ফুটবলের পর ফুটসালেও সাফ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, সাবিনাকে নিয়ে গর্বিত বাফুফে সভাপতি
- আপডেট সময় : ০৬:৫০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে
শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ নারী দল। প্রথমবারের মতো সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতে নিয়েছে সাবিনা খাতুনের নেতৃত্বাধীন দল। মেয়েদের এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল।
ম্যাচ শেষের পর রোববার বিকেলে বাফুফের ফেসবুক পেজে নারী ফুটসাল দলকে অভিনন্দন জানান তাবিথ আউয়াল। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় নিজেদের আধিপত্য আরও বিস্তৃত করে সাফ ফুটসালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় নারী দলকে বিশেষভাবে অভিনন্দন। বাংলাদেশের একমাত্র ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে খেলার দুটি ভিন্ন ফরম্যাটে-ফুটবল ও ফুটসাল-দলকে চ্যাম্পিয়ন করায় সাবিনা খাতুনকে নিয়ে আমরা গর্বিত।
সাবিনা খাতুনের নেতৃত্বেই ২০২২ সালে প্রথমবার সাফ নারী ফুটবলের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার ফুটসালেও সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে চ্যাম্পিয়ন করেছেন তিনি। টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে সর্বোচ্চ ১৪ গোল করে সেরা গোলদাতাও হয়েছেন সাবিনা।

বাংলাদেশ নারী ফুটসালের পথচলা শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে। কোচ গোলাম রব্বানীর অধীনে সে বছর এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিলেও পরবর্তী ছয় বছর কার্যক্রম বন্ধ ছিল। গত বছরের শেষ দিকে বাফুফে নতুন করে দল গঠন করে। সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে দেশে ও দেশের বাইরে অনুশীলনের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠে এই চ্যাম্পিয়ন দল।
এদিকে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত প্রথম সাফ পুরুষ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে ৫ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে আগেই শিরোপা নিশ্চিত করেছে মালদ্বীপ। বাংলাদেশ ৬ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম হয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করে। তবু ছেলেদের পারফরম্যান্স নিয়েও সন্তুষ্ট বাফুফে সভাপতি। তার ভাষায়,
“বাংলাদেশ ইতিবাচকভাবে ফুটসাল যাত্রা শুরু করেছে। নারী ও পুরুষ দল প্রমাণ করেছে—আমাদের দেশে প্রতিভা ও জয়ের মানসিকতা রয়েছে।”
চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর সাফের পোস্ট করা ভিডিওতে দারুণ অভিজ্ঞতার কথা জানান মাতসুশিমা সুমাইয়া। তিনি বলেন, এই প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য সাফকে ধন্যবাদ। এখানে অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড়ের বিপক্ষে খেলতে পেরে ভালো লেগেছে। আলহামদুলিল্লাহ, আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছি।
সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অধিনায়ক সাবিনাও। ম্যাচের আগে ফেসবুকে তিনি লিখেছিলেন, একটা লড়াই বাকি। সব হৃদয় একসঙ্গে, কোনো ভয় নেই। মালদ্বীপকে হারিয়ে পরে লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ।



















