ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না বাংলাদেশ আগামী নির্বাচনে ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৫ জন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে এশিয়ার সর্ববৃহৎ সরস্বতী পূজা, ‘গ্রিনেসবুকে’ উদ্যোগ একাত্তরেই বাংলার মানুষ তাদের দেখে নিয়েছে: তারেক রহমান সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস সেনাবাহিনীর নির্বাচিত হলে ‘নবিজির ন্যায়ের’ ভিত্তিতে দেশ পরিচালনার অঙ্গীকার তারেক রহমানের যে কারণে  সিলেট থেকেই বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে পুণ্যভূমি সিলেট থেকে নির্বাচনী মাঠে নামলেন তারেক রহমান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের নতুন অভিযাত্রা বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে আইসিসির সিদ্ধান্ত এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত

পহেলা আষাঢ় আজ হবে না বর্ষা উৎসব

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০২:৩০:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১ ২৩১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

‘নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে তিল ঠাঁই আর নাহিরে’

প্রকৃতি রক্ষার ব্রত নিয়ে আসা বর্ষা ঋতুকে বরণ করে নিতে প্রতিবারই আয়োজন হয়ে থাকে বর্ষা উৎসবের। কিন্তু দু’বছর ধরে পরিবেশটা ভিন্ন। কোন উৎসবের আয়োজনই হচ্ছে। প্রকৃতি এবং উৎসব প্রেমি মানুষ ঘরবন্দী। হাজারো যন্ত্রণা নিয়ে বেচে আছে মানুষ। চারিদিকে একরাশ হতাশা গ্রাস করেছে গোটা পৃথিবীকে।

তারপরও সে টুকু হবার নয়, তারই চেষ্টা অনলাইন ভিত্তিক আয়োজনে। এযেন ‘দুধের স্বাদ গোলে মেটানো।’ তথ্য-প্রযুক্তির বদৌলতে মানুষ কিছুটা হলেও মনের খোরাক পাচ্ছেন।

ঘরে বসেও অনুষ্ঠানে যুক্ত হচ্ছেন। বর্ষার এই প্রথম দিনে কবিগরুর ‘নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে তিল ঠাঁই আর নাহিরে’ কবিতা নিয়ে সঙ্গী হয়েছেন, প্রতিথযশা বাচিকশিল্পী সুস্মিতা মুখার্জি দাস দত্ত।

বাচিকশিল্পী সুস্মিতা মুখার্জি দাস দত্ত

বৈষ্ণব কবির ভাষায়-‘আষাঢ়স্য প্রথম দিবস’। বহু যুগের ওপার থেকে ভেসে আসা স্মৃতি-সৌরভ। এযেন গান হয়ে ভেসে ওঠে বাদল দিনের প্রথম কদমফুলে।
গ্রীষ্মের খরতাপের ধূসর নাগরিক জীবন আর প্রকৃতিতে প্রাণের স্পন্দন জাগাতে এলো বর্ষা।

কবিগুরুর ভাষায়,
‘এমন দিনে তারে বলা যায়,
এমন ঘনঘোর বরিষায়।
এমন দিনে মন খোলা যায়-
এমন মেঘস্বরে বাদল-ঝরোঝরে
তপনহীন ঘন তমসায়’–

ঋতু পরিক্রমায় বাংলার বুকে এসেছে প্রেমময়, কবিতাময়, উচ্ছল বরষা। সময়ের পিঠবেয়ে আজ পহেলা আষাঢ়। ১৪২৮ বঙ্গাব্দের বর্ষার প্রথম দিনপঞ্জিকার অনুশাসনে আষাঢ়ের প্রথম দিন। আষাঢ় মাসের দিয়েই বাংলার প্রকৃতিতে আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় প্রিয় ঋতু বর্ষার।

তাইতো আকাশজুড়ে মেঘের ঘনঘটা। কবিগুরু বৃষ্টি বন্দনায় বলেছেন, গ্রীষ্মের ধুলোমলিন জীর্ণতাকে ধুয়ে ফেলে গাঢ় সবুজের সমারোহে প্রকৃতি সেজেছে পূর্ণতায়। নদীতে উপচে পড়া জল, আকাশে মেঘের ঘনঘটা এরই মাঝে হঠাৎ মেঘরাজের গর্জন। মেঘের ডাকে যেন বৃষ্টি কাঁদছে। যে কথাটি বলি বলি করেও বলা হয় না, বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল নিয়ে যেন তারই আসার অপেক্ষা।

যদিও করোনা অতিমারি ফি বারের মতো বর্ষা বর্ষা উৎসব ঘিরে এবারও কোন আয়োজন স্বাস্থ্যবিধির আওতায় অনেকটাই ঘরবন্দি। তবু আজ অনেকের বন্দী মনে গেয়ে ওঠে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের ‘নীল অঞ্জনঘন পুঞ্জছায়ায় সম্বৃত অম্বর হে গম্ভীর! বনলক্ষ্মীর কম্পিত কায়, চঞ্চল অন্তর। অথবা নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে তিল ঠাঁই আর নাহিরে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পহেলা আষাঢ় আজ হবে না বর্ষা উৎসব

আপডেট সময় : ০২:৩০:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১

ছবি সংগ্রহ

‘নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে তিল ঠাঁই আর নাহিরে’

প্রকৃতি রক্ষার ব্রত নিয়ে আসা বর্ষা ঋতুকে বরণ করে নিতে প্রতিবারই আয়োজন হয়ে থাকে বর্ষা উৎসবের। কিন্তু দু’বছর ধরে পরিবেশটা ভিন্ন। কোন উৎসবের আয়োজনই হচ্ছে। প্রকৃতি এবং উৎসব প্রেমি মানুষ ঘরবন্দী। হাজারো যন্ত্রণা নিয়ে বেচে আছে মানুষ। চারিদিকে একরাশ হতাশা গ্রাস করেছে গোটা পৃথিবীকে।

তারপরও সে টুকু হবার নয়, তারই চেষ্টা অনলাইন ভিত্তিক আয়োজনে। এযেন ‘দুধের স্বাদ গোলে মেটানো।’ তথ্য-প্রযুক্তির বদৌলতে মানুষ কিছুটা হলেও মনের খোরাক পাচ্ছেন।

ঘরে বসেও অনুষ্ঠানে যুক্ত হচ্ছেন। বর্ষার এই প্রথম দিনে কবিগরুর ‘নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে তিল ঠাঁই আর নাহিরে’ কবিতা নিয়ে সঙ্গী হয়েছেন, প্রতিথযশা বাচিকশিল্পী সুস্মিতা মুখার্জি দাস দত্ত।

বাচিকশিল্পী সুস্মিতা মুখার্জি দাস দত্ত

বৈষ্ণব কবির ভাষায়-‘আষাঢ়স্য প্রথম দিবস’। বহু যুগের ওপার থেকে ভেসে আসা স্মৃতি-সৌরভ। এযেন গান হয়ে ভেসে ওঠে বাদল দিনের প্রথম কদমফুলে।
গ্রীষ্মের খরতাপের ধূসর নাগরিক জীবন আর প্রকৃতিতে প্রাণের স্পন্দন জাগাতে এলো বর্ষা।

কবিগুরুর ভাষায়,
‘এমন দিনে তারে বলা যায়,
এমন ঘনঘোর বরিষায়।
এমন দিনে মন খোলা যায়-
এমন মেঘস্বরে বাদল-ঝরোঝরে
তপনহীন ঘন তমসায়’–

ঋতু পরিক্রমায় বাংলার বুকে এসেছে প্রেমময়, কবিতাময়, উচ্ছল বরষা। সময়ের পিঠবেয়ে আজ পহেলা আষাঢ়। ১৪২৮ বঙ্গাব্দের বর্ষার প্রথম দিনপঞ্জিকার অনুশাসনে আষাঢ়ের প্রথম দিন। আষাঢ় মাসের দিয়েই বাংলার প্রকৃতিতে আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় প্রিয় ঋতু বর্ষার।

তাইতো আকাশজুড়ে মেঘের ঘনঘটা। কবিগুরু বৃষ্টি বন্দনায় বলেছেন, গ্রীষ্মের ধুলোমলিন জীর্ণতাকে ধুয়ে ফেলে গাঢ় সবুজের সমারোহে প্রকৃতি সেজেছে পূর্ণতায়। নদীতে উপচে পড়া জল, আকাশে মেঘের ঘনঘটা এরই মাঝে হঠাৎ মেঘরাজের গর্জন। মেঘের ডাকে যেন বৃষ্টি কাঁদছে। যে কথাটি বলি বলি করেও বলা হয় না, বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল নিয়ে যেন তারই আসার অপেক্ষা।

যদিও করোনা অতিমারি ফি বারের মতো বর্ষা বর্ষা উৎসব ঘিরে এবারও কোন আয়োজন স্বাস্থ্যবিধির আওতায় অনেকটাই ঘরবন্দি। তবু আজ অনেকের বন্দী মনে গেয়ে ওঠে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের ‘নীল অঞ্জনঘন পুঞ্জছায়ায় সম্বৃত অম্বর হে গম্ভীর! বনলক্ষ্মীর কম্পিত কায়, চঞ্চল অন্তর। অথবা নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে তিল ঠাঁই আর নাহিরে।’