ঢাকা ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

ডেঙ্গু ও করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১ ৩১৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাঈদা নাসরীন বাবলী

করোনা প্রকোপের মধ্যে দেখা দিয়েছে ডেঙ্গু। এই ডেঙ্গুরে ভোগাকালীন দেখা দেয় করোনা পজেটিভ। প্রায় একমাস ডেঙ্গু ও করোনার সঙ্গে লড়াই করে বুধবার সকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাঈদা নাসরীন বাবলী।  ঢাকা একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
সহকর্মীরা জানান, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে তিনি দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। সবশেষ প্রায় ১৬ দিন আইসিইউতে ছিলেন।  ডেঙ্গুর সঙ্গে তার করোনা পজিটিভ ছিলো। এরমধ্যে প্রথম দফায় গত ২১ জুন লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হলেও ২৯ জুন তা খুলে দেওয়া হয়। এরমধ্যে তার কিডনি অকার্যকর হয়ে পরে। সর্বশেষ ৫ তারিখ আইসিইউতে থাকা অবস্থায় ব্রেন স্ট্রোক করলে তাকে আবার লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। আজ ভোরে তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়।
দু’টোই ছিলো।। চিকিৎসা চলাকালে ওনার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হলেও ৫ তারিখ ভোরে ব্রেন স্ট্রোক করলে আবারও লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছিল।’

ইতিহাস বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক খোদেজা খাতুন জানিয়েছেন, বাবলীকে সিরাজগঞ্জে তার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হবে। সেখানে মরদেহ নেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, সাঈদা নাসরিন বাবলীর বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গোল্ড মেডেল পাওয়া এই শিক্ষিকা ৩২তম বিসিএস পরীক্ষায় শিক্ষা ক্যাডারে হয়েছেন প্রথম। তার লেখা বেশ কিছু বই রয়েছে।
তার স্বামী ব্যারিস্টার এবিএম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার বাংলাদেশ হাইকোর্টে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে দায়িত্ব পালন করছেন।  তাদের ৫ বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ডেঙ্গু ও করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

আপডেট সময় : ০৮:৩৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১

সাঈদা নাসরীন বাবলী

করোনা প্রকোপের মধ্যে দেখা দিয়েছে ডেঙ্গু। এই ডেঙ্গুরে ভোগাকালীন দেখা দেয় করোনা পজেটিভ। প্রায় একমাস ডেঙ্গু ও করোনার সঙ্গে লড়াই করে বুধবার সকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাঈদা নাসরীন বাবলী।  ঢাকা একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
সহকর্মীরা জানান, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে তিনি দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। সবশেষ প্রায় ১৬ দিন আইসিইউতে ছিলেন।  ডেঙ্গুর সঙ্গে তার করোনা পজিটিভ ছিলো। এরমধ্যে প্রথম দফায় গত ২১ জুন লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হলেও ২৯ জুন তা খুলে দেওয়া হয়। এরমধ্যে তার কিডনি অকার্যকর হয়ে পরে। সর্বশেষ ৫ তারিখ আইসিইউতে থাকা অবস্থায় ব্রেন স্ট্রোক করলে তাকে আবার লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। আজ ভোরে তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়।
দু’টোই ছিলো।। চিকিৎসা চলাকালে ওনার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হলেও ৫ তারিখ ভোরে ব্রেন স্ট্রোক করলে আবারও লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছিল।’

ইতিহাস বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক খোদেজা খাতুন জানিয়েছেন, বাবলীকে সিরাজগঞ্জে তার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হবে। সেখানে মরদেহ নেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, সাঈদা নাসরিন বাবলীর বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গোল্ড মেডেল পাওয়া এই শিক্ষিকা ৩২তম বিসিএস পরীক্ষায় শিক্ষা ক্যাডারে হয়েছেন প্রথম। তার লেখা বেশ কিছু বই রয়েছে।
তার স্বামী ব্যারিস্টার এবিএম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার বাংলাদেশ হাইকোর্টে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে দায়িত্ব পালন করছেন।  তাদের ৫ বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।