ঢাকায় ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং ভারতীয় হাই কমিশনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
- আপডেট সময় : ০৮:৩৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অগাস্ট ২০২১ ২৯৯ বার পড়া হয়েছে
জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থ থেকে পাঠ ও আলোচনায় স্মরণ
বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থপাঠ আয়োজনের মাধ্যমে তাকে শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন করা হয়।
ঢাকায় ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং ভারতীয় হাই কমিশনের যৌথ উদ্যোগে ১৩ আগস্ট এই আয়োজন ছিলো ব্যতিক্রম। গ্রন্থপাঠ এবং ভারত-বাংলাদেশের বিশিষ্টত্ব সাহিত্যিক, শিক্ষকসহ
ব্যক্তিত্বরা আলোচনায় অংশ নেন। যাদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির অধ্যাপক ড. ফখরুল আলম, অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইয়ের ইংরেজি অনুবাদক ড. রাজগোপাল ধর চক্রবর্তী,
বিভাগীয় প্রধান ও অধ্যাপক, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ান স্টাডিজ বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, সৈয়দ বদরুল আহসান, ফ্রি-ল্যান্সার সাংবাদিক এবং দ্য এশিয়ান এজ পত্রিকার

প্রাক্তন বিশিষ্ট সম্পাদক এবং শেখ মুজিবুর রহমান বইয়ের লেখক, ড. শুভায়ু চট্টোপাধ্যায়, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক, নিয়াজ জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ইংরেজি
বিভাগের উপদেষ্টা এবং কবি, উদ্যোক্তা এবং ঢাকা লিট ফেস্টের অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা মিস সাদাফ সাজ।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রী বিক্রম দোরাইস্বামীর উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে অধিবেশনের সূচনা হয়। এসময় তিনি কয়েক দশক ধরে বিশিষ্ট ভারতীয় ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠতার কথা স্মরণ করেন।

তার বক্তৃতার পরে অসমাপ্ত আত্মজীনী থেকে ছয়টি অংশ পাঠ করা হয়। প্রতিটি অংশ পাঠের পর সেগুলোর তাৎপর্য সংক্ষেপে করা হয়। বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ এবং আকর্ষণীয় জীবনকাহিনী
তার অসমাপ্ত আত্মজীবনী থেকে নির্বাচিত অংশগুলোতে প্রতিফলিত হয়েছে। ভারতীয় হাই কমিশনারসহ অংশগ্রহণকারীরা সমস্বরে বঙ্গবন্ধুর সাহিত্যিক গুণাবলীর পাশাপাশি আধুনিক ইতিহাস, রাজনীতি এবং বাংলাদেশের গল্পের সাথে তার প্রাসঙ্গিকতার প্রশংসা করেন।























