চিত হবে। এই রুটে মালবাহী ট্রেন চলাচল এবং ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য রাজস্ব আয় এবং দেশীয় কনটেইনার অপারেশনও

বৃদ্ধি বাড়বে। কমবে ভ্রমণের সময়। রেলপথে উন্নত আঞ্চলিক সংযোগ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণে চুক্তি স্বাক্ষর সোমবার

আপডেট সময় : ০৯:০১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

ভারতের দীর্ঘ মেয়াদী ঋণে (এলওসি) বাংলাদেশ রেল খাতে ১৭টি প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ এগিয়ে চলছে। যার মধ্যে ৯টি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। অন্যান্য প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। এবারে হাতে নেওয়া হয়েছে, বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েল গেজ রেললাইন নির্মাণ। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে ভারত সরকারের ক্রেডিট লাইন-৩ এর অধীনে। ৬৭২.৫৮ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রক এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণে চুক্তি 

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ হলে ঢাকার সঙ্গে বগুড়ার দূরত্ব কমবে প্রায় ৭২ কিলোমিটার। আর্থিকভাবে লাভবান হবেন এ অঞ্চলের যাত্রীরা। উত্তরাঞ্চল মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি এই রেলপথ। বর্তমানে বগুড়ার সান্তাহার জংশন হয়ে নাটোর, পাবনা, ঈশ্বরদী, সিরাজগঞ্জের

উল্লাপাড়া হয়ে বঙ্গবন্ধু সেতুতে পারি দিতে হয়। তিন জেলা ঘুরে পৌঁছাতে সময় লেগে যায় প্রায় ৫-৬ ঘণ্টা। সেই সঙ্গে পাড়ি প্রায় ৪০৫ কিলোমিটার পথ। তাতে ঢাকায় পৌঁছাতে সময় লেগে যায় প্রায় ৯ ঘণ্টা। এ ছাড়া বগুড়া থেকে ঢাকা পর্যন্ত সড়ক পথে ২২০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে বাসে ঢাকা যেতে সময় লাগে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা। জানা গিয়েছে, প্রস্তাবিত ৮৪ কিলোমিটার রেলপথের

জন্য ৯৬০ একর জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব করা হয়েছে। যার মধ্যে বগুড়ার সীমানায় ৫২ কিলোমিটার রেলপথের জন্য ৫১০ একর এবং সিরাজগঞ্জ অংশের ৩২ কিলোমিটার অংশের জন্য ৪৫০ একর জমি।

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পটি ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর একনেক সভায় অনুমোদন পেয়েছে। ভারতীয় ঋণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়ার কথা রয়েছে। সে কারণে পরামর্শক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে।

সম্প্রতি রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন সিরাজগঞ্জ সফর করেন। সেখানে এক মতবিনিময় সভায় রেলপথ মন্ত্রী এলাকাবাসী আশ্বাস্ত করে বলেছিলেন, শিগগিরই বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথের কাজ শুরু হবে।

 

ভারতের দীর্ঘ মেয়াদী ঋণে (এলওসি) বাংলাদেশ রেল খাতে ১৭টি প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ এগিয়ে চলছে। যার মধ্যে ৯টি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। অন্যান্য প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। এবারে হাতে নেওয়া হয়েছে, বগুড়া-সিরাজগঞ্জ

ডুয়েল গেজ রেললাইন নির্মাণ। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে ভারত সরকারের ক্রেডিট লাইন-৩ এর অধীনে। ৬৭২.৫৮ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রক এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

বগুড়া থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম তীর তথা সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন পর্যন্ত ডুয়াল গেজ রেললাইন নির্মাণের জন্য সমীক্ষা, বিস্তারিত নকশা, গাণিতিক মডেলিং, টেন্ডারিং পরিষেবা এবং নির্মাণ তত্ত্বাবধান বিষয়ে পরামর্শ সেবা প্যাকেজের চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে সোমবার

দুপুরে বাংলাদেশ রেলভবনে। রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন, রেলপথ মন্ত্রকর সচিব এবং ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীসহ রেলপথ মন্ত্রকের উর্ধতন কর্মকর্তারা চুক্তি স্বাক্ষর আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন।

আরভি অ্যাসোসিয়েটস আর্কিটেক্টস ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড কনসালট্যান্ট প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে রাইটস লিমিটেডের চুক্তি স্বাক্ষর হবে। বগুড়া থেকে শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন (সিরাজগঞ্জ) রেল লাইন প্রকল্পের জন্য পিএমসি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় বগুড়া থেকে শহীদ এম মনসুর আলী পর্যন্ত ডুয়েল গেজ মেইন লাইন এবং ডুয়েল গেজ লুপ লাইন নির্মাণ করা হবে। পশ্চিম অঞ্চলের ডুয়েল গেজ নেটওয়ার্ক

বাংলাদেশ রেলওয়ে সংযুক্ত হলে সিরাজগঞ্জ, বগুড়া এবং বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জনসংখ্যার বৃহত্তর অংশ এই রেল যোগাযোগের মাধ্যমে উপকৃত হবে।

 

প্রকল্পটি ব্রডগেজ এবং মিটারগেজ ট্রেন নির্বিঘ্নে পরিচালনার সুবিধার্থে ঢাকা হয়ে পূর্ব ও দক্ষিণ অংশের সারাদেশের পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের মধ্যে একটি ছোট দ্বৈত গেজ সংযোগ

স্থাপন করা হবে। তাতে দ্রুত এবং মানসম্মত যাত্রীদের পরিষেবা সম্ভব হবে। যানজটের পাশিপাশি কমবে বায়ুদূষণ। আমজনতার জন্য সহজ এবং আরামদায়ক পরিবহন

পরিষেবা নিশ্চিত হবে। এই রুটে মালবাহী ট্রেন চলাচল এবং ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য রাজস্ব আয় এবং দেশীয় কনটেইনার অপারেশনও

বৃদ্ধি বাড়বে। কমবে ভ্রমণের সময়। রেলপথে উন্নত আঞ্চলিক সংযোগ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।