ঢাকা ০৯:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দখল-ভাঙচুরে ছাড় নয়, জাইমার নিয়োগেও সম্পৃক্ততা নেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর সার্বিক পরিবেশ ইতিবাচক প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী রাড্ডা সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় এমপির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা  মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপসের দাবি, এমপি নজরুলের জামিন নামঞ্জুর  হরমুজ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, দাবি ইরানের ফুটপাতে হাঁটা পথচারীর অধিকার এটি কারও ব্যক্তিগত সম্পদ নয় সময় হলেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর: দীনেশ ত্রিবেদী দুর্গাপূজার ছুটি একদিন বাড়ানোর উদ্যোগে স্বস্তির বার্তা হিন্দু সম্প্রদায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বে জবাবদিহিতা পরামর্শক ব্যয় কমানোর নির্দেশ

দুই দশকে বৃটেনে অভিবাসন প্রত্যাশীদের সর্বোচ্চ আবেদন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৩ ২৩৯ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ 

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

গত দুই দশকের মধ্যে বৃটেনে অভিবাসনের জন্য চলতি বছর সর্বোচ্চ সংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশী আবেদন জমা পড়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান বলছে, যুক্তরাজ্যে আশ্রয়ের আবেদন  গেল বছরের তুলনায় চলতি বছরে ৫৭ শাতাংশ বেশি জমা পড়ে। যা কিনা এযাবকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড।

যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইরাক সিরিয়ার চেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষ শরণার্থী হিসাবে ব্রিটেনে আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন। আশ্রয় প্রার্থীর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান এখন পঞ্চম।

পরিসংখ্যানে অনুযায়ী, চলতি বছরের জুনের শেষ নাগাদ পর্যন্ত ১ লাখ ৭৫ হাজার আবেদন পড়েছে। শরণার্থী মর্যাদা দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে তারা। এই সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ৫৭ শতাংশ বেশি। গত বছর একই সময় আবেদন পড়েছিল ১ লাখ ২২ হাজার ২১৩টি।

২০১০ সাল থেকে অভিবাসন প্রত্যাশীদের রেকর্ড রাখা হচ্ছে। চলতি বছর শরণার্থী  সংখ্যা  অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে। সাধারণ ভাবে, একজন অভিবাসনপ্রত্যাশীর আবেদনের বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত আসতে কমপক্ষে ছয় মাস অপেক্ষা করতে হয়। সেখানে জুনের শেষ নাগাদ পর্যন্ত এমন অপেক্ষমাণ রয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৬১টি আবেদন।

পরিসংখ্যানে আরও দেখা যাচ্ছে, চলতি বছরের জুনে শেষ হওয়া হিসাব বছরে ৭৮ হাজার ৭৬৮টি শরণার্থী হিসেবে আশ্রয়ের আবেদন পড়েছে। আবেদনের বিপরীতে লোকের সংখ্যা ৯৭ হাজার ৩৯০। গত বছরের তুলনায় এটি ১৯ শতাংশ বেশি, আর দুই দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর মধ্যে ব্রিটেনে আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চসংখ্যক রয়েছেন আলবেনিয়ার নাগরিক।

এই দেশের নাগরিকদের কাছ থেকে ১১ হাজার ৭৯০টি আবেদন পড়েছে, যাদের মধ্যে ৭ হাজার ৫৫৭ জনই এসেছেন নৌকায়। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে আছেন আফগানরা। আফগানদের পক্ষ থেকে আবেদন জমা পড়েছে ৯ হাজার ৯৬৪টি। এর আগের ১২ মাসের তুলনায় এটি দ্বিগুণ। এরপরই আছে যথাক্রমে ইরানি ৭ হাজার ৭৭৬ জন, ভারতীয় ৪ হাজার ৪০৩, বাংলাদেশি ৩ হাজার ৬২২, ইরাকি ৩ হাজার ৪৭২ জন এবং সিরীয় ৩ হাজার ৪২২ জন।

অথচ, ২০২১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী  আশ্রয় প্রার্থীর  তালিকার শীর্ষে ছিল ইরান, ইরাক, ইরিত্রিয়া, আলবেনিয়া ও সিরিয়া।

নৌকায় আসার ক্ষেত্রে রেকর্ড ব্রেক করছে আলবেনীয় নাগরিকগণ ২০২০ সালে সংখ্যা ছিল মাত্র ৫০ জন, ২০২১ সালে আসে ৮০০ জন এবং ২০২২ সালে সেই সংখ্যা এসে দাঁড়ায় ১২ হাজার ৩০১ জন। তবে এই তালিকায় রাখা হয়নি ইউক্রেনকে।

ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর, বিশেষ সুবিধায় ২০২৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত ২ লাখ ৩৭ হাজার দুইশত ভিসা ইস্যু করা হয়েছে ইউক্রেনের  জন্য এবং ১ লাখ ৮৩ হাজার ৬শ জন বর্তমানে ব্রিটেনে বসবাস করছেন। আফগানিস্তানের  ক্ষেত্রেও এই বিশেষ সুবিধা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক গত বছরের শেষ নাগাদ তথাকথিত আইনি জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতা নিরসনের লক্ষ্য ঘোষণা করেছিলেন। অভিবাসন প্রত্যাশীদের বহনকারী নৌকাগুলো ব্রিটেনের সীমানায় প্রবেশের আগেই প্রতিরোধ করার প্রত্যয়ও জানিয়েছেন ঋষি  সুনাক। কিন্ত সেই স্রোত কোনভাবেই থামানো যাচ্ছে না। যদিও ২০২২ সালে ৩৮ হাজার আশ্রয়প্রার্থীদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে ইংল্যান্ড।

বাংলাদেশি আশ্রয় প্রার্থীদের মাঝে নৌকায় আসা শরণার্থীর সংখ্যা নাই বললেই চলে। এদের বেশীরভাগই বিভিন্ন ভিসায় ব্রিটেনে এসে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অথবা ভিসা থাকা অবস্থায়ই এই আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন। যার অধিকাংশই স্টুডেন্ট ভিসা বা কেয়ারার ভিসায় ব্রিটেনে এসেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :