পুরির পর ঢাকায় সর্ববৃহৎ রথযাত্রা
- আপডেট সময় : ০৮:৪২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুন ২০২৩ ৩৪৮ বার পড়া হয়েছে
অনিরুদ্ধ
সকাল থেকেই ঢাকার আকাশ মেঘলা। থেমে থেমে বৃষ্টি। কখনও হাল্কা কখনও বা ঝুম বৃষ্টি। বৃষ্টি মাথায় নিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে হাজারো ভক্তের আগমণে উৎসব মুখর হয়ে ওঠে ঢাকার স্বামীবাগ ইসকন আশ্রম। এখান থেকেই রথযাত্রা শুরু হয়ে ৫কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে গিয়ে শেষ হয়।
স্বামীবাগ আশ্রমের পাশের রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ। চারিদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা বলয়। ভক্তদের সমাগম চোখে পড়ার মতো। রথযাত্রা কতটা বর্ণিল হতে পারে, তারই স্বাক্ষর রাখল ঢাকা।
লম্বা পথ অতিক্রমকালে রাস্তার পাশে, বাড়ির ছাদে ও বারান্দায়, যানবাহনে বসে, অফিসের বরান্দায় দাঁড়িয়ে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা দর্শন করেন। স্বামীবাগ থেকে পলাশী সর্বত্র রাস্তার মোড়ে মোড়ে মানুষের ঢল। তারা দীর্ঘ দিন সময় অপেক্ষা রথযাত্রা প্রত্যক্ষ করেন। এদিন ঢাকা, কুমিল্লা, ধামড়াই, চট্টগ্রাম, যশোসহ সারাদেশে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকার স্বামীবাগ ইসকন মন্দির থেকে বিপুল সংখ্যক ভক্তের অংশ গ্রহণে রথযাত্রা শুরু হয়। বাংলাদেশ ইসকনের সাধারণ সম্পাদক ও স্বামীবাগ আশ্রমের অধ্যক্ষ চারুচন্দ্র দাশ ব্রহ্মচারী বলেন, রথযাত্রার শুরুতেই এক লাখ ভক্ত অংশ নেবে। রাস্তায় কমপক্ষে আরও প্রায় ১৫ লাখ ভক্ত জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা দর্শন করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।
অধ্যক্ষ চারুচন্দ্র দাশ ব্রহ্মচারী বলেন, পুরির পর ঢাকার স্বামীবাগের রথযাত্রার অবস্থান। দিন দিন রথযাত্রায় ভক্তের অংশগ্রহণ বাড়ছে। এবার একটি নতুন রথ তৈরি করা হয়েছে। আগামী বছর আরও দুটো রথ তৈরি করা হবে।

ঢাকায় স্মরণকালের রথযাত্রা
স্বামীবাগ ইসকন মন্দিন থেকে রথ যাত্রা শুরু হয়ে ৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে বাংলাদেশের জাতীয় মন্দির ঢাকেশ্বরী পৌছে সন্ধ্যায়। মঙ্গলবার বৃষ্টি উপেক্ষা করে ভক্তের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে ইস্কন আশ্রম।
বৃষ্টি মাথায় নিয়ে দলে দলে ভক্তরা কুমিল্লার প্রাণ কেন্দ্র জগন্নাথদেবের মন্দিরে জমা হয়। সেখান থেকে হাতী, লরিসহ বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। বাদ্যের তালে তালে র্যালিটি শহরের বিভিন্ন স্থান অতিক্রম করে। এসময় হাজারো মানুষ জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা দর্শন করেন।

ঢাকার স্বামীবাগ ইসকন মন্দিরের অধ্যক্ষ চারুচন্দ্র দাশ ব্রহ্মচারী বলেন, পুরি রথযাত্রার পরই স্বামীবাগ ইসকন মন্দিরের রথযাত্রা স্থান। এদিন ইসকনের আলোচনায় অংশ নেন সড়ক যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিৎ রায় নন্দী, আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্মল চ্যাটার্জি, ইন্দিরা গন্ধি সাংস্কৃতি কেন্দ্রে পরিচালক মৃন্ময় চ্যাটার্জি বক্তব্য রাখেন।




















